Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৩ কার্তিক ১৪২৭, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

খুলনায় গ্রাহকের ৪০ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়েছে ঢাকা আরবান কো-অপারেটিভ ম্যানেজারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

প্রকাশের সময় : ১৮ এপ্রিল, ২০১৬, ১২:০০ এএম

খুলনা ব্যুরো : খুলনার ফুলতলা উপজেলায় গ্রাহকদের প্রায় ৪০ লাখ টাকা আত্মসাতের পর প্রতিষ্ঠান গুটিয়ে নিয়েছে দি ঢাকা আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেড। এরপর প্রতিষ্ঠানের জোনাল ম্যানেজার আনিসুর রহমান আত্মগোপন করেছেন। এ অবস্থায় ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন এক গ্রাহক। ওই মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের জানুয়ারিতে ফুলতলা উপজেলার জামিরা সড়কে অফিস চালু করে দি ঢাকা আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানের জোনাল ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন দিঘলিয়া উপজেলার দেয়াড়া গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে মোঃ আনিসুর রহমান। প্রতিষ্ঠানটি লভ্যাংশ দেয়ার কথা বলে ফুলতলা, বেজেরডাঙ্গা, শিরোমনি ও ফুলবাড়িগেট এলাকার মানুষের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করে।
প্রথমদিকে গ্রাহকদের ঠিকমতো লভ্যাংশ দেওয়া হলেও ২০১৫ সালের মাঝামাঝি থেকে তালবাহানা শুরু করে। এরপর ওই বছরের শেষ দিকে প্রতিষ্ঠানের অফিস গুটিয়ে ফেলা হয়। আত্মগোপন করেন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। প্রতিষ্ঠানটির কাছে গ্রাহকদের পাওনার পরিমাণ প্রায় ৪০ লাখ টাকা। গ্রাহকরা টাকা আদায়ের জন্য এখন পুলিশসহ প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।
এদিকে, পাওনা ১৪ লাখ টাকা আদায়ের জন্য ফুলতলা বাজারের বাসিন্দা ও নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোমিনুল ইসলাম রফিক গত বছরের ১০ ডিসেম্বর খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা (নং-সি.আর-১৬৯/১৫) করেন। ওই মামলায় আদালত সম্প্রতি আসামি মোঃ আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আগামী ৫ মে মামলার পরবর্তী দিন ধার্য্য রয়েছে।
মামলার বাদী মোমিনুল ইসলাম রফিক জানান, তিনি চাকরি থেকে অবসরের পর পেনশনের টাকা ঢাকা আরবান কো-অপারেটিভে রেখেছিলেন। এখন লভ্যাংশতো দূরের কথা আসল টাকাই ফেরত পাচ্ছেন না। এর ফলে তিনি বিপাকে পড়েছেন। দিঘলিয়া উপজেলার দেয়াড়া গ্রামে আসামি আনিসুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার বাবা আইয়ুব আলী জানান, আনিসুর অনেক দিন ধরেই বাড়িতে আসে না। তার মোবাইল নম্বর চাইলে পরিবারের সদস্যরা মোবাইল নম্বর নেই বলে জানান।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ