Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫, ৯ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

মাদরাসা শিক্ষার গুণগত মান আরও উন্নত করতে হবে

জমিয়াতুল মোদার্রেছীন আছে থাকবে ক্রমান্বয়ে আরও শক্তিশালী হবে, জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের জাতীয় নেতৃবৃন্দের বিশেষ সভায়- এ এম এম বাহাউদ্দীন

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৭ জুলাই, ২০১৮, ১২:০১ এএম

বর্তমান সরকারের সময়ে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, বেতন বৈষম্য নিরসন, জনবল কাঠামোসহ অন্যান্য সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদকে ধন্যবাদ জানিয়েছে মাদরাসা শিক্ষকদের একক ও সর্ববৃহৎ সংগঠন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন। সংগঠনটির সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের নেতৃত্বে এসব সাফল্য ও অর্জনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা সবকিছু বেড়ে গেছে। এখনো যে দাবি-দাওয়াগুলো আছে আগামীতে তাও পূরণ হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। তবে এখন পর্যন্ত যা অর্জন তা থেকেই শিক্ষকদের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে। চলতি বছর আলিম পরীক্ষায় মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড আবারও শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে। তবে এ ধারা যেন অব্যাহত থাকে এবং গুণগত মান যেন আরও উন্নত হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে। গতকাল (বৃহস্পতিবার) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীস্থ গাউসুল আযম কমপ্লেক্সে জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের জাতীয় নেতৃবৃন্দের বিশেষ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের বিরুদ্ধে অতীতে অনেকেই ষড়যন্ত্র করেছেন মন্তব্য করে এ এম এম বাহাউদ্দীন বলেন, অনেকেই জমিয়াতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, বিরোধীতা করেছেন। আলিয়া মাদরাসা ধারার বিরুদ্ধে করেছেন। কিন্তু কোন কিছুই টিকে নাই। জমিয়াত ও আলিয়া মাদরাসা ধারা এখনো টিকে আছে। সামনে সুদিন আছে, জমিয়াত ক্রমান্বয়ে আরও শক্তিশালী হবে।
জমিয়াত সভাপতি বলেন, আমাদের দৃষ্টি মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে কিভাবে অগ্রসর করা যায় সেই দিকে। মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের সুযোগ সুবিধা, শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত মান উন্নয়ন কিভাবে করা যায়, শিক্ষার্থীদের কিভাবে যোগ্য আলেম, যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা যায় সেই দিকে।
আলিয়া মাদরাসার বিরোধীতাকারীদের সাথেই উন্নয়নের আলোচনার সমালোচনা করে তিনি বলেন, যারা সারাবছর টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আলিয়া মাদরাসা বিরোধী কথা বলে। বলে আলিয়া মাদরাসা অপ্রয়োজনীয় টাকার অপচয়। আবার তার সাথে বসেই এক শ্রেণির মাদরাসা শিক্ষক মাদরাসার উন্নয়নের আলোচনা করে। এটা কিভাবে হয়?
জমিয়াত সভাপতি বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক শামীম আফজাল আলিয়া মাদরাসার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে টেলিভিশনে কথা বলেছেন, ওপেন ফোরামেও কথা বলেন। তিনি আলিয়া মাদরাসা ধারার পরিবর্তে তার মতো করে একটি নতুন ধারা প্রবর্তন করতে চান। তার চাওয়া অনুয়ায়ি কিছু করতে হলে সরকারকে মাদরাসা শিক্ষকদের বিদ্যমান বাজেট থেকে কেটেই করতে হবে। তবে উনি চাইলেই যে সরকার উনাকে সব কিছু দিয়ে দেবেন এমনটা হওয়ার কোন সুযোগ নেই। মনে রাখতে হবে, শামীম আফজালের চাওয়া-পাওয়া বাস্তবায়ন করতে গেলে মাদরাসা শিক্ষকরাই বঞ্চিত এবং ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। কারণ মূল টার্গেট আলিয়া মাদরাসা। সম্প্রতি তিনি সিলেটে একটা অনুষ্ঠানে বলেছেন, আলিয়া মাদরাসাগুলো ব্যর্থ হয়েছে, সরকারের টাকা নষ্ট করছে। সরকার এটার বিকল্প খুঁজতেছে। তার মূল্য ক্যাম্পেইনই হচ্ছে আলিয়া মাদরাসার ধারার বিরুদ্ধে।
সংগঠনের কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে এ এম এম বাহাউদ্দীন বলেন, জমিয়াতুল মোদার্রেছীন গত কয়েকবছর ধরে সারাদেশে সফলভাবে কমিটি করছে, নির্বাচন হচ্ছে। সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এটা আমাদের জন্য বিশাল সাফল্য। এছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম সমাবেশ করেছে জমিয়াত। যেই সংগঠন এত বড়, এতো অর্জন, সাফল্য আসছে তা অন্যদের ঈর্ষার কারণ হবেই। সাফল্য যাদের মাধ্যমে আসবে, যারা দক্ষতা দেখাবে তাদের নিয়ে কেউ কেউ কথা বলবে। আমরা অস্তিত্ব সঙ্কটে নেই। আমরা আগামী দিনে প্যারেড গ্রাউন্ডে সমাবেশ করবো ইনশাআল্লাহ। কয়েক কিলোমিটার জুড়ে মাদরাসা শিক্ষকদের মিলনমেলা হবে। আগামী দিন জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের, আগামী দিন মাদরাসা শিক্ষকদের। সামনের দিনে যে সমাজ গড়ার চিন্তাভাবনা হচ্ছে সেখানে মাদরাসা শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জমিয়াতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা শাব্বীর আহমদ মোমতাজী সম্প্রতি মাদরাসার জন্য জনবল কাঠামো গঠনের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, সারাদেশের আলেম-ওলামাদের দোয়া, জমিয়াতের পীর-মাশায়েখের আন্তরিকতা ও দোয়ায় এটি হয়েছে। জনবল কাঠামোর ফলে প্রায় ৫০ হাজার আলেমের চাকরি হবে। ৫০ হাজার শিক্ষিকার চাকরি হবে, কর্মচারীর সংখ্যাও বাড়বে অনেক। তবে মাদরাসা শিক্ষার এই সাফল্য ম্লান করে দিতে একটি গোষ্ঠি কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, মাদরাসা শিক্ষকদের ঐক্যকে নষ্ট করার জন্য নামে-বেনামে সমিতি হয়েছে। জামায়াত-শিবিরের সাবেক ও বর্তমান নেতারাও এখন এসবে যুক্ত হয়েছে। একটি সংগঠনের সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জামায়াতের জেলার শীর্ষ নেতারা। ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সদস্য ছিলেন, ছাত্রশিবির করার কারণে মাদরাসা থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল তিনিই এখন ওই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। যে ঐক্যের ভিত্তিতে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, বেতন বৈষম্য নিরসন, জনবল কাঠামোসহ অন্যান্য দাবি দাওয়া পূরণ হয়েছে। তারা মাদরাসা শিক্ষকদের সেই ঐক্য বিনষ্ট করার চেষ্টা করছেন।
জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি এ এম এম বাহাউদ্দীনের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা শাব্বীর আহমদ মোমতাজীর পরিচালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, জমিয়াতের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা আ খ ম আবুবকর সিদ্দীক, অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ মোকাদ্দাসুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মাওলানা আ ন ম হাদীউজ্জামান, অধ্যক্ষ মাওলানা শাহ মোঃ মাহমুদুল হাসান ফেরদৌস, কোষাধ্যক্ষ অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রেজাউল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল ফরাহ মোঃ ফরিদ উদ্দিন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ এজহারুল হক, সহকারী মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ড. মু. নজরুল ইসলাম আল মারুফ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মিয়া, ময়মনসিংহ জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা ড. মোঃ ইদ্রিস খান, যশোরের সভাপতি উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জের সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মাসুদুর রহমান, মাগুরার সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা এ বি এম মাহফুজুর রহমান, নেত্রকোণার সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল বাতেন, চাপাইনবাবগঞ্জের সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, সিরাজগঞ্জের সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আতিকুর রহমান, ফরিদপুরের সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আবু ইউছুফ মৃধা, গাজীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল হক, নরসিংদী জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা আবু রায়হান ভূইয়া, ভোলার সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুবাশ্বেরুল হক নাঈম, গাজীপুর মহানগর সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আব্দুল মান্নান, বরিশাল মহানগর সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ আবদুর রব, সিলেট মহানগরীর সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ কুতুবুল আলম, ময়মনসিংহ ফুলপুরের সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা এ কে এম জালাল উদ্দিন, ঢাকা মহানগরীর সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার, দিনাজপুরের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রুহুল আমিন শাহ, নির্বাহী সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ আতাউর রহমান, অধ্যক্ষ মাওলানা জাফরুল্লাহ নূরী প্রমুখ।

 



 

Show all comments
  • Enamul Islam ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৩:৩১ এএম says : 0
    জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীরা নিজেরাই ধ্বংস হয়েছে
    Total Reply(0) Reply
  • Kabir Ahmed Sumon ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৩:৩৫ এএম says : 0
    আল্লাহর কাছে এই দোয়া করি যে, আল্লাহ যেন এ এম এম বাহাউদ্দীন সাহেবকে দীর্ঘ হায়াত দান করেন। যাতে তিনি তার বাবার মত দেশ, ইসলাম ও মাদ্রাসার জন্য কাজ করতে পারেন।
    Total Reply(0) Reply
  • Rumin Reza ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৩:৩১ এএম says : 0
    মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে জমিয়াতুল মোদার্রেছীনকে শক্তিশালী করতে হবে
    Total Reply(0) Reply
  • মনিরুজ্জামান ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৩:৩৬ এএম says : 0
    জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এখনই সর্বস্তরের আলেম সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আসতে হবে অরাজনৈতিক সংগঠন জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের পতাকাতলে।
    Total Reply(0) Reply
  • মোহাম্মদ আলী ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৩:৩৭ এএম says : 0
    দেশের মাদরাসা শিক্ষা উন্নয়ন ও মাদরাসা শিক্ষকদের মর্যাদার প্রতিষ্ঠার পথিকৃত মাওলানা এম এ মান্নান (রহঃ) সাহেবের যোগ্য উত্তরসরীর মত আপনি কাজ করে যাচ্ছেন।
    Total Reply(0) Reply
  • লোকমান ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৩:৩৭ এএম says : 0
    আমরা সব সময়ই আপনার ভালো কাজের সাথে আছি।
    Total Reply(0) Reply
  • Hasan Al Banna ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৩:৩৯ এএম says : 0
    বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য আপনারা যে নিরলস চেষ্টা করে যাচ্ছেন এজন্য আল্লাহ আপনাদেরকে উত্তম জাযাহ দান করুক।
    Total Reply(0) Reply
  • Wasim Akram ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৩:৩৯ এএম says : 0
    I would like to say thank you Mr. Bahauddin, editor of The Daily Inqilab. I do believe you and I am sure if you try you could success, I will be with you.
    Total Reply(0) Reply
  • Kamrul Hasan ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৩:৪১ এএম says : 0
    Although, Bangladesh Jamiatul Mudarresin is a Unpolitical social organization, But it Works for Islam and Madrasah Education in Bangladesh. I always support it.
    Total Reply(0) Reply
  • Pabon Rahman ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৩:৪৫ এএম says : 0
    জমিয়াতুল মোদার্রেছীন দেশের সবচেয়ে বড় অরাজনৈতিক সংগঠন। সংগঠনটি মাদরাসা শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকল দাবি আদায় ও বাস্তবায়নে গঠনমূলকভাবে কাজ করে যাচ্ছে । জমিয়াতুল মোদার্রেছীন যতো বেশি শক্তিশালী হবে এদেশে ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষা ও দ্বীনি শিক্ষা ব্যবস্থা আরও উন্নয়নের পথে এগুবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Khalid Hasan ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৩:৪৬ এএম says : 0
    জমিয়াতুল মোদার্রেছীন শুধু মাদরাসা শিক্ষকদের সংগঠন নয় ইসলামের প্রচার প্রসার ও দ্বীন প্রতিষ্ঠায় সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে এবং যাবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Ismail Hossain ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৩:৪৭ এএম says : 0
    আজ মাদরাসার শিক্ষকগন ধীরে ধীরে যে সুবিধাভোগ করছেন তার অবদান একমাত্র আমাদের সংগঠন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের। আমরা সব সময় এই সংগঠনের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবো। এটা আমাদের সকলের সংগঠন এটা কোন রাজনৈতিক সংগঠন নয়।
    Total Reply(0) Reply
  • আমিন ২৭ জুলাই, ২০১৮, ১২:১২ পিএম says : 0
    যে যতই চেষ্টা করুক জমিয়াতুল মোদারেসিন এর অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না
    Total Reply(0) Reply
  • সকাল আহমেদ ২৭ জুলাই, ২০১৮, ১২:১৩ পিএম says : 0
    একসাথে সব জিনিস বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষার প্রচার ও প্রসারে জমিয়াতুল মুদাররেসিন এর ভূমিকা অনন্য।
    Total Reply(0) Reply
  • সহেল চৌধুরী ২৭ জুলাই, ২০১৮, ১২:১৫ পিএম says : 0
    আজকে মাদরাসা শিক্ষকরা যে বেতন পাচ্ছে এবং স্বাচ্ছন্দপূর্ণজীবন যাপন করছে এর অবদান জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের এবং তার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মান্নানের।
    Total Reply(0) Reply
  • রিপন নন্দী ২৭ জুলাই, ২০১৮, ১২:১৭ পিএম says : 0
    মাদ্রাসা শিক্ষা ও শিক্ষকদের মান উন্নয়নে জমিয়তুল মোদারেসীন এর অনেক অবদান থাকলেও এম এম বাহাউদ্দীন একজন বিতর্কিত ব্যক্তি বিভিন্ন সময় মত পরিবর্তন করায় তিনি মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছেন।
    Total Reply(0) Reply
  • কাজী তৈয়ব ২৭ জুলাই, ২০১৮, ১২:২০ পিএম says : 0
    মাওলানা মান্নানের পর তাঁর সুযোগ্য পুত্র এম এম বাহাউদ্দীন এর নেতৃত্বে জমিয়াতুল মোদারেসিন বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষার প্রসার ও শিক্ষকদের স্বার্থ সংরক্ষনে দৃঢ়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে ইতোমধ্যেই তিনি বেশ কিছু সফলতার মুখ দেখেছেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় মাদ্রাসা শিক্ষায় অনার্সের স্বীকৃতি মাদ্রাসা শিক্ষকদের জনবল কাঠামো প্রভৃতি দাবি তার নেতৃত্বে আদায় হয়েছে আল্লাহ তাকে দীর্ঘজীবী করুন।
    Total Reply(0) Reply
  • রবিউল ইসলাম ২৭ জুলাই, ২০১৮, ১২:২২ পিএম says : 0
    বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষার ও শিক্ষকদের মানোন্নয়নে জমিয়তুল মুদাররেসিন ও দৈনিক ইনকিলাবের ভূমিকা অবিস্মরণীয়।
    Total Reply(0) Reply
  • রিয়াজ আহমেদ ২৭ জুলাই, ২০১৮, ১২:২৪ পিএম says : 0
    সামীম মোহাম্মদ আফজাল ইসলামের দুশমন বরাবরই ছিলেন । কিন্তু দুর্ভাগ্য দৈনিক ইনকিলাব ও জমিয়তুল মোদারেসীন ই এক সময় তাকে প্রমোট করে আউলিয়া বানিয়ে দিয়েছিল প্রায়। এধরনের দ্বৈতনীতি থাকা উচিত নয়। এই সমাজে তাকে পরিচিত অগ্রহণযোগ্য করিয়েছে দৈনিক ইনকিলাবের সংবাদ।
    Total Reply(0) Reply
  • ফাতেমা ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৬:৩০ পিএম says : 0
    অবহেলিত মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় জমিয়াতুল মোদার্রেছীন স্মরণীয় বরণীয় হয়ে থাকবে।
    Total Reply(0) Reply
  • নাহিদা সুলতানা ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৬:৩১ পিএম says : 0
    জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ এ এম এম বাহাউদ্দীন সাহেব এখন দেশের আলেম-ওলামা-পীর-মাশায়েখদের আস্থার প্রতীক
    Total Reply(0) Reply
  • বকতিয়ার মুহাম্মাদ হামযা ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৮:০৯ পিএম says : 0
    বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন is a solo organisation which has stood the test of time. Bahauddin has faced so many ab-straggles but he was brave enough to overcome all. I have upmost respect for this guy. I hope one day he will become a leader of Islamic people.
    Total Reply(0) Reply
  • Borhan kobir ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৭:২৪ পিএম says : 0
    বাহাউদ্দীন সাহেব বিচক্ষণ ও বুদ্ধিমান ব্যাক্তি বটে, সে সরকার আর বিরোধী দল সকলের সাথে সুসম্পর্ক রেখেছে। মাদ্রাসা শিক্ষা ও শিক্ষকদের উন্নয়নে তার বিভিন্ন কৌশল প্রশংসার দাবীদার। যারা মাদ্রাসা শিক্ষা তথা ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার বিরধিতা করে তারা বাহাউদ্দীনের বীরুদ্ধে বলে।
    Total Reply(0) Reply
  • Harun Mia ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৭:৩০ পিএম says : 0
    একটি অরাজনৈতিক সংগঠনের প্রভাব রাজনৈতিক অঙ্গনে এতো বেশী যে জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সাহায্য ছাড়া কোন দল ক্ষমতায় যেতে পারবে না। বাহাউদ্দীনই ভাই এবং মরহুম মাওলানা মান্নান এর পূর্ণ রূপকার।
    Total Reply(0) Reply
  • ফারিয়া লোপা ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৭:৩৮ পিএম says : 0
    যোগ্য নেতার নেতৃত্ব যেমন দেশের ভাগ্যে সুফল বয়ে আনে তেমনই যোগ্য সভাপতির কাঁধে ভর করে সংগঠন সাফল্য পায়। বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি বাহাউদ্দীন হবার পর মাদ্রাসাগুলি বেপক ভাবে উন্নত হয়েছে।
    Total Reply(0) Reply
  • Bari Siddiki ২৭ জুলাই, ২০১৮, ৭:৪৮ পিএম says : 0
    ইসলামের নাম ভাঙ্গায়া রাজনীতি করত এমন একটা দল আসে, জাগো কাসে কোন ভালা কাম ভাল্লাগেনা। জমিয়াতুল মোদার্রেছীন ভাঙনের চেষ্টা কইরা পারেনাই, তাই অহন এর সাফল্য দেইখা বাহাউদ্দীন ভাইরে লইয়া আবোল তাবোল বক্তাসে। জামাতিগরে জিগাই যে তমাগো কি সাক্সেস আসে? মাদ্রাসার উন্নতির লেইগা কি করস?
    Total Reply(0) Reply
  • MD. AL mahmud ২৭ জুলাই, ২০১৮, ১১:০০ পিএম says : 0
    আমি বলবো বর্তমানে যে মাদ্রাসা এমপিও নীতিমালা প্রনয়ন হয়েছে তাতে ফাজিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ ও আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ পদের জন্য যে সহকারী অধ্যাপক পদে তিন বছরের অভিজ্ঞতা বেধে দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এব্যাপারে জমিয়তুল মুদাররেসিনের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ