Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯, ০৫ চৈত্র ১৪২৫, ১১ রজব ১৪৪০ হিজরী।

সিনহার বিরুদ্ধে নাজমুল হুদার মামলা

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২ অক্টোবর, ২০১৮, ১২:২৬ এএম

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে মামলা করেছেন সাবেক মন্ত্রী নাজমুল হুদা। গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শাহবাগ থানায় গিয়ে মামলাটি করেন তৃণমূল বিএনপি নামে একটি দলের সভাপতি। 

শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান জানান, শাহবাগ থানায় নাজমুল হুদা নিজে উপস্থিত হয়ে মামলাটি করেছেন। বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত ও আইনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। এ জন্য মামলাটি দুদকে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে দুর্নীতির। নাজমুল হুদা রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে বিএনপির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে আওয়ামী লীগের গত আমলে তিনি বিএনপি থেকে বের হয়ে আলাদা দল গঠন করেন। পরে নিজের দল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে গঠন করেন তৃণমূল বিএনপি। আর আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটবদ্ধ হতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহার, উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়। সূত্র জানায়, সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘খবরের অন্তরালে’র জন্য মীর জাহের হোসেন নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে এক মামলায় নাজমুল হুদার সাত বছরের কারাদন্ড হয়েছিল। জরুরি অবস্থার সময় দেওয়া ওই মামলার রায়ে হুদার স্ত্রী সিগমা হুদারও তিন বছর কারাদন্ড হয়েছিল। ওই রায়ের বিরুদ্ধে নাজমুল হুদা ও সিগমা হুদা আপিল করলে ২০১১ সালের ২০ মার্চ হাই কোর্ট তাদের খালাস দেয়। কিন্তু দুদকের আপিলে আপিল বিভাগ ওই রায় বাতিল করে পুনঃশুনানির নির্দেশ দেয়। তখন আপিল বিভাগে ছিলেন বিচারপতি সিনহা। মামলার পুনঃশুনানি শেষে গত বছরের ৮ নভেম্বর হাই কোর্টের আরেকটি বেঞ্চ নাজমুল হুদাকে চার বছরের কারাদন্ড দেয়। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি নাজমুল হুদা এক সময় বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ছিলেন। বিএনপি সরকারে মন্ত্রী ছিলেন তিনি। বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ), বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টি (বিএমপি) তৃণমূল বিএনপি গড়ে তুলেছিলেন নাজমুল হুদা। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট অ্যালায়েন্স (বিএনএ) নামে একটি জোট গঠন করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলে যোগ দেওয়ার চেষ্টায় রয়েছেন। একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীও হতে চান তিনি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রধান বিচারপতি

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ