Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯ আশ্বিন ১৪২৭, ০৬ সফর ১৪৪২ হিজরী

সাশ্রয়ী ভ্রমণ তালিকার সপ্তমে বাংলাদেশ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার : | প্রকাশের সময় : ২৫ অক্টোবর, ২০১৮, ১২:০৫ এএম

বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ-পিপাসুরা সৌন্দর্য, রোমাঞ্চ, ঐতিহ্যের পেছনে ছুটে বেড়ান। পাহাড়, নদী, সমুদ্র, বন-প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এসব আধার মানুষকে টেনে নেয়। পাশাপাশি প্রত্মতাত্তি¡ক নিদর্শন, উপাসনালয়, ধর্মীয় স্থান, পার্ক, দর্শনীয় স্থাপনাও মানুষকে কম আকৃষ্ট করে না। তবে দর্শনীয় স্থান বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে সৌন্দর্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ইত্যাদির পাশাপাশি ভ্রমণের ব্যয়ের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এদিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান বেশ স্বস্তিকর। এমটিই মনে করছে লোনলি প্ল্যানেট ডটকম।
ভ্রমণবিষয়ক এ পোর্টালটি ২০১৯ সালের জন্য সাশ্রয়ী ভ্রমণ গন্তব্যের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে এতে শুধুই কম খরচের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি, ওই স্থানের দর্শনীয় স্থানের গুরুত্বের বিষয়টিও ভাবা হয়েছে। তালিকায় বাংলাদেশকে ৭ম অবস্থানে দেখানো হয়েছে।
লোনলি প্ল্যানেটের বিবরণে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এবং সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ ও রয়েল বেঙ্গল টাইগারের কথা উঠে এসেছে। এতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে এশিয়ার দীর্ঘতম সৈকত হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
মিতব্যয়ী ভ্রমণকারীদের কাছে বাংলাদেশর সব সময়ই আকর্ষণীয় স্থান। ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট পর্যটকদের আবিষ্কারের অপেক্ষায় রয়েছে, বলা হয় সেখানে। প্রতিবেদনে বাগেরহাটকে ঐতিহাসিক শহর এবং উন্মুক্ত জাদুঘর বলা হয়েছে। আরো আছে পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার এবং গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মিলনস্থলের কথা।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে সহজে ঘোরাফেরার সুযোগ আর কোনো প্রতিবেশী দেশে নেই বললেই চলে।
এ তালিকার শীর্ষ স্থানটি দখল করেছে মিশরের দক্ষিণের নীল ভ্যালি। তার পরই রয়েছে পোল্যান্ডের লডজ। আরো আছে আমেরিকার গ্রেট স্মোকি মাউন্টেন্স ন্যাশনাল পার্ক। তালিকার চতুর্থ এবং পঞ্চম স্থান দখল করেছে যথাক্রমে মালদ্বীপ এবং আর্জেন্টিনা।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ভ্রমণ


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ