Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫, ১০ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

যুক্তফ্রন্টে যাবেন না ড. কামাল, তবে...

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৭ আগস্ট, ২০১৮, ১২:৩৭ এএম

বি চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত যুক্তফ্রন্টে যোগ দিচ্ছে না বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম। তবে পৃথক অবস্থানে থেকেই তিনি যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবে। এই আভাস দিয়েছেন যুক্তফ্রন্ট ও গণফোরামের নেতারা। আগামী মঙ্গলবার যে বৈঠকের কথা রয়েছে; সেখানে এ নিয়ে বি চৌধুরী ও ড. কামাল হোসেনের মধ্যে কথাবার্তা হতে পারে বলে জানা গেছে।
কয়েকমাস আগে বিকল্পধারার সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বে আ স ম রবের জেএসডি ও মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্য মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে। এরপর বিভিন্ন সভা–সমাবেশে যুক্তফ্রন্টের নেতারা জানান ড. কামাল হোসেন যুক্তফ্রন্টের যোগ দেওয়ার ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছেন। ঈদের আগে বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নানের বাসায় যুক্তফ্রন্ট ও গণফোরামের এক যৌথ সভায় বৃহত্তর ঐক্য গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী গতকাল সাংবাদিকদের বলেছেন, যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে আমরা জোটভুক্ত হচ্ছি না। আমরা চাচ্ছি যুক্তফ্রন্টে যারা আছে তারা এবং যুক্তফ্রন্টের বাইরে আমরাসহ ব্যক্তিবিশেষ মিলে ঐক্য করা হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বিভিন্ন দল মিলে তাঁরা একটি জাতীয় ঐক্য গড়তে যাচ্ছেন। নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, গণফোরামের ড. কামাল হোসেন যুক্তফ্রন্টের নামে হয়তো যোগ দেবে না। কিন্তু এক সঙ্গেই সবাই কাজ করবে। তখন যুক্তফ্রন্ট ও গণফোরাম মিলে নতুন একটা নামেও জোট হতে পারে।
সুত্র জানায়, আগামী কাল মঙ্গলবার ড. কামাল হোসেনের বাসায় ঐক্য প্রক্রিয়া নিয়ে গণফোরাম ও যুক্তফ্রন্টের নেতাদের একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ঐক্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় এদিনই ভালো কোনো সংবাদ আসবে। নতুন ঐক্য হলে সেখানে সরকারপদ্ধতি ও তাঁদের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হবে। মাহমুদুর রহমান মান্না সাংবাদিকদের বলেন, একটি প্রক্রিয়া হয়ে থেমেছিল। তা চালু করার জন্যই এ বৈঠক হবে। ন্যুনতম গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য দলগুলো কাজ করবে। একটি বড় কোনো জনসমাবেশের মধ্য দিয়ে একসঙ্গে সব নেতারা হাজির হয়ে মানুষের সামনে একটি জাতীয় ঐক্যের ঘোষণা দেওয়া হবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে চারদিকেই ছোটবড় দলগুলো মিলে জোট করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সুব্রত চৌধুরী বলেন, যারা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায় এবং দেশের শুভ পরিবর্তন চায়, তাদের নিয়েই জাতীয় ঐক্য হবে। বিএনপির ব্যাপারে বলেন, দেশে কার্যকর গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, গ্রহণযোগ্য নিরপেক্ষ নির্বাচনসহ ঐক্য প্রক্রিয়ার কথাগুলো যেসব দল মানবে, তারাই এখানে যোগ দিতে পারবে। ##



 

Show all comments
  • Asad ২৭ আগস্ট, ২০১৮, ১১:২৯ এএম says : 0
    ডঃ কামাল হোসেন চৌধুরী মান্না আ স ম আবদুর রব এরা সবাই এক একটা বড় 000।
    Total Reply(0) Reply
  • Harum ২৭ আগস্ট, ২০১৮, ১১:২৯ এএম says : 0
    এটা আমেরিকান plan আমেরিকান মানে হচ্ছে ইন্ডিয়ান বি সি ডি
    Total Reply(0) Reply
  • Asad ২৭ আগস্ট, ২০১৮, ১১:৩০ এএম says : 1
    এদের উপর ভরসা করা খুব কঠিন বিএনপি'র উচিত হবে না এদেরকে পুরোপুরি বিশ্বাস করা এদেরকে কাজে লাগানো যেতে পারে বড়জোর
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Shah Alam Khan ২৭ আগস্ট, ২০১৮, ৬:১৯ পিএম says : 0
    এনারা এখন বিএনপিকে সাথে নিতে চাচ্ছে নিজের অবস্থা বুজতে পেরে। এনারা সবাই আওয়ামী লীগের বিরোধীতা করছে, সুধু তাই নয় এনারা মুক্তিযুদ্ধের বিপরীত শক্তি বিএনপির সাথে সংযুক্ত হতে চেয়ে এটাই প্রমাণ করছে যে, এনারা পাকিদের দোষর ছিলেন পর্দার অন্তরালে!! ডঃকামাল প্রথম থেকেই পকিদের মোখশ এটে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর হয়ে মুক্তি যুদ্ধের ইতিহাসকে প্রথমেই চাপা দিয়ে রেখেছিল যে জন্যে আজ মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কথা হচ্ছে। ইতিপূর্বে জাতীর জনক নিয়েও অনেক কথা হয়েছে কারন ডঃকামাল রচিত সংবিধান। বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার কারনে জাতীর জনক আজ স্বীকৃত কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযোদ্ধা এখনও স্বীকৃতি পায়নি বা পরিবেশ সৃষ্টী হয়েনি। বঙ্গবন্ধু ডঃকামাল হোসেন এনারা সবাই পাকিস্তানের নেতা ছিলেন সেই সুবাদে এনার পাকিস্তানী মানতেই হবে তবে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করার পর এনারা হয়েছেন বাঙ্গালীদের নেতা কিন্তু আমাদের ডঃকামাল নীতি পরিবর্তন করতে না পেরে পাকিদের মুখোশ পরিধান করে বঙ্গবন্ধুর সহচর থেকে গিয়েছিলেন এবং বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রী পরিষদে স্থান পেয়েছিলেন এটাই সত্য। কিন্তু এরপর তিনি আর কোন দিন এই সম্মান পাননি আমার মতে এর কারন দেশের প্রতি তার বিশ্বাসঘাতকতার জন্যে আল্লাহ্‌ তাকে এই সাজা দিয়েছেন নয়ত একজন সংবিধান প্রনেতার এদশা হতে পারেনা। মান্নাও আমার মতে একই অবস্থা সে পাকিদের দোসর হয়েও আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসাবে। একসময় তার চেহারা উন্মোচন হয়ে যাওয়াতে তিনি জেলের ভাতও খেয়েছেন। এখন এই মান্না এনাদের সাথে একত্রিত হয়ে নতুন করে বিএনপির সাথে ঐক্য করে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে হারানোর চেষ্টা করার জন্যে জাতীয় ঐক্য ঘোষনা করবেন এটাই স্বাভাবিক বলে গুনিজনেরা মনে করেন। এখানে প্রতিয়মান হয়ে যে, এনারা সবাই জনগণের কাছে শূন্যের কোঠায় অবস্থান করছেন কাজেই এতগুলো শূন্য যোগ হলেও ফল ঐ শূন্য এটাই সত্য। আল্লাহ্‌ আমাদেরকে সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা দান করুন। আমিন
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ