Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫, ১২ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

ইতিহাস-ঐতিহ্যের অনন্য স্মারক মসজিদে আকসা

কে.এস. সিদ্দিকীq | প্রকাশের সময় : ১৭ আগস্ট, ২০১৮, ১২:০৭ এএম

প্রথম মানব ও প্রথম নবী হজরত আদম (আ.) খানা-ই কাবার প্রথম নির্মাতা এবং অনুরূপভাবে তিনি কাবার পর ‘মসজিদে আকসা’রও প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বর্ণিত হয়ে থাকে। রসূলুল্লাহ (সা.) এর বিস্ময়কর মেরাজের স্মৃতি বিজড়িত ঘটনার উল্লেখ খোদ কোরআনে রয়েছে। মুসলমানদের প্রথম কেবলা বায়তুল মোকাদ্দাসের পবিত্র নিদর্শনাবলীর মধ্যে ‘মসজিদে আকসা’ ধর্মীয় ইতিহাস ঐতিহ্যের দিক দিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুগে যুগে জালেম অত্যাচারী রাজা, বাদশাহ ও শাসকরা বায়তুল মোকাদ্দাসকে ধ্বংস করেছে। সেখানকার মানুষদের উপর নিষ্ঠুরভাবে হত্যা-নির্যাতন চালিয়েছে এবং নিদর্শনাবলীকে ধ্বংস্তূপে পরিণত করেছে। এসব ধ্বংসলীলা হতে ‘মসজিদে আকসা’ ও হজরত সুলায়মান নির্মিত ‘হায়কাল সুলায়মানী’ও রক্ষা পায়নি। আবার পরবর্তী সময়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত ‘বায়তুল মোকাদ্দাস’ ও ‘হায়কাল সুলায়মানী’ এবং অন্যান্য নিদর্শনাবলী পুনঃনির্মাণ ও সংস্কার করা হয়েছে। কিন্তু লেখকগণের রচনাবলীতে ‘মসজিদে আকসা’ সংস্কারের কথা তেমন পরিলক্ষিত হয় না।
হিজরতের পর প্রায় ১৬/১৭ মাস রসূলুল্লাহ (সা.) বায়তুল মোকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করতে থাকেন। অতঃপর তাকে বায়তুল্লাহর দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। যে দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করা হয় সে দিককে ‘কেবলা’ বলা হয়। কেবলা পরিবর্তন সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ‘আকাশের দিকে তোমার বার বার তাকানোকে আমি অবশ্য লক্ষ করি। সুতরাং, তোমাকে অবশ্যই এমন কেবলার দিকে ফিরিয়ে দিচ্ছি যা তুমি পছন্দ কর।’ (সূরা বাকারা, আয়াত: ১৪৪)
রসূলুল্লাহ (সা.) এর একান্ত ইচ্ছা ও আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে হিজরী দ্বিতীয় সালের শাবান মাসে আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। এটি সে সময়ের কথা, যখন ‘বায়তুল মোকাদ্দাস’ বনি ইসরাইলের জাতীয় কেন্দ্রস্থল ছিল, যারা ছিল হজরত ইবরাহীম (আ.) এর পুত্র হজরত ইসহাক (আ.) এর বংশধর। অপর পুত্র হযরত ইসমাঈল (আ.) এর বংশধরগণের জাতীয় কেন্দ্র ছিল কাবা। এ কারণেই রসূলুল্লাহ (সা.) এর ইচ্ছা ছিল, বায়তুল মোকাদ্দাসের পরিবর্তে ‘মসজিদুল হারাম’ কাবার দিকে কেবলা হোক। আল্লাহর নির্দেশ আসার পর তিনি এবং সাহাবায়ে কেরাম এ নির্দেশের অনুসরণ করতে আরম্ভ করেন এবং তা মুসলিম বিশে^র কেবলা এবং জাতীয় কেন্দ্র হিসেবে গণ্য হয়। যেহেতু তিনি প্রথমে বায়তুল মোকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামাজ পড়তেন, তাই বায়তুল মোকাদ্দাসকে মুসলমানদের প্রথম কেবলা নামে নামকরণ করা হয়। কেবলার দিক পরিবর্তনের ঘটনা বাস্তবে এক মহা বিপ্লবের ঘোষণা ছিল। এ ঘোষণার পূর্বে মদীনার আশে পাশের ইহুদীরা গর্বের সাথে বলত যে, ইসলামের কেবলাও ‘বায়তুল মোকাদ্দাস’। কিন্তু যখন কেবলা পরিবর্তন হয়ে যায়, তখন তারা খুবই বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে এবং তাদের ইসলামবিদ্বেষ চরম আকার ধারণ করে, যা এখন পর্যন্ত সর্বদা অক্ষুণœ রয়েছে।
১৯৪৮ সালে তথাকথিত নতুন ইসরাইলী রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা, কয়েকটি ইসরাইল-আরব যুদ্ধ, বায়তুল মোকাদ্দাসে ইসরাইলী অধিকার প্রতিষ্ঠা, ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট ইহুদী কর্তৃক ‘মসজিদে আকসা’তে অগ্নিসংযোগ প্রভৃতি ধ্বংসাত্মক ও আগ্রাসী তৎপরতা ছাড়াও ফিলিস্তিনী উচ্ছেদ ও জেল-জুলুম এবং শতশত ইহুদী বসতি স্থাপনের অব্যাহত ধারা এবং সর্বশেষ জেরুজালেমকে ইসরাইলের নতুন রাজধানী ঘোষণা ও স্থানান্তর প্রক্রিয়া জোরদার করার উদ্বেগজনক ঘটনাবলী ফিলিস্তিনে ইসরাইলী আগ্রাসনের সুস্পষ্ট প্রমাণ বহন করে।
জেরুজালেমের প্রাচীন নাম ‘ইয়ারোশেলম’। আরবরা এর নাম করে ‘বায়তুল মোকাদ্দাস’ অর্থাৎ ‘পবিত্র ঘর’ বা ‘পবিত্রতম স্থান’। ‘ছাইহুন’ পর্বতে হজরত সুলায়মান (আ.) নির্মিত ‘হাইকলে সুলায়মানী’ এক উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, বায়তুল মোকাদ্দাসে ‘মসজিদে আকসা’ হজরত ইবরাহীম (আ.) প্রতিষ্ঠা করেন বলে একটি বর্ণনা রয়েছে। সুতরাং, ‘মসজিদে আকসা’ হায়কাল অপেক্ষা প্রাচীন। ইহুদীরা ‘মসজিদে আকসা’ ধ্বংস করে সে স্থানে ‘হাইকালে সুলায়মানী’ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। জেরুজালেমকে ইসরাইলী রাজধানী ঘোষণার পর ‘মসজিদে আকসা’র অস্তিত্ব সম্পর্কে মুসলমানেরা শংকিত। ‘মসজিদে আকসায়’ ইহুদীদের অগ্নিসংযোগের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত ওআইসি এখন কী ভ‚মিকা গ্রহণ করবে, তা দেখার বিষয়।
সূরা বনি ইসরাইলে আল্লাহ বলেন, ‘সে সত্ত¡া (আল্লাহ) পবিত্র যিনি স্বীয় বিশিষ্ট বান্দা (মোহাম্মদ) কে রাতারাতি মসজিদে হারাম (কাবা শরীফ) হতে ‘মসজিদে আকসা’ (বায়তুল মোকাদ্দাস) পর্যন্ত নিয়ে গেলেন।’ (আয়াত:১)
‘মসজিদে হারাম’ ও ‘মসজিদে আকসা’র মধ্যে কোনটি আগে নির্মিত এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সা.) এক সাহাবীর প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘মসজিদে হারাম, দুই মসজিদের নির্মাণে চল্লিশ বছরের ব্যবধান।’ হজরত ইবরাহীম (আ.) ‘মসজিদে আকসা’ নির্মাণ করেন বলে যারা দাবী করেন, রসূলুল্লাহ (সা.) এর এ উক্তি তাদের সমর্থনে পেশ করা যায়। কেননা খানা-ই কাবা নির্মাণের পর হজরত ইবরাহীম (আ.) বায়তুল মোকাদ্দাসে চলে যান এবং সেখানেই তিনি ইন্তেকাল করেন, যার কবরও সেখানে রয়েছে।
ইসলামপূর্ব যুগে ‘মসজিদে আকসা’র বিবরণ স্বতন্ত্রভাবে জানা যায় না, তবে ‘হায়কলে সুলায়মানী’র উল্লেখ পাওয়া যায়। ‘বায়তুল মোকাদ্দাস’ বিভিন্ন যুগে বিভিন্ন রাজা-বাদশাহর দ্বারা ধ্বংস হয়েছে এবং পুনঃনির্মিত হয়েছে। সুতরাং, ‘মসজিদে আকসা’র অবস্থানও অনুরূপ হওয়া অসম্ভব নয়। তা ছাড়া হিজরতের পূর্বে রসূলুল্লাহ (সা.) এর মেরাজের ঘটনার দ্বিতীয় পর্বটি শুরু ‘মসজিদে আকসা’ হতে। উল্লেখ্য রসূলুল্লাহ (সা.) এর সোয়ারী ‘মসজিদে আকসা’র প্রবেশ পথে বেঁধে তিনি ভিতরে নামাজ আদায় করতে যান। আরও উল্লেখ্য যে, এখানেই তার ইমামতিতে আম্বিয়া কেরাম নামাজ আদায় করেন। এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সা.) বলেন; ‘সকল নবী এ মসজিদের প্রবেশ পথে তাদের সোয়ারী বেঁধে তাদের কর্তব্য পালন করতেন’। এতে বুঝা যায় ‘মসজিদে আকসা’ বহুপূর্বে থেকেই নবীগণের কেন্দ্র ছিল।
হিজরতের পর ১৬/১৭ মাস রসূলুল্লাহ (সা.) বায়তুল মোকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করতে থাকেন এবং ‘মসজিদে আকসা’র কাছে একটি স্থানের নাম ‘কেবলাতাইন’ নামে পরিচিত। ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.) এর খেলাফত আমলে ‘বায়তুল মোকাদ্দাস’ মুসলমানদের দখলে আসলে ‘মসজিদে আকসা’ও স্বাভাবিকভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণে এসে যায়। খেলাফতে রাশেদা যুগের পরবর্তী সময়ে ‘মসজিদে আকসা’ সম্পর্কে আর তেমন কিছু জানা যায় না। উমাইয়া শাসনামলে যখন মারওয়ান বংশ ক্ষমতাসীন হয় তখন আব্দুল মালেক ইবনে মারওয়ানকে ‘মসজিদে আকসা’র ব্যাপারে আগ্রহী ও তৎপর দেখা যায়। বর্ণিত আছে যে, আব্দুল মালেকের নির্দেশে বিভিন্ন এলাকার কারিগরগণ ‘মসজিদে আকসা’ ও ‘কোব্বাতুছ ছাখরা’র নির্মাণ কাজ আরম্ভ করেন। এ দুইটি ইমারত খুবই সানদার ও আকর্ষণীয় ছিল যা, আল্লামা ইবনে আসাকের বর্ণনায় দেখা যায়। হিজরী ৬ষ্ঠ শতকের প্রথম দিকে তিনি বায়তুল মোকাদ্দাস জিয়ারতে গিয়েছিলেন। তিনি তার প্রশংসা করে বলেন, ‘মসজিদের ছাদে এবং অন্যান্য স্থানগুলোতে ৬০০০ কাঠের তক্তা ব্যবহৃত হয়েছে এবং কাঠের খুঁটিসমূহ তার অতিরিক্ত। মসজিদের ৫০টি প্রবেশ দ্বার ছিল’। যার কয়েকটি বাবুল কুরতুবী, বাবে দাউদ, বাবে সুলায়মানী, বাবে মোহাম্মদ, বাবে হিত্তা, বাবে তওবা, বাবে রহমত। এগুলোকে ‘বাবুল আসবাত’ বলা হয়। এগুলো ছাড়াও বাবুল ওয়ালিদ, বাবুল হাশেমী, বাবুল খিযির এবং বুবস সাকিনা নামেও আলাদা আলাদা প্রবেশ পথ ছিল। বাবুস সাকিনায় মর্মর পাথরের ৬০০ খুঁটি, ৭টি মেহরাব ও ৮০০টি শিকল, বাঁধা বাতি ছাড়াও ৫০০০ প্রদীপ ছিল এবং প্রত্যেক জুমা, রজব, শাবান এবং রমজানের ১৫ তারিখে এবং দুই ঈদে অতিরিক্ত ১০০০ মোমবাতি জ¦ালানো হতো। ‘ছাখরা গম্বুজ’ ব্যতীত মসজিদে ১৫টি গম্বুজ ছিল। ইমারতে ৪টি মিনার ছিল, ৩টি পশ্চিম দিকে এক সারিতে ও ১টি বাবুল আসবাতের নিকটে ছিল।
বনি উমাইয়ার পর আব্বাসীয় আমলে খলিফা মামুনুর রশীদের শাসনামলে ‘মসজিদে আকসা’র অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় হয়ে পড়েছিল। মামুন যদি সংস্কার না করতেন তা হলে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়ে যাওয়ার আশংকা ছিল। তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে মেরামত ও সংস্কারের দিকে মনোনিবেশ করেন।
ক্রুসেড যুদ্ধগুলোর প্রথম দিকে ১০৯৯ সালে সাময়িকভাবে বায়তুল মোকাদ্দাস খ্রিস্টানদের অধিকারে চলে যায়। তখন তারা সেখানে মুসলমানদের উপর যে নিষ্ঠুর ও বর্বরোচিত নির্যাতন চালায় তা এক ঘৃণ্যতম অধ্যায়, তারা কেবল মাত্র ‘মসজিদে আকসা’য় সত্তর হাজার মুসলমানকে নৃশংসভাবে শহীদ করে এবং ‘মসজিদে আকসা’কে আস্তাবলে পরিণত করে। ‘বায়তুল মোকাদ্দাস’ ৯১ বছর পর্যন্ত কাফেরদের অধিকারে থাকা কালে একদিন এমনকি এক মুহূর্তও সেখানে আল্লাহর এবাদত হয়নি বলে সালাহ উদ্দীন আইউবীর অনুতাপ স্মরণীয়। ১১৮৭ সালে মুসলিম অধিকারে আসার পর চার শতাব্দী ফিলিস্তিন স্বাধীন রাষ্ট্র ছিল। ১৯১৭ সালে ব্রিটিশ সরকার ও কুখ্যাত ‘বেলফোর ঘোষণা’ এবং ১৯৪৮ সালের মে মাসে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে অবৈধ ইসরাইল রাষ্ট্র ঘোষণা ইত্যাদি অনেক ঘটনার স্বাক্ষী ফিলিস্তিন। ১৯৬৯ সালের ২১ আগষ্ট ইহুদীরা ‘মসজিদে আকসা’য় অগ্নিসংযোগ করে আল্লাহর ঘরের অবমাননার যে কালো অধ্যায়ের সূচনা করে, সে ধারা ইসরাইল এখনও অব্যাহত রেখেছে।
‘মসজিদে আকসা’তে ইসরাইলী ইহুদী কর্তৃক অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাত্র এক মাসের ব্যবধানে রাবাতে প্রতিষ্ঠিত ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) তার প্রতিষ্ঠার অর্ধ শতাব্দী পূরণ করতে যাচ্ছে। মুসলিম উম্মার ঐক্যের প্রতীক হিসেবে আত্ম প্রকাশকারী ওআইসি তার বিঘোষিত নীতিমালা কতটুকু বাস্তবায়ন করেছে সে প্রশ্ন করার অধিকার সকল মুসলমানের রয়েছে। ইসরাইল তার রাজধানী জেরুজালেমে স্থানান্তরের ঘোষণাও দিয়েছে। ওআইসি ইসরাইলকে আর কত সুযোগ-সুবিধা দিতে পারলে অর্ধ শতাব্দীর সাফল্য দাবী করতে পারবে? ‘মসজিদে আকসা’র ভবিষ্যৎই বা কী হবে? ওআইসি’র প্রতিষ্ঠা লগ্নে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর প্রাধান্য পেয়েছিল ফিলিস্তিন সমস্যা ও সমাধানের রূপরেখায়, যা তার ঘোষণাপত্রে বিদ্যমান। বিগত অর্ধশতাব্দী কালের ওআইসি তার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কতটুকু ঐক্য জোরদার করেছে তার প্রমাণ তো বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের নাজুক পরিস্থিতি। আর ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধানে ওআইসি’র ভ‚মিকা ইসরাইলের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসন নীতি ঠেকাতে কতটুকু সফল হয়েছে তাও স্পষ্ট। প্রতিষ্ঠার পর হতে এযাবত আগ্রাসী ইসরাইল কত হাজার হাজার ফিলিস্তিনীকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে, জখম করেছে, জেলে দিয়েছে এবং কত হাজার হাজারকে উদ্বাস্তু করেছে, পিতৃভূমি হতে বিতাড়িত করেছে তার পরিসংখ্যান বহির্বিশে^র কাছে না থাকলেও ওআইসি’র কাছে নিশ্চয় আছে।



 

Show all comments
  • Ismail ১৭ আগস্ট, ২০১৮, ৫:৪০ এএম says : 0
    এই লেখা আমার খুব পছন্দ হয়েছে অনেক কিছুই জানতে পারলাম
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর