Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬, ১৬ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

১৬৩৮ জন হজযাত্রীর ভিসার আবেদন এখনো জমা পড়েনি

৯৪৩৮৯ হাজার হজযাত্রী সউদী পৌঁছেছেন

শামসুল ইসলাম : | প্রকাশের সময় : ৮ আগস্ট, ২০১৮, ১২:০১ এএম

১৬৩৮ হজযাত্রী’র ভিসার আবেদন এখনো হজ অফিসে জমা পড়েনি। একটি বেসরকারী ব্যাংকের মাধ্যমে আইবিএএন-এ সউদী ই-হজ সিষ্টেমে হজের বিপুল পরিমাণ টাকা জমা দেয়ার পড়েও যথাসময়ে পৌছেনি। ফলে অপেক্ষমান এসব হজযাত্রীর মোফা ইস্যুতে অহেতুক বিলম্ব হচ্ছে। আগামী ১০ আগষ্টের পর ঢাকাস্থ সউদী দূতাবাস কর্তৃপক্ষ আরো কোনো হজ ভিসা ইস্যু করবে না। গতকাল রাত পর্যন্ত দূতাবাস কর্তৃপক্ষ ১ ২৫১১৫ জন হজযাত্রী’র ভিসা ইস্যু করেছে। চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১২৬৭৯৮ জন হজযাত্রী হজে যাবেন। গতকাল দিবাগত গভীর রাত পর্যন্ত ৯৪৩৮৯ জন হজযাত্রী সউদী আরবে পৌছেছেন। গত ১৪ জুলাই থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হয়েছে। বিমানের হজ ফ্লাইট চলবে আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত। সাউদিয়ার হজ ফ্লাইট আগামী ১৭ আগষ্ট শেষ হবে। হজ অফিসের পরিচালক হজ মো: সাইফুল ইসলাম বলেন, যেসব হজ এজেন্সি বাড়ী ভাড়া করতে বিলম্ব করেছে তাদের হজযাত্রীদের ভিসা এখনো বাকি রয়েছে। বিকেল পর্যন্ত ১৮০০ হজযাত্রীর ভিসার আবেদন বাকি রয়েছে বলে তিনি জানান। রাতে এ সংখ্যা আরো কমেছে।
কয়েকটি হজ এজেন্সি গত বৃহস্পতিবার প্রিমিয়ার ব্যাংকে হজে টাকা জমা দিলেও গতকাল পর্যন্ত তাদের টাকা সউদীতে পৌছেনি। এতে এজেন্সিগুলো হজযাত্রী’র মোফা হাতে পেতে বিলম্ব হচ্ছে। হাবের সভাপতি আলহাজ আব্দুস ছোবহান ভূঁইয়া বলেন, গত বৃহস্পতিবার প্রিমিয়ার ব্যাংকে হজের টাকা জমা দিয়ে কয়েকটি এজেন্সি বিপাকে পড়েছে। আইবিএএন-এর মাধ্যমে হজের টাকা গতকাল বিলম্বে সউদীতে পৌছেছে। ফলে হজযাত্রীদের মোফা আনতে দেরি হয়েছে। তিনি বলেন, হজযাত্রীদের হজে যেতে কোনো সমস্যা হবে না ইনশাআল্লাহ। হাবের মহাসচিব এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেন, ঢাকাস্থ সউদী দূতাবাস কর্তৃপক্ষ অত্যান্ত আন্তরিকতার সাথে প্রতিদিন দ্রুত হজ ভিসা ইস্যু করছে। গত শুক্রবার বন্ধের দিনেও হাবের অনুরোধে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ ভিসা সেকশন খুলে ১৩ জন হজযাত্রী’র ভিসা সরবরাহ করেছেন। উল্লেখিত ১৩ জন হজযাত্রী শনিবার ভোরের হজ ফ্লাইটেই সউদী আরবে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। হাবের প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি ও চ্যালেঞ্জার ওভারসীজের স্বত্বাধিকারী সৈয়দ গোলাম সরওয়ার জানান, আইবিএএন-এর মাধ্যমে হজে টাকা সউদী আরবে পাঠাতে বিড়ম্বনার শিকার হওয়ায় বেশ কিছু হজ এজেন্সি’র হজযাত্রী যথাসময়ে হজে যেতে পারেনি। ফলে হজযাত্রীর অভাবে এ যাবত বিমানের ১৫টি হজ ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে।
এদিকে, হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্ট ১৫% পর্যন্ত দেয়া হয়েছে। এতে প্রায় ৩ হাজার হজযাত্রী হজে যাওয়ার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছেন। ১৫% রিপ্লেসমেন্টের অতিরিক্ত আরো কিছু হজযাত্রী’র রিপ্লেসমেন্ট অনুমোদন পাওয়ার আশায় হজ অফিসে লিখিত আবেদন দিয়ে প্রহর গুনছেন। অতিরিক্ত রিপ্লেসমেন্টের অনুমোদন না পাওয়ায় এখনো বেশ কিছু হজযাত্রী’র হজে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এইচ এম এইচ ওভারসীজ (১০২০) হজ এজেন্সি’র ১৫% রিপ্লেসমেন্টের ৫ জন হজযাত্রী’র অনুমোদনের জন্য হজ অফিসে ফাইল জমা দিলেও গতকাল পর্যন্ত অনুমোদন মিলেনি। এসব হজযাত্রী কবে অনুমোদন পাবে তা’ কেউ কিছু বলতে পারছে না। প্রথমে আদ-দ্বীন ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে এসব হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের মাধ্যমে হজে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্ত কোটা শেষ হওয়ায় তারা এইচ এম এইচ ওভারসীজের মাধ্যমে হজে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। মুফতী যোবায়ের গনি এতথ্য জানান।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: হজযাত্রী

১৮ জানুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ