Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ২৩ বৈশাখ ১৪২৮, ২৩ রমজান ১৪৪২ হিজরী

প্রশ্ন : ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে ‘মেডিক্যাল ম্যারিজুয়ানা’ বলে গাঁজা, চরশ ইত্যাদি বৈধভাবে গ্রহণের আইন হয়েছে। যদি সত্যিকার ভাবেই এতে উপকার পাওয়া যায়, এটি গ্রহণ করলে ইসলামে কোনো বাধা আছে কি?

আফনান বিরুনী,
ইরান।

প্রকাশের সময় : ১১ অক্টোবর, ২০১৮, ১২:১১ এএম

উত্তর : কোরআনে আল্লাহ যে আয়াতে মাদকদ্রব্য নিষিদ্ধ করেছেন, সেখানে বলেছেন, এতে মানুষের কিছু উপকার আছে। তবে এর ক্ষতিকারিতা ও পাপ এর উপকারের চেয়ে অনেক বেশি বড়। সুতরাং এ মাদক হারাম করার পর এর উপকারের দিকে আর তাকানো জায়েজ হবে না। হাদিস শরিফে এসেছে, মাদক সকল পাপের মূল। ইসলামি আইনে আছে, প্রতিটি মাদকদ্রব্য হারাম। আর যার বেশি হারাম, তার অল্পও হারাম। কেবল ডাক্তারের নির্দেশনায় কোনো মারাত্মক রোগীকে বেহুঁশ করা বা ব্যথ্যা বন্ধ করার জন্যই মাদক থেকে উৎপন্ন ওষুধ বা ইনজেকশন নেয়া সাময়িকভাবে জায়েজ হতে পারে। ব্যক্তিগত ইচ্ছায় এসব দ্রব্য, মাদকতা লাভ কিংবা নেশা করার জন্য ব্যবহার করা সর্বাবস্থায় হারাম।

সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতাওয়া বিশ্বকোষ।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]mail.com



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রশ্ন:

১১ অক্টোবর, ২০১৮

আরও
আরও পড়ুন

আমার হাসব্যান্ড সব সময় প্রতিজ্ঞা করে, এমন কি কোরান ছুয়ে, যে সে আর কারো সাথে কোন সম্পর্কে জড়াবে না। কিন্তু কিছুদিন পরে আবার সেটা ভেঙে ফেলে। আমি তার বিরুদ্ধে যে প্রমান পেয়েছি তা হল তাদের চিঠি, চ্যাট, ইমেইল, ছবি। আর আমাকে বলে এটা ভুলে যেতে তাকে মাফ করে দিতে। সে বলে এটা তার পাপ সে সাজা পাবে আল্লাহর কাছে। আমি সব ভুলে মাফ করে সংসার করে যাচ্ছি এখন আর পারছি না। বারবার ধরা পরে প্রমাণসহ। সে অনেক বাইরের দেশে যায় কাজের কারণে, তাই আমার জানা সম্ভব না তারা ওখানে কি করছে। আমি অনেক অশান্তিতে আছি? আমার কি করা উচিত?

উত্তর : আপনি ধৈর্যসহকারে আপনার সংসারে থাকুন। স্বামীর ব্যাপারে সন্দেহ কিংবা অনুসন্ধান করবেন না। প্রমাণ বা আলামত পেলেও এসবে মনোযোগ দিবেন না। সবকিছু দেখেও না

আমাদের এলাকায় মসজিদ সংলগ্ন একটি মাঠ ছিল, সেই মাঠে আমরা ঈদের নামাজ পড়তাম। কিন্তুুু মসজিদ বড় করার কারণে মাঠের জায়গা অনেকটা ছোট হয়ে গেছে। আমরা মাঠের জায়গা ক্রয় করতে চেয়েছিলাম কিন্তু সেভাবে জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই আমরা এখন একটু বিপাকে পড়েছি। এলাকার লোকজনের কথা হলো তারা মসজিদে ঈদের নামাজ পড়বে। আশেপাশের এলাকায় ঈদগাহ আছে। তরপরও নিজ এলাকায় ঈদের আমেজ ভিন্ন। তাই আমি এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জানতে চাই, এ অবস্থায় ঈদের জামাত আমাদের মসজিদে আদায়ের ব্যাপারে শরীয়াহ কি বলে?

উত্তর : ঈদের নামাজ মসজিদেও সহীহ হয়। তাছাড়া মসজিদ সংলগ্ন মাঠের অংশবিশেষ এখনো আছে। ঈদের নামাজ মাঠে গিয়ে পড়া আলাদা একটি সুন্নাত। তবে, বর্তমানে মাঠের

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ