Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫, ১৪ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

এটিএম বুথেও জাল নোট!

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ১২:০১ এএম

এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলনের সময় জাল নোট পাচ্ছেন। শুধু এটিএম বুথই নয়, জাল নোট পাওয়া যাচ্ছে ব্যাংক থেকে একসঙ্গে বেশি টাকা তুললেও। ‘জাল নোটের বাহকই অপরাধী’র আইনের এমন বিধানের কারণে গ্রাহকরা জাল নোট-সংক্রান্ত অধিকাংশ ঘটনাই হয়রানির ভয়ে চেপে যাচ্ছেন। কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে অভিযোগ জানিয়ে সমাধান হচ্ছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভিযোগ জানিয়ে ব্যাংকের কাছ থেকে গ্রাহকরা কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না।
ব্যাংকের এটিএম বুথে জাল টাকা কোথা থেকে আসছে এমন প্রশ্নের উত্তরে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা, এটিএম বুথে টাকা সরবরাহকারী এজেন্সির শীর্ষ নির্বাহী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, বুথে জাল টাকা সরবরাহ করার সঙ্গে আউটসোর্সিং এজেন্সির লোকেরা জড়িত থাকতে পারে। কারো মতে, ব্যাংকাররা জড়িত না থাকলে বুথে জাল টাকা প্রবেশের সুযোগ নেই। আবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরবরাহকৃত টাকার বান্ডিলে জাল টাকা থাকার কথাও বলেছেন কেউ কেউ। মোট কথা হলো, এটিএম বুথে জাল টাকা ঢুকিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে সংঘবদ্ধ একটি চক্র জড়িত। ব্যাংকার, সিকিউরিটি এজেন্সির লোকসহ সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে চক্রটি গড়ে উঠেছে। এক্ষেত্রে জালিয়াত চক্রের সদস্য বাংলাদেশ ব্যাংকেও থাকতে পারে। তবে ব্যাংকের শাখা থেকে গ্রাহককে দেওয়া টাকার বান্ডিলে জাল নোট ঢুকিয়ে দেওয়ার ঘটনার সঙ্গে ব্যাংকাররা সরাসরি জড়িত।
ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, এটিএম বুথ থেকে জাল টাকা বের হওয়ার দুয়েকটি ঘটনা শুনেছি। তবে ঢাকা ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে জাল টাকা বের হওয়ার কোনো অভিযোগ পাইনি। আমাদের ব্যাংকের বুথের সংখ্যা কম হওয়ায় এমনটি হতে পারে।
তিনি বলেন, এটিএম বুথ থেকে টাকা বের হওয়ার পর তা যাচাই করে নিতে হবে। কোনো জাল নোট পেলে সঙ্গে সঙ্গে কল সেন্টারে অভিযোগ দিয়ে জানানো উচিত। দেশের সব এটিএম বুথেই সিসি ক্যামেরা লাগানো থাকে। জাল নোটটি ক্যামেরার সামনে ধরে অভিযোগ জানানো যায়। বুথের নিরাপত্তায় নিয়োজিত গার্ডকে সাক্ষী করে লিখিত অভিযোগ দেওয়ারও সুযোগ রয়েছে। গ্রাহক ও ব্যাংকারদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অপরাধীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিতের মাধ্যমে জাল নোট প্রতিরোধ করা সম্ভব।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর