Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ৪ কার্তিক ১৪২৫, ০৮ সফর ১৪৪০ হিজরী

ভাবনায় টপ অর্ডার

স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ১২:০১ এএম

১, ১৫, ১৫ এবং ১৬- এশিয়া কাপে খেলে ফেলা বাংলাদেশের চার ম্যাচের উদ্বোধনী জুটির খতিয়ান। কোন ম্যাচেই এনে দিতে পারেনি ভালো শুরু।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ১ রানেই লিটন দাসের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ওয়ানডাউনে সাকিব আল হাসানও ফেরেন প্রথম বলেই। খানিক পর তামিম ইকবালের চোটে পড়ে ছিটকে যাওয়া অবশ্য দুর্ভাগ্যজনক। পরের তিন ম্যাচে সেই ‘দুর্ভাগ্য’ এনে দিয়েছে ভীষণ অস্বস্তি। তরুণ উদ্বোধনী জুটি হিসেবে খেলে তিন ম্যাচই ব্যর্থ হয় লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্তর জুটি। টানা তিন ম্যাচ ওপেন করে তারা জুটিতে আনতে পেরেছেন মোট ৪৬ রান। গড়টা মাত্র ১৫.৩৩। আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনালের আগে তাই মাথা ব্যথার কারণ হওয়া টপ অর্ডারে আসতে পারে পরিবর্তন।

প্রতি ম্যাচেই শুরুতে বিপর্যয়ের জন্যে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে মিডল অর্ডারকে। আর মিডল অর্ডার ফেল করলে বেহাল অবস্থা হচ্ছে দলের। পাকিস্তানের বিপক্ষে মহারণের আগের দিন কোচ স্টিভ রোডস জানালেন, দলকে ভাবাচ্ছে টপ অর্ডার, ‘হ্যাঁ। টপ অর্ডার থেকে ভাল শুরু পাওয়া জরুরী। সব কোচই এটা চাইবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তামিম ছিটকে গেছে। এটা ছিল বড় ধাক্কা। আমরা শান্তকে নিয়েছিলাম তার জায়গায়। সে খুব প্রতিভাবান তরুণ ক্রিকেটার। আজ (গতকাল) বিকেলে আমি, মাশরাফি এবং পুরো টিম ম্যানেজমেন্ট বসব। সব দিক খতিয়ে সেরা দল নামানোর বিষয়ে আলাপ হবে। অবশ্যই এটা একটা উদ্বেগের বিষয়।’
তামিমের বিকল্প হয়ে ওপেনিংয়ে তিন ম্যাচ খেলে ৭, ৭ ও ৬ রান করেন শান্ত। আরেক ওপেনার লিটন প্রথম তিন ম্যাচে ব্যর্থ হলেও সর্বশেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে করেছেন ৪১ রান। আত্মঘাতি শটে আউট হওয়ার আগে খেলছেন পুরো আত্মবিশ্বাস নিয়ে। ওপেনিংয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে লিটনের থেকে যাওয়া তাই নিশ্চিতই।
দল সূত্রে জানা গেছে, শান্তর সামর্থ্যরে উপর দলের আস্থা থাকলেও তিন ম্যাচে তার আউট হওয়ার ধরণ ভাবাচ্ছে দলকে। কিছুটা আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভুগা এই তরুণকে পাকিস্তানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলানোর ঝুঁকি নিতে চাইছে না দল। শান্ত না থাকলে ওপেনিংয়ে বিকল্প হিসেবে সুযোগ পেতে পারেন দেশ থেকে উড়ে আসা সৌম্য সরকার। ওয়ানডেতে ক্যারিয়ারের তার একমাত্র সেঞ্চুরিটিও পাকিস্তানের বিপক্ষেই। টিম ম্যানেজমেন্টের বিবেচনায় আছে সেসব।

আবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে রশিদ খানের কথা ভেবে ইমরুল কায়েসকে ছয়ে নামানো হলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি ফিরতে পারেন ওপেনিংয়ে। সেক্ষেত্রে সৌম্য দলে আসলে খেলবেন নিচের দিকে। তৃতীয় পেসার হিসেবে তার মিডিয়াম পেস বোলিংটাও রাখা হয়েছে বিবেচনায়।

যে করেই হোক টপ অর্ডারের বেহাল দশা কাটাতে চাইছে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কা আর আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচে মিডল অর্ডারের বড় দুই জুটি তাও সামাল দিয়েছিল পরিস্থিতি। বাকি দুই ম্যাচে টপ অর্ডারের পথে হেঁটেছে মিডল অর্ডারও। ফলে বেহাল দশা হয়েছিল দলের, এবার কাটাতে চান কোচ, ‘প্রথম ম্যাচে দ্রæত উইকেট পড়ার পর মুশফিক-মিঠুনের দারুণ জুটিতে আমরা ফিরেছি, গত ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বিপর্যয় দারুণ সামাল দিয়েছে ইমরুল-মাহমুদউল্লাহ। এখন টপ অর্ডার থেকে যদি ভালো পারফরম্যান্স পাওয়া যায় দলের জন্য এটা হবে বিরাট কিছু।’

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ