Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ০৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক, ২০টি বাড়ি-ঘর ভাংচুর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৪ আগস্ট, ২০১৮, ৩:২৩ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল ও বিজয়নগরে পৃথক সংঘর্ষে কমপক্ষে পুলিশ সহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়। সংঘর্ষে সরাইলে কমপক্ষে ২০টি বাড়ি ঘর ভাংচুর ও লুটপাটের শিকার হয়। জ সরাইলে দু’পক্ষের সংঘর্ষে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ কমপক্ষে ৩০জন আহত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা সদর ইউনিয়নের এ ঘটনাটি ঘটে। জানা যায়, বৃহষ্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে সরাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের সদরের প্রাতবাজারের ফুটপাতে মাছ বিক্রি করার জায়গা নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য শাহ আলম ও সাবেক ইউপি সদস্য আবু বকর সিদ্দিকের পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে উভয়পক্ষের লোকজন রামদা, বল্লম, কিরিচ, লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সরাইল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি আয়ত্বে আনতে ব্যর্থ হয়। পরে পুলিশ ৮৬ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৮টি টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রনে আনে। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, এসআইসহ কমপক্ষে ৩০জন আহত হয়। সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মফিজ উদ্দিন, এসআই মজিবুর রহমান, গ্রামবাসীর মধ্যে আবদুল কাদের (২৮), সাচ্ছু মিয়া (৩০), শুক্কুর আলী (৬০)সহ বেশ কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয়। অন্যরা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে দাঙ্গাবাজরা উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০টি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয়। এ দিকে আহত অনেকেই গ্রেপ্তার আতঙ্কে হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়েছেন বলে জানা গেছে।
অন্য দিকে জেলার বিজয়নগরের হাজীপুর গ্রামে নৌকা দিয়ে নদী পারাপার নিয়ে দু’দলের সংর্ঘষ হয়েছে। এতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ২০ জন আহত হয়েছে। তাদের স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর