Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ০৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

ইসলামী কর্মতৎপরতা

| প্রকাশের সময় : ৩১ আগস্ট, ২০১৮, ১২:০৫ এএম

ইসলামী ঐক্যজোট
ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি মাওলানা আবদুর রকীর এডভোকেট, মাহসচিব অধ্যাপক মাওলানা আবদুল করীম খান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বীরমুক্তিযোদ্ধা ডা. মাওলানা শওকত আমীন পীর সাহেব বি-বাড়ীয়া গতকাল এক বিবৃতিতে বলেন, সরকার প্রতিশ্রæত কঠোর আইনের অভাবে সড়কে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা ও দূর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত সড়ক ও পরিবহন আইন জনবান্ধব হয় নি। তদোপরি মালিক শ্রমিক ও সরকারের সমন্বয়ে গঠিত গণপরিবহন পরিচালনা কমিটিতে যাত্রী ও জনগণের প্রতিনিধি না থাকায় ভাড়া নির্ধারণ, শিক্ষার্থীদের অর্ধেক ভাড়া, চলতি গাড়ী থেকে যাত্রী নামতে বাধ্য করা সহ অন্যান্য সমস্যাসমূহ নির্দিষ্টকরণ ও সমাধান সম্ভব হবে না, ফলে নতুন আইন যাত্রীস্বার্থের তেমন উপকারে আসবেনা। চালকদের নির্মমতা ও উন্মত্ততা, পরিবহন খাতে বিশৃংখলা, অরাজকতা ও চাঁদাবজি এসব হ্রাস পাবে না। চার লেইন ও একমুখী রাস্তা করা ও সড়কখাতে বরাদ্দ অর্থের লুটপাট বন্ধ না হলে পরিস্থিতির উন্নতিও হবে না।
বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামালীগ
কুরবানী নিয়ে মনগড়া বক্তব্যের জন্য পবা ও বাপাকে ওলামালীগের লিগ্যাল নোটিশ
আসন্ন পবিত্র কোরবানীর ঈদ উপলক্ষে পশু কুরবানী নিয়ে মনগড়া, বিভ্রান্তিকর ও ষড়যন্ত্রম‚লক বক্তব্যরে জন্য পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেনে আওয়ামী ওলামালীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাওলানা মো: আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী। সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট মুহম্মদ হাসান শহীদ কামরুজ্জামান (দুর্বার)-এর মাধ্যমে এই লিগ্যাল নোটিশটি গত শনিবার রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়েছে।
গত ২৪ জুলাই, সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন’ ও ‘নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম’সহ কতিপয় সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধনে দাবি জানানো হয়, পবিত্র মক্কার আদলে ঢাকায় নির্দিষ্ট জায়গায় পশু কোরবানির ব্যবস্থা করতে এবং পার্ক ও খেলার মাঠে পশুর হাট না বসাতে। জনগণের বিচরণ তুলনাম‚লকভাবে কম এ-রকম ফাঁকা জায়গায় পশুর হাটের ব্যবস্থা করতে। উক্ত মানববন্ধনে দেয়া বক্তব্যের প্রেক্ষিতে লিগ্যাল নোটিশটি পাঠানো হয়।
নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের সাথে পবিত্র মক্কা নগরীর তুলনা আনাও সম্প‚র্ণ অপ্রাসঙ্গিক। কেননা পবিত্র মক্কা নগরীতে পশু কুরবানীর ব্যাপারটি মুসলিমদের আরেকটি ইবাদত পবিত্র হজ্বের সাথে সম্পর্কযুক্ত। পবিত্র মক্কা নগরীর মীনাতে ৫০ লক্ষাধিক হাজীর পশু কুরবানীর ব্যাপারটি পবিত্র হজ্বের একটি অংশ এবং সউদী সরকারের হজ্ব ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সেটি দেখাশোনা করে। পবিত্র হজ্বের বাইরে সউদী নাগরিকদের নিজস্ব পশু কুরবানির ব্যাপারটির সাথেও ঢাকা বা বাংলাদেশের পশু কুরবানির তুলনা চলে না। কেননা সউদী আরবে প্রতি বর্গকিলোমিটারে মাত্র ১৫/১৬ জন মানুষের বসবাস আর বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে অন্তত ১২০০ মানুষের বসবাস। ঢাকায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে বাস করে অন্তত ৪৭ হাজার মানুষ। এই পরিস্থিতিতে সউদী আরবের মতো কুরবানির জন্য স্বল্পসংখ্যক নির্ধারিত স্থানে পশু কুরবানি করা বাংলাদেশে বা ঢাকায় অসম্ভব এবং বাস্তবতা পরিপন্থী।
পবা ও বাপাকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে পশু কুরবানির স্থান ও পশুর হাট নিয়ে দ্বীনি অনুভ‚তিতে আঘাত হেনে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করার অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন লিগ্যাল নোটিশে। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর