Inqilab Logo

ঢাকা, রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ০২ পৌষ ১৪২৫, ৮ রবিউস সানী ১৪৪০ হিজরী

যৌন নিপীড়নের ঘটনায় জার্মানির যাজকদের কৌমার্য নিয়ে বিতর্ক

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ৮:৫৪ পিএম

জার্মানির ক্যাথলিক বিশপদের সংগঠন ‘জার্মান বিশপস কনফারেন্স'-এর উদ্যোগে পরিচালিত এক প্রতিবেদন বলা হয়েছে, ১৯৪৬ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জার্মানিতে কমপক্ষে ১,৬৭০ জনের দ্বারা ৩,৬৭৭ জন যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন৷ অভিযুক্তদের মধ্যে বেশিরভাগই যাজক৷
জার্মানির ফুলডা শহরে সোমবার থেকে শুরু হওয়া বিশপ সম্মেলনে আলোচিত প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হওয়ার কথা৷ তবে তার আগেই ১১ সেপ্টেম্বর জার্মান দৈনিক ‘ডি সাইট' ও ম্যাগাজিন ‘ডেয়ার স্পিগেল'-এ প্রতিবেদনের উল্লেখযোগ্য অংশ প্রকাশিত হয়ে যায়৷
তদন্ত প্রতিবেদনে যৌন হয়রানির যে সংখ্যা বেরিয়েছে তা বাস্তবে আরও বেশি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা৷ কারণ, ক্যাথলিক গির্জা পরিচালিত সব প্রতিষ্ঠান ঐ তদন্তের আওতায় ছিল না৷
যাজকদের দ্বারা এত শিশু ও কমবয়সি মানুষের যৌন নিপীড়নের শিকার হওয়ার ঘটনায় কয়েকটি বিষয় আলোচনায় উঠে এসেছে৷ এর মধ্যে যাজকদের অবিবাহিত থাকা এবং কারো সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন থেকে বিরত থাকার বাধ্যবাধকতার বিষয় একটি৷ জার্মানির গির্জাগুলোতে বহুদিন থেকে এই বিষয়টি আলোচনায় থাকলেও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের পর সেটি আরও বেশি সামনে এসেছে৷
ফুলডায় শুরু হওয়া বিশপ সম্মেলনে বিষয়টি আরো বিস্তারিতভাবে আলোচিত হওয়ার কথা রয়েছে৷ এছাড়া যৌন নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেয়া, যাজকদের প্রশিক্ষণ ও যাজকদের জন্য নির্ধারিত বাসভবনে একা থাকার বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা৷
সম্মেলন শেষে সাম্প্রতিক প্রতিবেদন বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করবে জার্মান বিশপস কনফারেন্স৷
যৌন নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের সংগঠন ‘স্কয়ার টেবিল ফাউন্ডেশন'-এর প্রতিষ্ঠাতা মাটিয়াস কাটশ মনে করেন, যাজকদের কৌমার্য ব্রত গ্রহণের বিতর্কটি গুরুত্বপূর্ণ৷ তবে এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়টি আলোচনা করা৷ সূত্রঃ ডয়েশ্চ ভ্যালে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।