Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮, ৭ কার্তিক ১৪২৫, ১১ সফর ১৪৪০ হিজরী

দুইশ’ হোটেলকে সবুজ হলুদ-লাল চিহ্নিত

সমন্বিত ভেজালবিরোধী অভিযান

স্টাফ রিপোর্টার : | প্রকাশের সময় : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ১২:০৬ এএম

প্রাতিষ্ঠানিক সংকট ও সীমাবদ্ধতা দূর করে সমন্বিতভাবে ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনার আশ^াস দিয়ে খাদ্য মন্ত্রী এ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম বলেছেন, ব্যবসায়িরা যেন ভেজাল বিরোধী অভিযানে হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য আমরা প্রথমেই কাউকে জেল জরিমানা করতে চাই না।
একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মতিঝিলের দু’শো হোটেলে জরিপ পরিচালনা করা হচ্ছে। এরপর মালিক ও কর্মচারিদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। পরবর্তীতে হোটেলগুলোর মধ্যে যেগুলো নিরাপদ সেগুলোকে সবুজ চিহ্ন, যেগুলোর ছোট খাট সমস্যা থাকবে সেগুলোকে হলুদ এবং যেগুলোর অবস্থা খারাপ সেগুলোকে লাল চিহ্ন দেয়া হবে।
পর্যায় ক্রমে লাল চিহ্নিত হোটেলগুলোকে বন্ধ করে দেয়া হবে। পাইলট ভিত্তিতে এটি করা হচ্ছে বলেও জানান খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ সংক্রান্ত আইন বাস্তবায়নে ৭-৮ বছর সময় লাগলেও বাংলাদেশে তার অনেক আগেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘খাদ্যে ভেজাল বিরোধী অভিযান : প্রাতিষ্ঠানিক সংকট’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেশইনফো.কম.বিডি এর সম্পাদক রাশেদ চৌধুরী।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাহফুজুল হক বলেন, সকলকে সমন্বয় সাধন করে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা একটি কঠিন কাজ। তবে দেশের সব মানুষ যেহেতু ভোক্তা, তাই সচেতনতা বাড়িয়ে নিরাপদ খাদ্যের প্রতি চাহিদা সৃষ্টি করা গেলে ব্যবসায়ীরা নিরাপদ খাদ্য সরবরাহে বাধ্য হবে।
পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবু নাসের, বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি কমর উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ড. খালেদা ইসলাম, ভোক্তা অধিকার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নূর ইসলাম, বিএসটিআই -এর সহকারি পরিচালক মো. রিয়াজুল হক, বীর প্রতীক মাহবুব আলী রঞ্জু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর