Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ০৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম

| প্রকাশের সময় : ৯ নভেম্বর, ২০১৮, ১২:০৫ এএম


প্রশ্ন: মুকীম কাযা নামাযের বেলায় মুসাফিরের ইকতিদা করতে পারবে কি?
উঃ হ্যাঁ, পারবে। তবে মুসাফির ওয়াক্ত চলে যাওয়ার পর মুকীমের পেছনে চার রাকাত বিশিষ্ট নামায আদায় করতে পারবে না। কারণ, ওয়াক্তের মধ্যে জামাআতের নামায পড়লে জামাআতে নামায পড়লে মুসাফিরের ওপর চার রাকাত পড়াই ফরয। ওয়াক্ত চলে যাওয়ার পর দুই রাকাতই পড়তে হবে।
প্রশ্ন: কেমন রোগী ফরয এবং ওয়াজিব নামায বসে পড়তে পারবে?
উঃ যে রোগী রোগ বেড়ে যাওয়া বা অতি দুর্বলতার কারণে দাঁড়িয়ে নামায পড়তে অক্ষম। রোগ যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাওয়া কিংবা আরোগ্য লাভে বিলম্ব হওয়ার আশংকা থাকলে এগুলোও অক্ষমতার কারণ হবে। তবে কোনো লোক যদি কোনো রকম দাঁড়াতে সক্ষম হয় তাহলে সে কোথাও হেলান দিয়ে হলেও সোজা হয়ে নামায পড়তে সচেষ্ট হবে।
প্রশ্ন: এক লোক দাঁড়াতে পারে কিন্তু রুকু সিজদাহ করতে অপারগ। সে কী করবে?
উঃ রুকু সিজদাহ করতে অপারগ রোগীর জন্যে দাঁড়ানোর চেয়ে বসে ইশারায় নামায আদায় করা উত্তম। (দুররে মুখতার)
প্রশ্ন: হেলান দিয়ে নামায আদায়ে সক্ষম রোগী কী শুয়ে নামায পড়তে পারবে?
উঃ না, তাকে কোথাও হেলান দিয়েই নামায পড়তে হবে।
প্রশ্ন: এক রোগী কোনো রকম বসতে পারে। রুকু সিজদাহ করতে পারে না, সে কীভাবে নামায পড়বে?
উঃ সে বসে ইশারায় নামায আদায় করবে। রুকুর চেয়ে সিজদাহর জন্য বেশি মাথা ঝুঁকাবে। রুকু এবং সিজদাহর মধ্যে পার্থক্য বুঝা না গেলে নামায শুদ্ধ হবে না।
প্রশ্ন: রোগী অথবা অন্তঃসত্তা মহিলা যদি কোনো উঁচু জিনিস যেমন, বালিশ, লেপ-তোষক ইত্যাদির ওপর সিজদাহ করে তাহলে তার নামায হবে কি?
উঃ হ্যাঁ, হবে। তবে শর্ত হলো, ওই জিনিসটি জমীনে থাকতে হবে। কারো হাতে ধরে রাখলে চলবে না।
প্রশ্ন: এক লোকের কপালে জখব বা ফোড়া কিন্তু নাক সুস্থ-স্বাভাবিক, সে কিভাবে সিজদাহ করবে?
উঃ তাকে শুধু নাক ব্যবহার করে সিজদাহ আদায় করতে হবে। -মুফতী ওয়ালীয়ুর রহমান খান



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর