Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারি ২০২১, ০৭ মাঘ ১৪২৭, ০৭ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী

রোহিঙ্গাদের ফেরত- এডিবির সাহায্য চাইলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১ আগস্ট, ২০১৮, ১২:২৮ এএম

রোহিঙ্গাদের অবশ্যই ফেরত যেতে হবে। এজন্য, এডিবির জনমত সৃষ্টিসহ লজিস্টিক সহায়তা দেয়া প্রয়োজন। আমি সেই সহায়তা কামনা করছি। রোহিঙ্গা সংকট আমাদের সৃষ্টি নয়, আমরা আশ্রয় দিয়েছি। এখন জাতিসংঘসহ সবার সহায়তায় তাদের ফেরত পাঠাতে হবে।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) আঞ্চলিক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান।
তিনি বলেন, ‘রিজিওনাল ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ফর সাকসেসফুল ডিজাইন এন্ড ইমপ্লিমেন্টেশন’ শীর্ষক তিন দিনের এ কর্মশালার আয়োজন করেছে এডিবি। এতে বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিসহ ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল এবং শ্রীলংকার মোট ৭০ জন প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আযম, এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ এবং এডিবির পোর্টফোলিও বিভাগের পরিচালক রিহান কাওসার।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রকল্পের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি মানসস্মত বাস্তবায়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। উন্নয়ন প্রকল্প প্রক্রিয়াকরণ করছে পরিকল্পনা কমিশন। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে গুনগত মান ধরে রাখা গুরুত্বপূর্ন। আমরা সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হচ্ছে, যা কিছু করার তা আমাদেরকেই করতে হবে। তবে, এজন্য বন্ধুদের সহায়তা অবশ্যই প্রয়োজন।
কাজী শফিকুল আযম বলেন, বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম গুরুত্বের জায়গা হচ্ছে প্রকল্পের বাস্তবায়ন বাড়ানো। এক্ষেত্রে প্রকল্পের ডিজাইন যদি ঠিক না হয়, তাহলে সঠিক সময়ে বাস্তবায়নও হবে না। পাশাপাশি ব্যয়ও বাড়বে। এজন্য এ ধরণের কর্মশালা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইস্পীড ট্রেন চালু প্রকল্পে এডিবির সঙ্গে আলাপ আলোচনা চলছে। আশা করছি শিগগিরি অর্থায়নের বিষয়টি নিশ্চিত হবে। বর্তমানে প্রতিবছর পাইপলাইনের ২০ শতাংশ অর্থছাড় হচ্ছে। এটা খুবই ভাল দিক। প্রকল্পের ডিজাইন সঠিকভাবে হলে অর্থছাড়ও বাড়বে।
মনমোহন প্রকাশ বলেন, ম্যানিলায় এডিবির প্রধান কার্যালয়ের বাইরে এ ধরণের কর্মশালার আয়োজন এটিই প্রথম। এ কর্মশালার মধ্যদিয়ে প্রযুক্তি, জ্ঞান ও দক্ষতার আদান-প্রদান হবে। ফলে, উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তা বিশেষ ভ‚মিকা রাখবে। তিনি জানান, এডিবি স¤প্রতি ২০৩০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ মেয়াদী কর্মকৌশল অনুমোদন দিয়েছে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে অন্তর্ভূক্তিমূলক ও দারিদ্রমুক্ত এশিয়া গড়ে তোলা। এডিবি চায় অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বেড়ে যাক। এ সময় তিনি বাংলাদেশে এডিবির সহায়তার পরিমাণ তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ৫৩টি প্রকল্পের বিপরীতে ৯ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২৭টি কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের বিপরীতে ২৩ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার অনুমোদন দিয়েছে এডিবি।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রোহিঙ্গা

৫ জানুয়ারি, ২০২১

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ