Inqilab Logo

ঢাকা, রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ০২ পৌষ ১৪২৫, ৮ রবিউস সানী ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

ভ্যাট কমালে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে

আবুল কাসেম হায়দার | প্রকাশের সময় : ১২ নভেম্বর, ২০১৮, ১২:০২ এএম

যে কোনো দেশে প্রবৃদ্ধি উঠানামা করতেই পারে। তবে প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা রক্ষা করা রাষ্ট্রের মূল কাজ। স্বাভাবিক কারণেই সরকার সব সময় প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির চেষ্টা করে। প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির অর্থ হচ্ছে দেশ অর্থনীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের মানুষের জীবন মান প্রতি বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষের সুখের মাত্রা প্রতি বছর বাড়ছে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে প্রবৃদ্ধির বৃদ্ধির এই হারকে ধরে রাখা যায় না। বিশ্ব ব্যাংকও আগামী অর্থ বছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির হার ১ শতাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছে। চলতি অর্থবছরে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি হবে বলে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সরকার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ।

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশের মতো কমে যেতে পারে। বছর শেষে প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক। যদিও সরকার চলতি অর্থবছরে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ঠিক করেছে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ বছর সরকারের দেওয়া লক্ষ্য অনুযায়ী প্রবৃদ্ধি হবে না। বিশ্বব্যাংক বলছে, মেগা প্রকল্পের কারণে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ছে। কিন্তু ব্যবসার পরিবেশে উন্নতি না হওয়ায় বেসরকারি বিনিয়োগে তেমন উন্নতি হয়নি। চলতি বছর জিডিপি প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৭ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে অপর দাতা সংস্থা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। প্রবৃদ্ধিকে সংখ্যা দিয়ে বিবেচনা না করে গুণগত মান দিয়ে বিবেচনা করা উচিত। প্রবৃদ্ধির সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছে কি না সেটিই মুখ্য বিষয়।
বিশ্বব্যাংক মনে করে, বর্তমানে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে চার ধরনের চাপ আছে। এগুলো হলো খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি, বিদেশি অর্থায়নের ঘাটতি, তারল্য সঙ্কট এবং বাজেট ঘাটতি বৃদ্ধি। বিশ্বব্যাংক দীর্ঘ মেয়াদে চার খাতে অগ্রাধিকারের কথা বলেছে। এগুলো হলো, শিক্ষা, পুষ্টি ও স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়ন, নগরায়ন, জলাবদ্ধতা ও ঘনবসতি, মানসম্মত কর্মসংস্থান এবং পরিবেশ রক্ষা। উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় এই দীর্ঘমেয়াদী অগ্রাধিকারগুলো যেন হারিয়ে না যায়, সেই তাগিদ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংক আরও বলেছে, বেসরকারি বিনিয়োগ স্থবির হয়ে আছে। অর্থনীতিকে চাঙা রাখতে বিপুল বেসরকারি বিনিয়োগ দরকার। বড় অবকাঠামো তৈরিতে সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ আরও বাড়াতে হবে। প্রবাসী ও রফতানি আয় বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে। রাজস্ব আদায় বৃদ্ধিতে নতুন ভ্যাট আইনটি বাস্তবায়ন করা জরুরি। বিদ্যুতের লোড ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে কার্যকর করতে পারলে বছরে ১৬৫ কোটি ডলারের সমপরিমাণ তেলের দাম সাশ্রয় করা সম্ভব।
বাংলাদেশের রফতানি প্রধান প্রধান কয়েকটি বাজারের মধ্যে সীমিত থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি রোহিঙ্গা সঙ্কট মোকাবিলায় দাতাদের অর্থায়ন, আর্থিক খাতে সুশাসন বিশেষ করে খেলাপী ঋণ পরিস্থিতির উন্নতির তাগিদ দিয়েছে এই সংস্থাটি। বিশ্বব্যাংক বলছে, গত অর্থবছরে খেলাপী ঋণের পরিমাণ মোট ঋণের ১০ দশমিক ৪ শতাংশ। মোট খেলাপী ঋণের ৪৮ শতাংশই রাষ্ট্রমালিকানাধীন ছয় ব্যাংকের। ৪০টি বেসরকারি ব্যাংকের আছে ৪৪ শতাংশ খেলাপী ঋণ। বাজেট থেকে যেসব খাতে ভুর্তকি দেওয়া হচ্ছে তা প্রকৃত সুবিধাভোগীরা পাচ্ছে না। এছাড়া ছোট ছোট প্রকল্পে নামমাত্র বরাদ্দ দিয়ে প্রকল্প বাঁচিয়ে রাখা হয়। এতে খরচ ও সময় বাড়ে। রফতানি খাতে বড় সমস্যা হলো প্রযুক্তির উন্নয়ন কম হয়েছে। এছাড়া অর্থায়নের পাশাপাশি জমির সমস্যাও আছে। রফতানি খাতে বেশ কিছু পণ্যে ২০ বছর ধরে নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এখনো কেন তা দেওয়া হবে?
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালে দেশের ৪৭ শতাংশ জনগোষ্ঠির কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছানো সম্ভব হয়েছিল। ২০১৭ সালের তা বেড়ে ৮০ শতাংশে পৌঁছেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৩৪ গিগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা তৈরি হবে, যা বর্তমানে বাংলাদেশের উৎপাদনের যে সক্ষমতা আছে তার দ্বিগুণ। মূল প্রবন্ধের ওপর বিশেষ আলোচক ছিলেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান এবং বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর। এছাড়া বক্তব্য দেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান। চিমিয়াও ফান বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। বিশ্বের ১০টি দ্রুতগতির অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, যারা মানব উন্নয়নেও বেশ ভালো করছে। তিনি আরও বলেন, প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ব্যক্তি খাতের উদ্যোক্তাদের সহায়তা দিতে হবে। অর্থনীতিতে উদ্ভাবনী ও কাঠামোগত রূপান্তর লাগবে। এছাড়া বাংলাদেশকে শিক্ষা, দক্ষতা ও পুষ্টির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে বেশি মনোযোগী হতে হবে।
প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির উপায়:
১: বিশ্ব ব্যাংক দেশের প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা ধরে রাখার জন্য বেশ কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছে। দেশের ব্যাংকিং খাত খুবই খারাপ অবস্থায় উপনীত হয়েছে। সরকারি ব্যাংকসমূহ খেলাপী ঋণের পরিমাণ অতি অধিক। মূলধন ঘাটতি পূরণের জন্য সরকার প্রতি বছর সরকারি ব্যাংকসমূহে আমাদের কর থেকে আয়ের অর্থ দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে। অন্যদিকে বেসরকারি ব্যাংকসমূহের মধ্যে অনেকগুলো ব্যাংকের অবস্থা খুবই খারাপ। এই সকল ব্যাংকে খেলাপী ঋণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতি পরিকল্পিতভাবে ব্যাংক থেকে অর্থ লুট পাট হচ্ছে। বিদেশে পাচার হচ্ছে। অর্থ উদ্ধার করা হচ্ছে না। সঠিকভাবে বিচার বিবেচনা অনেক ক্ষেত্রে নেয়া হচ্ছে না। এইভাবে খেলাপী ঋণ বৃদ্ধির একটি নমুনা দেশে সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বব্যাংক তাই খেলাপী আদায়ের ক্ষেত্রে বিশেষ পদক্ষেপ নিতে বলেছে। তা না হলে দেশের প্রবৃদ্ধিতে নতুন করে ধারা তৈরি হবে। খেলাপী ঋণ সংস্কৃতি থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে। এই জন্য একজন সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকসমূহে রাজনৈতিক বিবেচনায় পরিচালক নিয়োগ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হবে। যোগ্য, দক্ষ, সৎ ও পেশাদার ব্যক্তিদের ব্যাংকের পরিচালক নিয়োগে শর্ত রাখতে হবে। ব্যাংকসমূহকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে নিয়ে আসতে হবে। অর্থ পাচার নিয়ন্ত্রণ থেকে সরকারি সকল ব্যাংককে বের করে আনতে হবে। ব্যাংকের খাতে আইনের সুশাসন কায়েম করা এই ক্ষেত্রে অধিক জরুরি।
২. আমরা শুধুমাত্র ৭৬ শতাংশ আয় শুধু পোশাক শিল্প খাতের উপর নির্ভর করে রফতানি কাজ পরিচালনা করছি। একটি খাতের উপর নির্ভরতা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। এক সময় পাট, চা, চামড়া, রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন বেশ ভালো অবস্থানে ছিল। বর্তমানে জনশক্তি রফতানি বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনে বেশ ভূমিকা রাখছে। তবুও দেশের রফতানি খাতকে আরও বেশি প্রসারিত করতে হবে। নতুন নতুন খাত সৃষ্টি করতে হবে। আমাদের বৈদেশিক মিশনগুলোকে রফতানি খাতে আরও বেশি নজর দিতে অনুপ্রাণিত করা উচিত। তৈরি পোশাক শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড ও ফরওয়ার্ড শিল্প খাতকে আরও বেশি সমৃদ্ধি, সম্প্রসারণ, উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। নতুন নতুন রফতানি খাত সৃষ্টি করতে হবে। এই জন্য সরকার ও বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
৩. পণ্যের গুণগতমান বৃদ্ধির জন্য সকলকে যত্মবান হতে হবে। তাতে মূল রফতানির আর্থিক মূল্য অনেক বৃদ্ধি পাবে। প্রবৃদ্ধির সংখ্যা বৃদ্ধির চেয়ে মানগত উন্নয়ন বেশি করার দিকে নজর দিতে হবে। আমরা এখনও কম দামী তৈরি পোশাক তৈরি করি ও রফতানি করি। বেশি মূল্যের তৈরি পোশাক তৈরি ও রফতানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি জরুরি।
৪. বিগত অর্থ বছরে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ টার্গেট পূরণ করতে পারেনি। বিশ্বব্যাংক চলতি অর্থবছরে বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতি নজর দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে। বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি ছাড়া কর্মসংস্থান বাড়বে না। আর বেসরকারি বিনিয়োগ না বাড়লে প্রবৃদ্ধিও বৃদ্ধি করা কঠিন হবে। বর্তমান সরকারের মেগা প্রকল্প প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি। সরকারের মেগা প্রকল্পের তুলনায় বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ তেমন নাই। এই ক্ষেত্রে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা জরুরি। দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা রয়েছে। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, সকল দলের অংশগ্রহণমূলক একটি জাতীয় নির্বাচন আমাদের দেশের অর্থনৈতিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে। দেশে বিদেশে সকল গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণযোগ্য, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। বিগত দিনগুলোতে দেশে বিদ্যুত, গ্যাস ও অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে বেসরকারি বিনিয়োগ হ্রাস পেয়েছে। সরকার এখন শতভাগ রফতানিমুখী শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক শিল্পাঞ্চলে উৎপাদনও শুরু হয়েছে। আগামীতে এই সকল শিল্পাঞ্চলে প্রয়োজনীয় গ্যাস, বিদ্যুৎসহ জ্বালানির সুব্যবস্থার ফলে বেসরকারি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। তাতে প্রবৃদ্ধিও বৃদ্ধি পাবে।
৫. নতুন ভ্যাট ও মূসক আইনের বাস্তবায়ন দ্রুত করা জরুরি। সরকার বিগত বাজেটে ভ্যাট ও মূসক আইন বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছিল। ব্যবসায়ীদের অনুরোধে, রাজনৈতিক কারণে সরকার ভ্যাট ও মূসক আইন বাস্তবায়ন দু’বছরের জন্য স্থগিত করেন। কিন্তু ভ্যাট বৃদ্ধি ও ভ্যাটের নতুন নতুন খাত বৃদ্ধি করা হয়েছে। কর ও ভ্যাটের অধিক চাপে ছোট ছোট ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এই দিকে কমপ্লাইনস ইস্যুতে ৪ শ’ তৈরি পোশাক শিল্প এই অর্থবছরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ভ্যাট বর্তমানে ১৫ শতাংশ করে চলেছে। ভ্যাট পরিমাণ কমিয়ে ৭ শতাংশে কমিয়ে আনা দরকার। তাতে অধিক সংখ্যক ব্যবসায়ী ভ্যাট প্রদানে আগ্রহী হবেন। ফলে ভ্যাটের টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। কম ভ্যাট ধার্য্য করে অধিক ভ্যাটের অর্থ আদায় শ্রেয়। ভ্যাট ও মূসকের পরিমাণ কমিয়ে দিলে তা বাস্তবায়নে ব্যবসায়ীগণ উৎসাহী হবেন। তাতে নতুন ভ্যাট ও মূসক আইন বাস্তবায়নে কোনো অসুবিধা হবে না। ফলে চলতি অর্থ বছরের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৮ শতাংশ অর্জনে সহজ হবে।
লেখক: সাবেক সহ সভাপতি এফবিসিসিআই, বিটিএমইএ, বিজিএমইএ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি, প্রতিষ্ঠতা চেয়ারম্যান ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর