Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮, ৭ কার্তিক ১৪২৫, ১১ সফর ১৪৪০ হিজরী

সব দলকে শান্তিপূর্ণভাবে মতামত তুলে ধরতে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্ববান

প্রকাশের সময় : ২৬ জানুয়ারি, ২০১৬, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার : সব রাজনৈতিক দলকে শান্তিপূর্ণভাবে তাদের মতামত তুলে ধরার আহŸান জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া বøুম বার্নিকাট। সোমবার সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের বাসায় সাক্ষাতে শেষে সাংবাদিকদের কাছে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ আহŸান জানান। বিবৃতিতে বার্নিকাট বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মতামত ও ভাবনা জানতে পারার সুযোগকে আমি সাধুবাদ জানাই। গণতন্ত্রের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার দেশটির উন্নয়নে একটি প্রয়োজনীয় ভ‚মিকা রেখেছে। আমি সব রাজনৈতিক দলকে শান্তিপূর্ণভাবে তাদের মতামত তুলে ধরতে আহŸান জানাই।’ তাদের মধ্যে প্রায় দেড়ঘন্টা আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে ড. আবদুল মঈন খান সাংবাদিকদের জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও সম্প্রতি বলেছেন, গণতন্ত্র ছাড়া টেকসই উন্নয়ন হতে পারে না। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিও তাই। দেশে কি ধরনের শাসনব্যবস্থা চলছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সরকার উন্নয়নের কথা যতোই বলুক গণতন্ত্র ছাড়া তা টেকসই হতে পারে না। এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত চেয়ারপারসনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। দেশের সবশেষ পরিস্থিতি নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। সেই আলোচনার মধ্যে রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দেশের নিরাপত্তা সর্বাগ্রে দেশের গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর দুই বছর পেরিয়ে গেছে। আমার লক্ষ্য করেছি কিভাবে ভোটবিহীন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটি সংসদ ও সরকার গঠিত হয়েছে। বর্তমানে তারা দেশ পরিচালনা করছে, যেখানে কোন জবাবদিহিতা কিংবা স্বচ্ছতা নেই। গণতন্ত্র নেই, বাক স্বাধীনতা নেই। মঈন খান বলেন, অতীত থেকে আমাদের শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে কিভাবে দেশকে গণতান্ত্রায়ন করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে ফিরিয়ে আনা ১৬ কোটি মানুষের জন্য চ্যালেঞ্জ। অর্থনীতি গোবালাইশনের পাশাপাশি রাজনীতিরও বিশ্বায়ন ঘটেছে। আমাদের দেশ ছোট হলেও ভ‚-রাজনীতিতে ছোট নয়। এই কারণে দেশের গুরুত্ব অনেক। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোও আমাদের দেশ নিয়ে ভাবে। মধ্যবর্তী নির্বাচন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচন দেবে কিনা তা সরকার জানে। আমরা গত জাতীয় নির্বাচন প্রত্যাখান করেছি। আমরা বলেছি সেটা কোন নির্বাচনই হয়নি। ৫ ভাগ মানুষও ভোটকেন্দ্রে যায়নি। ১৫৪ টি আসনে বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় এমপি হয়েছেন। এটাকে নির্বাচন বলে না। এদেশ মানুষের যে ইচ্ছা সেটা প্রতিফলিত করতে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হবে। যতো দ্রæত সম্ভব ততো দেশের জন্য মঙ্গলজনক। ড. আবদুল মঈন খান ছাড়াও বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।