Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১১ বৈশাখ ১৪২৬, ১৭ শাবান ১৪৪০ হিজরী।

ভারতীয়দের স্বদেশেই শরণার্থী বানিয়েছে

আসামের নাগরিকপঞ্জি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতার ক্ষোভ

ইনকিলাব ডেস্ক : | প্রকাশের সময় : ১ আগস্ট, ২০১৮, ১২:০৩ এএম

ভারতের আসাম রাজ্যে খসড়া নাগরিকপঞ্জির সংশোধিত তালিকা থেকে ৪০ লাখ মানুষকে বাদ দেওয়ার কড়া সমালোচনা করেছেন পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এভাবে জনগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার ক্ষমতা দখল করে থাকার পাঁয়তারা করছে। সোমবার দিল্লিতে পার্লামেন্টে সরকারকে এ বিষয়ে বিরোধীদলের নেতাদের তোপের মুখে পড়তে হয়েছে। দিল্লি রওয়ানা হওয়ার আগে এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে মমতা অভিযোগ করে বলেন, যারা ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) ভোট দেয়নি তাদের চিহ্নিত করে বিচ্ছিন্ন করে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। “তারা ভারতীয়দের তাদের নিজদেশেই শরণার্থী বানিয়ে ছেড়েছে।” “অনেক মানুষকেই বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত করে বিতাড়নের কথা বলা হচ্ছে। তাদের মধ্যে অনেক শিশু ও নারী রয়েছে.. যাদের অনেকে বাঙালি, বিহারি, হিন্দু, মুসলিম এবং তারা অবশ্যই ভারতীয়।” সোমবার ভারতের ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেন্স (এনআরসি) আসাম রাজ্যে নাগরিকপঞ্জির সংশোধিত খসড়া তালিকা প্রকাশ করে। উত্তর-পূর্ব আসামের ৪০ লাখের বেশি বাসিন্দা ওই তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। যা নিয়ে রাজ্যে উত্তেজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আসামে মোট তিন কোটি ২৯ লাখ বাসিন্দা নাগরিকত্বের আবেদন করেছেন, যার মধ্যে দুই কোটি ৮৯ লাখের তালিকায় ঠাঁই হয়েছে। অবৈধদের চিহ্নিত করে তাদের ফেরত পাঠানোর লক্ষ্যেই এএনআরসি’র নাগরিকপঞ্জি চূড়ান্ত করা হচ্ছে বলে এর আগে জানিয়েছিল আসাম সরকার। নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য বাসিন্দাদের আবেদনপত্রের সঙ্গে ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের আগে থেকে রাজ্যে বসবাস করছেন এমন প্রমাণপত্র দিতে হচ্ছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি প্রকাশিত প্রথম তালিকায় মাত্র এক কোটি ৮০ লাখ মানুষের নাম ছিল। সংশোধিত তালিকায় আরো এক কোটির বেশি নতুন নাম যোগ হয়েছে। তবে সোমবার প্রকাশিত তালিকাটিও চূড়ান্ত নয়; যাদের নাম নেই তারা আপিল করার সুযোগ পাবেন বলে জানায় আসাম সরকার। এ তালিকা ধরে এখনই কাউকে গ্রেপ্তার বা বিতাড়নও করা হবে না। জি নিউজ, এনডিটিভি,এবিপি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: শরণার্থী

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন