Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৪ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

অবৈধ গরুর হাটে রাজস্ব ফাঁকি

প্রকাশের সময় : ৩০ এপ্রিল, ২০১৬, ১২:০০ এএম

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) উপজেলা সংবাদদাতা
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের নোমর হাটের অদূরে খালের পাশে মাইঠায় গ্রামে একটি গবাদিপশুর হাট বসিয়েছে। একই দিনে পাশাপাশি দু’টি গরুর হাট বসার কারণে ক্রেতা-বিক্রেতা পরেছে বিপাকে। এছাড়া বিশাল অংকের টাকায় নেয়া ইজারার নোমরহাটে থেকে  রাজস্ব আদায়ে বিঘœ  হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সরেজমিন গেলে ওই বাজারের ইজারাদার অভিযোগ করেন, পুরনো বাজার হিসেবে নোমরহাট উপজেলার সবচেয়ে বড় গবাদিপশুর হাট। নোমরহাট বাজারের খালের অপর প্রান্তে সরকারিভাবে হাঠের কোন অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার মাইঠায় একটি সুবিধাবাদী চক্র গরু-মহিষের হাট বসিয়েছে। হাট বসানোর ফলে সরকারি রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। ইজারাদার অংশীদার সোহেল মীরা জানান, কবির মৃধা নামের এক ব্যক্তি বিগত বছর নোমরহাটের ইজারাদার ছিল। এবছর ইজারা না পেয়ে খালের ওপার সরকারি নিয়মনীতি উপক্ষো করে হাট বসায়। তিনি মরিচবুনিয়া বাজারের ইজারার কাগজ প্রদর্শন করে গবাদিপশুর হাট বসিয়েছেন আবাদি জমির মধ্যে। প্রকৃতপক্ষে মরিচবুনিয়া থেকে মাইঠা বাজারের দূরত্ব প্রায় ৮ কি. মি.। তিনি এই অবৈধ হাট বন্ধে সরকারের উর্ধ্বতন কর্তা-ব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এ নিয়ে কথা বলতে গেলে কবিরুল মৃধা জানান, তিনি ইজার নিয়ে বৈধভাবে নতুন এই হাট বসিয়েছেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: অবৈধ গরুর হাটে রাজস্ব ফাঁকি
আরও পড়ুন