Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ০৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

খালেদা জিয়ার রিটের শুনানি আজ

বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা:

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ১:০১ এএম

বিএনপির চেয়ারর্পাসন খালেদা জিয়াকে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে করা রিট আবেদন ওপর শুনানি আজ (মঙ্গলবার) হতে পারে। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় সোমবারের আবেদনটি শুনানির জন্য ছিল। তবে খালেদার আইনজীবীর সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বলেছেন, নট টুডে (আজকে নয়) আদেশ দেন।
আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান। খালেদা জিয়াকে চিকিৎসাসেবা দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে গতকাল রোববার খালেদা জিয়ার পক্ষে তাঁর আইনজীবী নওশাদ জমির রিটটি দায়ের করেন, যা গতকাল তালিকায় ওঠে।
এ দিন খালেদা জিয়ার আইনজীবী কায়সার কামাল এক দিন সময়ের আরজি জানালে আদালত তা মঞ্জুর করেন। খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী নওশাদ জমির বলেন, বিএনপি চেয়ারর্পাসনের স্বাস্থ্যগত দিক নিয়ে গতকাল সরকারের সঙ্গে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা আলোচনা করেছেন। সিনিয়র আইনজীবীরা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করে একটি আবেদন দিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে, এই বিবেচনায় এক দিন সময় চাওয়া হয়। মঙ্গলবার আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে।
আইনজীবী সূত্র বলেছে, রিটে ইউনাইটেড বা বিশেষায়িত হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসাসেবা েেদয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একটি বিশেষ বোর্ড গঠন এবং এখন পর্যন্ত তাঁর চিকিৎসাসেবা-সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র আদালতে দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে এতে। রিটে খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল চাওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রসচিব, আইজি (প্রিজন), ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সুপারসহ সাতজনকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।
গত ৪ সেপ্টেম্বর আইন মন্ত্রণালয় একটি গেজেট জারি করে। ওই গেজেটে বলা হয়, নিরাপত্তাজনিত কারণে সরকারি আলিয়া মদ্রাসার মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী আদালত থেকে নাজিমুদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের কক্ষ নম্বর-৭ কে অস্থায়ী আদালত ঘোষণা করা হয়েছে। এখন থেকে সেখানেই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল দুর্নীতি মামলার বিচার কাজ সম্পন্ন হবে। ৫ সেপ্টম্বর শুনানিতে অংশ নেয়নি আসামী পক্ষের আইনজীবীরা। তারা বলেছেন, বেআইনিভাবে সাজা দিতেই কারা আদালত। সরকার সংবিধান লঙ্ঘন করে সরকার পরিত্যক্ত কারাগারে অস্থায়ী আদালত গঠন করেছেন। ওই দিন অসুস্থ অবস্থায় আদালতে নিয়ে আসায় উদ্বেগ-অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালতের উদ্দেশ্যে খালেদা জিযা বলেছেন, এখানে ন্যায়বিচার নেই। যা ইচ্ছে তাই সাজা দিতে পারেন। যত খুশি সাজা দিতে পারেন। এমতাবস্থায় গত রোববার আদালতের গিয়ে প্রধান বিচারপতির সাথে আসামী পক্ষের আইনজীবীরা ও আইনমন্ত্রী দেখা করেন।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও অর্থদন্দেডাদেশ দেন আদালত। এরপর থেকে ৭৩ বছর বয়সী খালেদা জিয়াকে ওই কারাগারের দোতলার একটি কক্ষে রাখা হয়েছে।##



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর