Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার , ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

প্রশ্ন : আমার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। তবে আমি মহিলা ও কিছুটা অসুস্থ। পরিবারের ছেলেমেয়েরা কোরবানি করার মতো সাহস রাখে না। ঝামেলা সামলানোর মতো কেউ নেই। এখন কি পশু কোরবানি না করে টাকা দান করে দিলে চলবে?

রাফিয়া হোসেন
ধানমন্ডি, ঢাকা।

প্রকাশের সময় : ১৪ আগস্ট, ২০১৮, ১২:১৬ এএম

উত্তর : যার ওপর কোরবানি ওয়াজিব, তাকে পশু কোরবানিই করতে হবে। টাকা দান করলে কোরবানি আদায় হবে না। ঝামেলা সামলানোর মতো কেউ না থাকলে কোনো আত্মীয় স্বজনকে দায়িত্ব দিয়ে দিতে পারেন। সুযোগ থাকলে শরিক কোরবানি দিলে নিজেদের ঝামেলা পোহাতে হয় না। এরপরও ইচ্ছে করলে কোনো মাদরাসায় কোরবানির পশু পাঠিয়ে দিতে পারেন। সব ঝামেলা তারাই করবে। আপনার চাহিদা মতো গোশতও আপনার কাছে পৌঁছে দেবে তারা। এসবও যদি কঠিন মনে হয়, তাহলে কোনো গরিব মানুষ, গ্রামবাসী দরিদ্র বা এতিমখানায় পশুটি উপহার হিসেবে দিয়ে দিন। দান করবেন না, তাহলে কোরবানি হবে না।
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতাওয়া বিশ্বকোষ।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
inqilabqna@gmail.com



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইসলাম

৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
৪ ডিসেম্বর, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন

প্রশ্ন : কিছুদিন আগে আমার স্ত্রী আমাকে বলে যে, আমি যেন আমার দুধের শিশুকে আমার সাথে নিয়ে যাই। এ কথার উত্তরে আমি তাকে বলি, ‘তোমার মতো মায়ের আমার দরকার নাই, যে তার দুধের শিশুকে অন্যের কাছে ছেড়ে যায়।’ উল্লেখ্য যে, তখন আমার স্ত্রীর হায়েজ (মাসিক) চলছিল। পরে অবশ্য আমার কথা ফিরিয়ে নিয়ে আমি বলি যে, ‘তোমার দরকার আছে’। এখন প্রশ্ন হলো, একথার দ্বারা কি আমার স্ত্রী তালাক হয়ে গেছে। আর উপরোক্ত কথা যখন বলি, তখন আমার তালাকের নিয়ত ছিল কি না, এখন আর খেয়াল নেই।

উত্তর : যেহেতু খেয়াল নেই, তাই তালাক না হওয়ারই কথা। এরপরও যদি হয়ে থাকে তাহলে সেটি ছিল প্রত্যাবর্তনযোগ্য এক তালাক। যা স্ত্রীকে কমবেসী ৩ মাসের

প্রশ্ন : আমার বোনের স্বামী উনাকে তালাকনামা পাঠিয়ে দিয়েছেন। তালাকনামায় তিন তালাকের কথা উল্লেখ করেছেন। তালাকনামার এক কপি চেয়ারম্যান, এক কপি আমার আব্বু আর এক কপি আমার বোনের কাছে পাঠিয়েছেন। প‚র্বে উনি অনেকবার মুখেও বলেছিলেন তালাক এর কথা (এক বার করে)। কিন্তু এরপর আবার স্বামী-স্ত্রী স্বাভাবিক হয়ে যান। কিন্তু এইবার এই কাজ করে ফেলেছেন। এখন উনি বলছেন উনি তালাক নামা বাতিল করবেন। আমরা জানি যে এই দেশের আইন অনুযায়ী তালাকনামা বাতিল যোগ্য। কিন্তু আমার প্রশ্ন ইসলামের দৃষ্টিতে কি এই বিয়ে আর আছে নাকি? তালাকনামায় অনেক ধরনের মিথ্যা কথা উল্লেখ করেছেন। আসলে আমার নিজের বোন দেখে বলছিনা। সত্যি যেসকল কারণ দেখিয়েছেন সব মিথ্যা আর বানোয়াট।

উত্তর : প্রথম এক তালাক দিয়ে সংসারে ফিরে আসায় বিয়ে বহাল আছে। এবারও কাগজপত্রে তিন তালাক দিয়ে আপনার দুলাভাই মূলত কী বোঝাতে চান বা আসলে

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ