Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫, ৮ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

যুদ্ধবিমান কিনবে সরকার

প্রকাশের সময় : ২৫ জানুয়ারি, ২০১৬, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ বিমানবাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে সরকারের বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ফোর্সেস গোল-২০৩০ অনুসারে সাজানো হবে এই বাহিনীকে।
রোববার জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল্লাহর এক প্রশ্নে সংসদ কার্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ একথা জানান। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জানান, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাকল্পে ফোর্সেস গোল-২০৩০ অনুসারে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান মিডিয়াম ফিক্সড উইং ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট, হেলিকপ্টার ট্রেইনার ও মাল্টিরোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এমআরসিএ) কেনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।
বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে
সংসদ সদস্য কামাল আহমেদ মুজমদারের প্রশ্নের জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, বিশ্বে ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসী কর্মকা-ের কারণে জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিমানযোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।
তিনি জানান, বিশ্বজুড়ে বেসামরিক বিমান চলাচল তথা বিমানবন্দরগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। একইভাবে বাংলাদেশের নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ ও চলমান রয়েছে।
বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় বিগত সময়ে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী আরো জানান, বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়ে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতা রয়েছে।
এ ছাড়াও কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত ২৫০ জন নিরাপত্তা সদস্য জরুরি ভিত্তিতে সাময়িকভাবে যোগ করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন ৪০ জন বিমানবাহিনীর সদস্য, ৪০ জন পুলিশ এবং ২০ জন আনসার।
মন্ত্রী বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় সরকারের বিভিন্ন চলমান পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোর সেফটি ও সিকিউরিটি ব্যবস্থার উন্নয়নকল্পে জাইকার অনুদান অর্থায়নে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ চলমান রয়েছে। ওই প্রকল্পের আওতায় হজরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জন্য এক সেট রাডার, যশোর ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরের জন্য দুই সেট ড্রপলার ভেরি হাই ফ্রিকোয়েন্সি অমনিডিরেকশনাল রেডিও রেঞ্জ (ডিভিওআর) এবং ডিসট্যান্স মেজারিং ইকুইপমেন্ট (ডিএমই) এবং হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জন্য দুটি ফায়ার ভেহিকল, সাতটি হোল্ড ব্যাগেজ স্ক্যানিং মেশিন, দুটি কেবিন লাগেজ স্ক্যানিং মেশিন ও ১৯টি একসেস কনট্রোল সিস্টেম ক্রয় ও সংস্থাপন করা হবে। এ প্রকল্পটি জুন ২০১৭ সাল নাগাদ সম্পন্ন হবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, ৫ বছর টানা লোকসানের পওে বিগত অর্থবছরে বিমান লাভের মুখ দেখছে। এ বছওে ২৭২ কোটি টাকা লাভ হয়েছে।
অধিগ্রহণের পর অব্যবহৃত থাকলেও ভূমি মালিককে ফেরতের সুযোগ নেই
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী অধিগ্রহণকৃত অব্যবহৃত ভূমি ফের মূল মালিককে ফেরত দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন ভূমি মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ। রাজশাহী-৩ সংসদীয় সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ