Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৩ আশ্বিন ১৪২৫, ৭ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

বিশাল তেল মজুদ আবিষ্কারের কাছাকাছি পাকিস্তান

আরব নিউজ | প্রকাশের সময় : ৯ আগস্ট, ২০১৮, ১২:০১ এএম

মার্কিন জ্বালানি কোম্পানি এক্সনমবিল পাকিস্তান-ইরান সীমান্তে এক বিশাল তেল মজুদ আবিষ্কারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এ তেল মজুদ যদি প্রত্যাশা মত হয় তাহলে তা কুয়েতের তেল মজুদকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সামুদ্রিক বিষয়ক ও পররাষ্ট্র বিয়ক মন্ত্রী আবদুল্লাহ হোসেন হারুন এ কথা জানান।
হারুন পাকিস্তান শিল্প ও বাণিজ্য সমিতি ফেডারেশন (এফপিসিসিআই) নেতাদের বলেন, আমেরিকার বহুজাতিক তেল ও গ্যস কোম্পানি এক্সনমবিল ইরান সীমান্তের কাছে এ পর্যন্ত ৫ হাজার মিটার গভীর পর্যন্ত ড্রিল করেছে। তারা তেল আবিষ্কারের ব্যাপারে আশাবাদী। যদি প্রত্যাশানুযায়ী তেল মজুদ আবিষ্কৃত হয় তাহলে তেল উৎপাদক দেশ হিসেবে পাকিস্তানের অবস্থান হবে ষষ্ঠ, কুয়েতের উপরে।
কুয়েতে বিশ্বের ৮.৪ শতাংশ তেল মজুদ রয়েছে। কুয়েতের দাবি অনুযায়ী তার তেল মজুতের পরিমাণ ১০১.৫০ বিলিয়ন ব্যারেল। এর মধ্যে অর্ধেক ৫০ বিলিয়ন ব্যারেল রয়েছে সউদী-কুয়েত নিরপেক্ষ অঞ্চলে যা কুয়েত সউদী আরবের সাথে ভাগাভাগি করে।
ওপেকের সর্বশেষ তথ্যে বলা হয়েছে, বর্তমান হিসাব অনুযায়ী বিশ্বের প্রমাণিত তেল মজুদের ৮১. ৮৯ শতাংশ রয়েছে ওপেক সদস্য দেশগুলোতে। আর বিশ্বের বেশির ভাগ তেল মজুদ রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে যা ওপেকের সমগ্র মজুদের ৬৫.৩৬ শতাংশ। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আরো বলেন, পাকিস্তান সরকার ইতিমধ্যেই এক্সনমবিলের কাছ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় সাপেক্ষ জেনারেশন কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি নিয়েছে।
হারুন বলেন, তারা করাচির দ্বিতীয় বন্দর কাসিমে একটি এলএনজি বার্থ স্থাপন করছে। তারা পাকিস্তানে তেল খনন কাজের অধিকার প্রাপ্তি বাবদ অর্থ পরিশোধ করেছে। তিনি বলেন, পাকিস্তান বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য সমান সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে। তারা পাকিস্তানে আসতে আগ্রহী। আমাদের যা করা দরকার ত হল তা হল তাদের চাহিদামান মেটানো ও তাদেরকে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করা।
২০১৮ সালের মে মাসে এক্সনমবিল পাকিস্তানের অফশোর ড্রিলিং-এর ২৫ শতাংশ অংশ লাভ করে।
হারুন বলেন, পাকিস্তানকে মার্কিন-চীন বাণিজ্য যুদ্ধে টেনে নেয়া হচ্ছে। কিন্তু তার দেশ নিরপেক্ষতা বজায় রাখছে। আমরা যখন চীন থেকে ভীষণ প্রয়োজনীয় বৈদেশিক ঋণ চেয়েছিলাম, যা তারা প্রদান করতে প্রাথমিক ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিল, তখন যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিরক্তি প্রকাশ করেছিল।
পাকিস্তান বর্তমানে যে ২ কোটি ২০ লাখ টন অশোধিত তেল উৎপাদন করে তা দিয়ে তার প্রয়োজনের মাত্র ১৫ শতাংশ মেটে। বাকি ৮৫ শতাংশ তেল আমানি করতে হয়। জুলাই-মে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তেল আমদানি ব্যয় ছিল ১২.৯২৮ বিলিয়ন ডলার।



 

Show all comments
  • বিপ্লব ৯ আগস্ট, ২০১৮, ২:৩৩ এএম says : 0
    শুনে খুব ভালো লাগলো
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Alamgir Hossain ৯ আগস্ট, ২০১৮, ১২:৪৫ পিএম says : 0
    আমাদেরও উচিত প্রাকৃতিক সম্পদের খুঁজে আরো বেশি মনোযোগী হওয়া। সাগরের তলদেশ থেকে পাহাড়ের চুড়ায় পর্যন্ত প্রাকৃতিক তৈল গ্যাস এবং কয়লার খনি খুঁজে পেতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা। বিশ্বের নামকরা কোম্পানি গুলোর সাথে চুক্তি করা।দেশের অর্থনীতিক মুক্তির জন্যে এটা খুবই জরুরি। আশাকরি সরকার এ ব্যাপারে আরো বেশি মনোযোগী হয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।
    Total Reply(1) Reply
    • krishno ৯ আগস্ট, ২০১৮, ৮:৫৪ পিএম says : 0
      কথাটি একদম ঠিক বলেছেন।। আমিও তাই মনে করি।। সরকার যেন আপনার কথাটি বিবেচনা করে।।
  • ash ৯ আগস্ট, ২০১৮, ৮:০৭ এএম says : 0
    vaggish Bangladesh e pay nai !! pele to shotai churi e hoto !! pathor -koyla e to churi hoche !! tel pele to r kothay e thakto na !! amader desh ta to akta chorer desh
    Total Reply(1) Reply
    • abul kashem ১৫ আগস্ট, ২০১৮, ৫:২৪ পিএম says : 0
      You are right Mr.ash.
  • Kamal Pasha ৯ আগস্ট, ২০১৮, ১২:৪৬ পিএম says : 0
    আলহামদুলিল্লাহ।
    Total Reply(0) Reply
  • ৯ আগস্ট, ২০১৮, ১০:১৯ পিএম says : 0
    Ash , Bhai apnar pocket a toh 2 korio nai , pocket mairer dor o nai .
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ