Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫, ১০ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

বুড়িগঙ্গায় যাত্রীবাহী লঞ্চের ধাক্কায় ৩১ গরুসহ ট্রলারডুবি, লঞ্চ ও ক্যাপ্টেন আটক

স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জ থেকে | প্রকাশের সময় : ১৯ আগস্ট, ২০১৮, ১০:২০ এএম

ফতুল্লার লঞ্চঘাট বরাবর বুড়িগঙ্গা নদীতে যাত্রীবাহী দুই লঞ্চের মাঝে পড়ে এক লঞ্চের ধাক্কায় গরু বোঝাই ট্রলার ডুবি হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার পর ৩১টি গরুর মধ্যে ৫টি উদ্ধার হলেও নিখোঁজ রয়েছে আরো ২৬টি গরু।
ফতুল্লা লঞ্চঘাট বরাবর বুড়িগঙ্গা নদীতে আসলে এমভি আওলাদ ও এমভি ধুলিয়া -১ নামে যাত্রীবাহী লঞ্চের মাঝখানে পড়ে যায়। এসময় এমভি ধুলিয়া-১ লঞ্চের সজোরে ধাক্কায় ট্রলারটি উল্টে নদীতে ডুবে যায়। এসময় বেপারীরা সাঁতরিয়ে তীরে উঠতে সক্ষম হন। লঞ্চটি ঢাকার সদরঘাট থেকে বরিশালের নুরাইনপুর কালারাইয়ার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। বুড়িগঙ্গা নদী ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানাধীন হলেও ফতুল্লা থানা পুলিশ তাৎক্ষনিকভাবে এমভি ধুলিয়া – ১ জব্দ ও ক্যাপ্টেন ফারুক হোসেনকে আটক করে।
টাঙ্গাইলের সিরাজ বেপারীর ছেলে মনিরুল জানান, টাঙ্গাইল থেকে সিরাজ বেপারী ৩১টি গরু নিয়ে তারা ৯ জন ট্রলারযোগে ফতুল্লা হাটের উদ্দেশ্যে আসছিলেন। ফতুল্লা লঞ্চঘাটের সামনে মাঝনদীতে এমভি ধুলিয়া-১ নামের একটি যাত্রীবাহী লঞ্চ তাদের ট্রলারটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রলারটি ডুবে যায়।
নারায়ণগঞ্জ বিআইডব্লিউটিএ’র উপ-পরিচালক (দায়িত্বপ্রাপ্ত) বাবুল আল বদ্ধ জানান, লঞ্চের ধাক্কায় গরু বোঝাই ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ লঞ্চটি আটক করলেও যাত্রীদের কথা চিন্তা করে সকলের সঙ্গে আলোচনা করে লঞ্চের মালিকপক্ষের লোক থানায় রেখে লঞ্চটি ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ওসি মঞ্জুর কাদের জানান, ট্রলার ডুবির ঘটনার পর লঞ্চটি আটক করা হয়। পরে লঞ্চে থাকা যাত্রীদের কথা চিন্তা করে মালিকপক্ষের প্রতিনিধিকে রেখে লঞ্চটি ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গরুর ব্যাপারীর ক্ষতিপূরণ আদায়ের চেষ্টায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ