Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫, ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

অটুট ২০ দলীয় জোট

লাভবান হতে কেউ কেউ বেঈমানী করছে : রিজভী

ফারুক হোসাইন | প্রকাশের সময় : ১৮ অক্টোবর, ২০১৮, ১২:৪৫ এএম

১৯৯৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারকে হটাতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের যাত্রা শুরু হয়েছিল। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে পরবর্তীতে সেই জোট বেড়ে ২০ দলে দাঁড়ায়। দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে দীর্ঘদিন ধরেই এই জোটের দলগুলো বিএনপির নেতৃত্বে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে আসছে। বিভিন্ন সময় সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস-প্রলোভন দূরে ঠেলে দিয়ে, নানামুখী চাপের মধ্যে থেকেও দলগুলোর নেতারা জোটকে সুসংহত রেখেছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ২০ দলীয় জোটের ঘোষণাপত্রের প্রতি আস্থা রেখে জোটকে অটুট ও ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন আদর্শবাদী নেতারা।
২০ দলীয় জোটের একাধিক নেতা জানান, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ২০ দলীয় জোট গঠন করা হলেও। এই জোট এখন দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করছে। দেশের সর্বাধিক সংখ্যক রাজনৈতিক দল একীভূত থাকায় শাসক শ্রেণি এটি কখনোই স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। আর বিশেষ করে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ২০ দলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ১৪ দল ছাড়া বাকি রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন বর্জন করায় সরকারের চক্ষুসূলে পরিণত হয়েছে। এরপর থেকেই সরকার, সরকার দলীয় বিভিন্ন পক্ষ ২০ দলীয় জোট ভাঙার চেষ্টা করে আসছে। কখনো এমপি-মন্ত্রী কিংবা অর্থ-সম্পদসহ নানা প্রলোভ দিয়ে জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়েছে। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রে দু’চারজন এই প্রলোভন ও ফাঁদে পড়ে বেরিয়ে গেলেও জোটকে ভাঙা সম্ভব হয়নি। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ২০ দলীয় জোট সব সময় অটুট ছিল এবং আগামীতেও থাকবে।
১৯৯৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগকে সরকার থেকে হটাতে জাতীয় পার্টি, জামায়াত, ইসলামী ঐক্যজোটকে সঙ্গে নিয়ে ‘চারদলীয় জোট’ গঠন করেছিল বিএনপি। পরে এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি বেরিয়ে গেলে যুক্ত হয় নাজিউর রহমান মঞ্জুর বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)। পরবর্তীতে মরহুম আনোয়ার জাহিদ ও কাজী জাফর আহমেদের প্রচেষ্টায় গঠিত হয় ৭ দলীয় জোট। ওয়ান ইলেভেন এবং ২০০৮ সালের নবম জাতীয় নির্বাচনের পর জোটের পরিধি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এই জোট। যার প্রেক্ষিতে, ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল নতুন ১২টি দলে সংযুক্তির মাধ্যমে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে থাকা চারদলীয় জোট কলেবরে বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ দলীয় জোটে। শেষ পর্যন্ত জোটের পরিধি দাঁড়ায় ২০ দলে। কিন্তু বছর দুয়েক আগে ইসলামী ঐক্যজোট একাংশ ও এনপিপি জোট ছেড়ে গেলেও তাদের একাংশ বিএনপির সঙ্গে থাকায় কমেনি ২০ দলের কলেবর। আর সর্বশেষ গত ১৬ অক্টোবর ন্যাপ ও এনডিপি থেকে একটি অংশ বের হয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। তবে বের হয়ে যাওয়া নেতাদের বহিষ্কার করে দুটি দলের নতুন নেতারা ২০দলীয় জোটকেই অটুট রেখেছে। জোটের ছোট দলগুলোর নেতারা বলেন, বিভিন্ন সময় ২০ দলীয় জোটের শরিক দল থেকে প্রলোভনে পড়ে, সরকারের সাথে আতাত করে কিংবা সরকারের ফাঁদে পা দিয়ে কেউ কেউ বেরিয়ে গিয়েছেন। তবে জোটের দলগুলো বেশিরভাগ নেতা একত্রিত থেকে ২০ দলীয় জোটকে অটুট রেখেছে।
সর্বশেষ ২০ দলীয় জোটের অন্যতম দুটি শরিক দল বাংলাদেশ ন্যাপ ও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটি পার্টির (এনডিপি) কয়েকজন নেতা ২০ দল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। তাদের এই ঘোষণা দেয়ার পরপরই দল দুটি থেকে তাদেরকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেন নতুন নেতারা। একই সাথে তারা ২০ দলীয় জোটের সাথে থাকার বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। গত মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে একটি কমিউনিটি সেন্টার থেকে ন্যাপ ও এনডিপির কয়েকজন নেতা জোট থেকে বের হয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। দলের অন্য নেতাদের সাথে কোন রকম আলোচনা না করেই হঠাৎ করে কয়েকজন নেতা জোট থেকে বের হয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়ার পরপরই ওই দিন রাতে তাদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এনডিপির প্রচার সম্পাদক জিয়াউল হকের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০ দলীয় জোট পরিপন্থী কাজে যুক্ত হওয়ায় দলের চেয়ারম্যান পদ থেকে খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা এবং মহাসচিবের পদ থেকে মঞ্জুর হোসেন ঈসাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মো. আব্দুল মোকাদ্দিম হোসেন এনডিপির নতুন চেয়ারম্যান এবং যুগ্ম মহাসচিব ওসমান গণি পাটোওয়ারীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করা হয়েছে। অপরদিকে এম এন শাওন সাদেকী বাংলাদেশ ন্যাপের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঘোষণা করে জেবেল রহমান গানি এবং এম গোলাম মোস্তফা ভূইয়াকে বহিষ্কারের কথা জানিয়েছেন। শাওন সাদেকী বলেন, বাংলাদেশ ন্যাপ ২০ দলীয় জোটের সাথে আছে এবং থাকবে। বাংলাদেশ ন্যাপের সাংগঠনিক নিয়ম-নীতি ও কার্যক্রম লঙ্ঘন করায় বাংলাদেশ ন্যাপ থেকে জেবেল রহমান গাণি ও গোলাম মোস্তফা ভ‚ইয়াকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১১টায় দলের এক জরুরি মিটিং ডেকে তাদেরকে বহিষ্কার করা হয়।
এনডিপির (মোকাদ্দিম) চেয়ারম্যান বলেন, খোন্দকার গোলাম মোত্তর্জা ও মঞ্জুর হোসেন ঈসা আদর্শচ্যুত হয়েছেন। তারা নিজেদের স্বার্থ বিবেচনায়, লোভ-লালসায় পড়ে এবং সরকারের সাথে আতাত করতেই দল থেকে বেরিয়ে গেছেন। তবে দলের বেশিরভাগ নেতা এখনো ২০ দলীয় জোটের সাথেই রয়েছেন। অতীতেও বিভিন্ন দল থেকে দু’একজন বেরিয়ে গেছে কিন্তু মূল দলের সাথে কোন সমস্যা হয়নি। এবারও এনডিপি থেকে যারা প্রলোভনে পড়ে আদর্শচ্যুত হয়েছেন তাদের কারণে মূল দলে কোন প্রভাব পড়বে না। এনডিপির নেতারা জানান, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, দল ও ২০ দলীয় জোট বিরোধী কার্যকলাপ এবং সর্বশেষে জোট ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার কারণে মঙ্গলবার রাত ৮ টায় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাহী কমিটির এক বৈঠকে গঠনতন্ত্রের ৫৭ (ক) (খ) (গ) (ঘ) ধারা মোতাবেক সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
২০ দলীয় জোট অটুট থাকার বিষয়ে জোটের অন্যতম শরিক ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দীন মনি বলেন, জোট থেকে কেউ কেউ চলে গেলেও তাদের সমস্ত লোকজনই রয়ে গেছে। ইতোমধ্যেই তারা ২০ দলের সাথে বিশ্বাসঘাতককারীদের বর্জন করে এবং দালালদের বহিষ্কার করে গণতন্ত্রীকামী নেতাকর্মীদের নিয়ে ২০ দলীয় জোটের সাথেই রয়েছেন। দু’একজন লোভী এবং আতাতকারী নেতা কোন দল থেকে চলে গেলে সেই দলের কিছু যায় আসে না। ৯০’র এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে আমরা এসব খেলা দেখেছি। চূড়ান্ত পর্যায়ে বিজয়ী হয়েছে গণতন্ত্র ও জনগণ।
জোটের ছোট দলগুলোর এই ভাঙনের বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ২০ দলীয় জোট এখনো অটুট আছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিসহ বেশ কিছু দাবিতে জোটের নেতারা একসাথে আন্দোলন করে যাচ্ছেন। দেশে স্বৈরাচার সরকারের বিদায় এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলমান থাকবে। আর ন্যাপ-এনডিপি থেকে দু’একজন বেড়িয়ে গেছেন। তবে তাদের বেশিরভাগ নেতা এবং মূল দল এখনো জোটের সাথেই রয়েছে। তারপরও লোভে-প্রলোভনে কিংবা ফাঁদে পড়ে যারাই এসব দল থেকে বেড়িয়ে গেছেন তারা ভুল বুঝতে পেরে আবারও ফিরে আসবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
২০ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা সব সময় চাই যারাই দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ভোটের অধিকার ফিরে পেতে চাই তাদেরকে নিয়ে ঐক্য গড়তে। তবে ঐক্য গড়ার পথে অনৈক্য কোনভাবেই কাম্য নয়। আমরা মনে করি যে কোন ছোট দলই হোক না কেন তাদের মধ্যে যেন অনৈক্য তৈরি না হয়। যদিও এর আগেও কয়েকটি দল থেকে বেশকিছু নেতাকর্মী জোট থেকে বেরিয়ে গেছে কিন্তু জোট অবিচ্ছিন্ন থেকেছে। আগামীতেও থাকবে। তবে সার্বিক বিষয়ে ২০ দলীয় জোটের পরবর্তী সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
এর আগে ২০১৪ সালে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মরহুম শেখ শওকত হোসেন নিলুর জোট ছাড়ার ঘোষণা দেন। পরবর্তীতে ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদের নেতৃত্বে এনপিপির একটি অংশ বিএনপি জোটে যুক্ত থাকে। এর ধারাবাহিকতায় এনডিপির তৎকালীন মহাসচিব মো. আলমগীর মজুমদার এবং চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তাজার মধ্যে পাল্টাপাল্টি বহিষ্কার চলে। আলমগীর মজুমদার জোট ছেড়ে যায়, খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা বিএনপি জোটে থেকে যায়। ভাসানী ন্যাপ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির মধ্যেও ভাঙন দেখা গেছে। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, দলগুলো থেকে দু’একজন বের হয়ে গেলেও বেশিরভাগ নেতা জোটের সাথেই থেকে যান। অবশ্য এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে বাংলাদেশ লেবার পার্টি। দলটির মধ্যে দুই ভাগ থাকলেও দুই অংশই বিএনপি জোটে যুক্ত রয়েছে।
২০ দলীয় জোটের দুটি দল থেকে কয়েকজন নেতার বেরিয়ে যাওয়ার পেছনে বৈষয়িক লাভালাভের বিষয় রয়েছে বলে মনে করছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, দুই-একজন নেতা চলে গেছেন, তাদের দল থাকছে। তারা ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, তাদেরকে বহিষ্কার করেছেন। এ ব্যাপারে কোনো সংশয় থাকবে না বলে আমি মনে করি।
তিনি বলেন, কিছু মানুষ তো ঘাপটি মেরে থাকে সব জায়গায়। কিছু কিছু মানুষ বৈষয়িক প্রশ্নে অনেক আপস করেন। এটা যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। স্বাধীনতার যুদ্ধের সময়ও হয়েছে। গণতান্ত্রিক সংগ্রামের সময়ে এরশাদের অধীনে নির্বাচনে গেলে তারা ‘জাতীয় বেঈমান’। আবার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেউ কেউ চলে গেলেন। এই আপসকামিতা, স্ববিরোধিতা, এটা তো যুগ যুগ ধরে চলেছে।
বিভিন্ন দলের অভিনন্দন : দল থেকে কয়েকজন নেতা বের হয়ে যাওয়ায় ন্যাপ ও এনডিপির নতুন নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানিয়েছে ২০ দলীয় জোটের বিভিন্ন দল। বাংলাদেশ লেবার পার্টির (ইরান) চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার ফরিদ উদ্দিন গতকাল এক বিবৃতিতে বেগম খালেদা জিয়া ও ২০ দলীয় জোটের ঘোষণাপত্রের প্রতি আস্থা রেখে জোটকে অটুট ও ঐক্যবদ্ধ রাখায় বাংলাদেশ ন্যাপ ও এনডিপির নবনির্বাচিত নেতৃত্ব ও নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। বাংলাদেশ ন্যাপের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এম এন শাওন সাদেকী ও এনডিপির চেয়ারম্যান মোকাদ্দিম হোসেন নির্বাচিত হওয়ায় লেবার পার্টির নেতারা বলেণ, ২০ দলীয় জোটের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে বাধাগ্রস্থ করতে সরকারি মহল নানা চক্রান্তে লিপ্ত। তারা ২০ দলীয় জোটের ঐক্য ও সংহতি বিনষ্ট করতে নেংরা খেলায় মেতে উঠেছে। জাতির ক্রান্তিকালে নতুন নেতৃত্ব ও সাহসী সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত দেশবিরোধী অপশক্তির ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছে। সরকারের একটি চিহিৃত মহলের প্ররোচনায় কতিপয় ব্যক্তি জোট ছাড়ার ঘোষণা দিলেও দলের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি সকল ষড়যন্ত্র নসাৎ করে দিয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ ন্যাপের কয়েকজন নেতা ২০দলীয় জোট থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিকে (ন্যাপ-ভাসানী) নিয়ে অনেকের মনে দ্বিধা দেখা দিয়েছে। জোটের অন্যতম শরিক ন্যাপ-ভাসানীর চেয়াম্যান এ্যাড. মোঃ আজহারুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ন্যাপের কয়েকজন দলচ্যুত হওয়ার পর অনেকেই ন্যাপ-ভাসানী মনে করে ভুল করেছেন। ন্যাপ-এর মূল স্রোত (ন্যাপ-ভাসানী) ২০ দলীয় জোটের সহিত গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা এবং বর্তমান জালিম সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত ২০ দলীয় জোটের সাথেই সকল আন্দোলনে থাকবে।



 

Show all comments
  • নাহিদ ১৮ অক্টোবর, ২০১৮, ৫:০২ এএম says : 1
    এখন ঐক্যের সময় ভাঙ্গনের নয়
    Total Reply(0) Reply
  • সুলতান ১৮ অক্টোবর, ২০১৮, ৫:০১ এএম says : 1
    সাগর থেকে ২/১ ফোটা পানি গেলে সাগরের কোন ক্ষতি হয় না।
    Total Reply(0) Reply
  • মাসুদ ১৮ অক্টোবর, ২০১৮, ৫:০০ এএম says : 0
    এবার আর কোন ষড়যন্ত্রই সফল হবে না।
    Total Reply(0) Reply
  • শুভ্র ১৮ অক্টোবর, ২০১৮, ৫:০১ এএম says : 1
    এখন ২০ দলের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যের সাথে দেশবাসী গনতন্ত্র উদ্ধার করবে।
    Total Reply(0) Reply
  • দেশটা আমার ২০ অক্টোবর, ২০১৮, ১২:২৮ পিএম says : 0
    আমি আমার ভোট দেয়ার অধিকার চাই- নিরাপদ রাজনীতি চাই - নিরাপদ দেশ চাই I
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর