Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ০৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

যেনো বাবার হোটেল ডিবির ৮ জন প্রত্যাহার

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৯ আগস্ট, ২০১৮, ১২:০৪ এএম

নারায়ণগঞ্জ শহরের বরফকল চৌরঙ্গী পার্কের সামনে ফাস্টফুড খেয়ে বিল না দেয়াকে কেন্দ্র করে দোকান মালিকের সঙ্গে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি-এসআইসহ সদস্যদের ব্যাপক মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৮জনকে সাময়িক প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার ওই ৮ পুলিশ সদস্যকে ডিবি থেকে প্রত্যাহার করে মাসদাইরে জেলা পুলিশ লাইনে নেয়া হয়। তারা হলেন- ডিবির পরিদর্শক মাসুদুর রহমান, উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান ও এসআই আবু সায়েম, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আজিজুর রহমান, দেওয়ান তৌফিক, বকুল মিয়া, আমিনুল হক ও কনস্টেবল লুৎফর রহমান। জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলম জানান, ওই ঘটনাটি তদন্তের জন্য তাকে প্রধান করে একটি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৮জনকে সাময়িক প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় যদি ডিবি পুলিশের কোন কর্মকর্তা দোষী প্রমাণিত হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার রাতে খানপুর বরফকল খেয়াঘাট সংলগ্ন চৌরঙ্গী ফ্যান্টাসী পার্কের সামনে মাইলাইফ কেয়ার ফাস্টফুড নামের একটি দোকানে পরিবার পরিজন নিয়ে খেতে যান ডিএসবির উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল বাশার। এসময় মিল্কসেইক খাওয়ার পরে ওই মিল্কসেইকটি ভাল হয়নি দাবি করে বিল দিতে রাজি হয়নি সে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। পরে সেখানে যান ডিবির এএসআই আমিনুল ও এএসআই বকুল। তখন তাদের সঙ্গে ফাস্টফুডটির মালিক ১১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি জালালের ছেলে আলামিন ও রবিন বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। বাকবিতন্ডার সময় তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। এসময় যুবলীগ নেতা জালাল ও তার স্ত্রী রিনা ইয়াসমিন ঘটনাস্থলে আসলে ডিবির দুই এএসআই মিলে তাদের স্বামী, স্ত্রী ও দুই ছেলেকে মারধর করে। এতে করে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ওই দুই এএসআইকে গণধোলাই দেয়। এসময় খবর পেয়ে ডিবির পরিদর্শক মাসুদ, এসআই মিজান ও এসআই সায়েম ঘটনাস্থলে আসলে লাঠিসোটা দিয়ে তাদেরকেও বেধড়ক পিটুনী দেয়া হয়। পরে অতিরিক্ত ডিবি পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাদের উদ্ধার করে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। আহতদের মধ্যে ডিবির এসআই মিজান ও এসআই সায়েম, যুবলীগ নেতা জালাল, ছেলে আলামিন ও রবিনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।



 

Show all comments
  • তুহিন ২৮ আগস্ট, ২০১৮, ১:৩৯ এএম says : 0
    এই ঘটনা দেখে মনে হচ্ছে এরা সবাই বদরুল লীগের সদস্য তাই খেয়ে বিল না দিয়ে হামলা করেছে ।
    Total Reply(0) Reply
  • Syed Habib ২৮ আগস্ট, ২০১৮, ২:২৪ এএম says : 0
    এইসব ঘটনায় বোঝা যায় বাংলাদেশ পুলিশের প্রতি মানুষের অনাস্থা আর ঘৃণা চরমে পৌঁছেছে।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর