Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২ রবিউস সানী ১৪৪০ হিজরী

সংবাদ প্রচারের ধরন বদল : কিছু কথা

আফতাব চৌধুরী | প্রকাশের সময় : ১২ নভেম্বর, ২০১৮, ১২:০২ এএম

সভ্যতার আদি যুগে সংবাদ প্রচারের মাধ্যম ছিল শিলালিপি, স্তম্ভলিপি, ছিল স্থাপত্য ও ভাস্কর্য। পুরাতত্ত্ববিদদের আবিস্কৃত বিভিন্ন সময়ের বস্তু সংগ্রহ থেকেই আমরা এর প্রমাণ পাই। সে সংবাদ প্রচারের ধারা ধীরে ধীরে উন্নীত হয়েছে। দূত মারফত সংবাদ পাঠানো, ঢোল পিটিয়ে সংবাদ প্রচারের কথা আমরা জানি। এছাড়াও ছিল দ্রুত খবর পাঠানোর জন্য সংবাদবাহক হিসাবে পায়রা। সে পদ্ধতির উন্নতি হতে হতে আজ এমন অবস্থায় এসে পৌঁছেছে যে, ঘরে বসে কোনো না কোনো ভাবে তৎক্ষণাৎ খবর পাওয়া অতি সহজ ব্যাপার। বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে সংবাদমাধ্যম এমন এক পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে যে, পৃথিবীর কোনো প্রান্তে ছোট্ট কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে তা মুহূর্তে কয়েক’শ কোটি মানুষের কাছে পৌছে যাচ্ছে। বর্তমান টেকনোলজিতে সংবাদ মাধ্যম যে আজ উন্নতির শিখরে পৌঁছে গেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
সংবাদ মাধ্যমকে যেমন- সংবাদপত্র, বেতার ও টেলিভিশন, যে কোনো দেশের মেরুদন্ড বললে ভুল বলা হবে না। যুগে যুগে জনজাগরণের কাজে ব্রতী হয়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় তৎকালীন সংবাদ মাধ্যমের অর্থাৎ পত্র-পত্রিকার ভূমিকা ছিল অপরিসীম। তখন টেলিভিশন মাধ্যমটি না থাকায় সংবাদপত্রই ছিল জনজাগরণের একমাত্র ধারক-বাহক। অনেক সংবাদপত্রের কর্মী তৎকালীন শাসক গোষ্ঠীর হাতে প্রহৃত হয়েছেন ও শাস্তি পেয়েছেন। তবু বন্ধ করা যায়নি তখনকার সংবাদ প্রচারের একমাত্র কার্যকর মাধ্যম সংবাদপত্রকে।
একজন নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করার একটি উপায় বা পথ বলে মেনে নেওয়া যেতে পারে সংবাদমাধ্যমকে। কারণ সংবাদ মাধ্যমই একমাত্র মাধ্যম যা নিরপেক্ষ বক্তব্য রাখে বলেই আমরা জানি। কিন্তু বর্তমানে দু-একটি প্রশ্ন ‘সাধারণ থেকে বুদ্ধিজীবী’ প্রত্যেকের মনেই নড়াচড়া করছে। তাহলে: এখনকার সংবাদ মাধ্যমগুলো কতখানি নিরপেক্ষতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা চিন্তা করে সংবাদ প্রচার করছে? ব্যবসায়িক দিক থেকে সফলতা আনতে গিয়ে অতিরিক্ত বিজ্ঞাপনকেন্দ্রিক হয়ে পড়া বিভিন্ন মাধ্যম সংবাদ প্রচারে কতটুকু সত্যতা বজায় রাখছে? প্রশ্নগুলো বেশ চিন্তাজনক।
আজকাল সংবাদ মাধ্যমের বিভিন্নতার শেষ নেই। সে প্রথম দূতের হাতে লাল কাপড়ে মোড়া চিঠি, ঢোল পেটানো, পায়রা দিয়ে প্রচারের যে মাত্রা শুরু হয়েছিল তা আজ এসে পৌঁছেছে ওয়েবসাইট পর্যন্ত। সংবাদ পরিবেশনের এমন সব মাধ্যম আজ রয়েছে যা সত্যিই চমৎকারিত্বে ভরপুর। সংবাদ প্রকাশের প্রথম ধারক হিসাবে সংবাদপত্র-পত্রিকার কথাই ধরা যাক। বর্তমানে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় একই খবরকে নানা রূপ দিয়ে সাজিয়ে গুছিয়ে পরিবেশন করা হয়। আর এ পরিবেশন কতটুকু রোচক করে তোলা যায় পরিবেশকের লক্ষ্য থাকে সেদিকেই। যেমন সব পত্র-পত্রিকায় একসঙ্গে একই সংবাদ ছাপা হলে সে সংবাদের আকষর্ণীয়তা বাড়াতে গিয়ে পরিবেশনার ধরন অনেক সময় এমন অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে যে, পাঠক মাত্রেরই সংবাদের হেডলাইন পড়ে আৎকে উঠতে হয়। পরে সংবাদের বিষয়বস্তু থেকে জানা যায়, তেমন কিছু নয়। যেমন, হেডলাইনে এলো: ‘পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে’। তখন হয়ত এ ভূমন্ডলের জনজীবনের অস্তিত্ব নিয়ে সচেতন থেকে সাধারণ মানুষের চিন্তিত হয়ে উঠাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। পরে জিজ্ঞাসু মন নিয়ে জানা যায়, বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি আমরা পরিবেশের দিকে নজর না দেই তবে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে একদিন। কথাটা সত্য, কিন্তু সংবাদকে আকর্ষণীয় রোচক করতে গিয়ে পাঠককে হেড লাইনের মাধ্যমে এক মানসিক অস্বস্তিতে ফেলে দেওয়া হয়। আরও আছে, কোনো এক ব্যক্তি সম্পর্কে পত্রিকার হেডলাইনে এলো, ‘উনার আবার বিয়ে হল’। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তিনি কি স্ত্রী রেখে আবার বিয়ে করলেন? না, দেখা গেল, উনি বিয়ের ২৫ বছর পুর্তি উপলক্ষে জয়ন্তী পালন করতে গিয়ে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান করেছেন। প্রশ্ন হল, এরকম হেডলাইন কি শুধুমাত্র পাঠককে আকর্ষণ করার জন্যই ব্যবহৃত হয়? এতে রোচকতার দিক বেশি নাকি ব্যবসায়িক দিক নিয়ে চিন্তা করা হয়? বিষয়টি চিন্তার। কারণ, অনেক সময়ই দেখা যায় রোচক করতে গিয়ে মুল সংবাদ বিকৃত হয়ে অন্য কিছু বেরিয়ে আসছে। ফলে পাঠকমনে বিভ্রান্তির সূচনা হচ্ছে। রোচক সংবাদের প্রয়োজন আছে সত্যি কিন্তু রোচক করতে গিয়ে সংবাদ যদি বিকৃত হয়ে যায় তবে তা কতখানি ঠিক?
অন্যদিকে নিরপেক্ষতার কথা যদি চিন্তা করা যায় তবে বর্তমানের সংবাদপত্রগুলো কতখানি নিরপেক্ষতা বজায় রেখে চলছে সে প্রশ্ন উঠতে পারে। কারণ আজকাল দেখা যাচ্ছে প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে কিছু পত্র-পত্রিকা রাজনৈতিক দল ঘেঁষা। এছাড়াও কিছু রাজনৈতিক দল নিজস্ব খবরের কাগজ প্রকাশ করে থাকে এবং দেখা যাচ্ছে, যে দলের কাগজ সে নিজের কথা প্রচার করতে গিয়ে অন্য দলগুলোর বদনাম সম্বন্ধীয় খবর পরিবেশন করছে। এ ধরনের কাগজের উদাহরণ অনেকই আছে। আরও আছে, কিছু খবরের কাগজ রয়েছে যেগুলোকে দেখলে বোঝা যায় এগুলো ভিন্ন মতে বিশ্বাসী। এখানেও সে একই পন্থা, দেখা যায়। ঐ বিশেষ পত্রিকাটি এমনভাবে সংবাদ পরিবেশন করছে যে, এটা পড়ে সমাজের একাংশ ব্যক্তিবিশেষের মধ্যে হয়ত উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে। কথা হচ্ছে, এ ধরনের সংবাদপত্রে উত্তেজনাপূর্ণ সংবাদ পরিবেশনের কতটুকু যৌক্তিকতা রয়েছে তা বোধহয় বিচার করা দরকার। আরও দেখা যায়, সময় সময় কোনো বিশেষ ব্যক্তিত্ব বা রাজনৈতিক নেতার এমন সব বক্তব্য সংবাদ মাধ্যমগুলো প্রচার করে যা একেবারেই বিকৃত হয়ে যায়। অথচ সেই ব্যক্তি বা নেতা এরকম কোনো মন্তব্য বা বক্তব্যই রাখেননি। এ ধরনের বিকৃত সংবাদ পরিবেশনে জনমনে যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়, এটা করা কি ঠিক?
বর্তমানে সংবাদ শুধু পত্র-পত্রিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বেতার মাধ্যম ছাড়াও টিভি, ইন্টারনেট প্রভৃতিতেও প্রচার করা হচ্ছে। এর মধ্যে টিভি দ্বারা সংবাদ প্রচার ধারাকে বর্তমানে বেশিরভাগ জনগণ প্রাথমিকতা দিচ্ছেন। আর এ সংবাদমাধ্যমও কোনো কমতি রাখতে রাজি নয়। টিভি মাধ্যমকে জনপ্রিয় করে তুলতে বিভিন্ন নিউজ চ্যানেল তাদের নিজস্ব প্রতিনিধিকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে মুহূর্তের মধ্যে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে তরতাজা খবর। প্রতিযোগিতা এমন বেড়ে গেছে যে, কে কার আগে সংবাদ প্রচার করবে তা নিয়ে দস্তুরমত হুড়োহুড়ি চলছে, এখানে হয়ত আধুনিক প্রযুক্তি-কৌশলই বেশি কাজ করে। তবে পরিবেশনের মাত্রা অনেক সময় এমন বেড়ে যায় যা থেকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
ঘটনাস্থলে গিয়ে সংবাদ প্রচার করার হিড়িক শুরু হয় উপসাগরীয় যুদ্ধে। উপসাগরীয় যুদ্ধে বাড়িতে বসে প্রায় সবাই- যুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শী হয়ে উঠেন। এতে টিভি সংবাদ মাধ্যমটি সকলের কাছেই ধন্যবাদের ‘পাত্র’ হয়ে উঠে এবং এরই ফলস^রূপ, পরের উপসাগরীয় যুদ্ধে সরকারি-বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমগুলোর প্রতিনিধিদের মেলা বসেছিল।
উপসাগরীয় দৃশ্য দেখানোর দৌড়ে কে কার আগে যাবে এ নিয়ে হুড়োহুড়ি কিছু মানসিক প্রতিক্রিয়াও ঘটিয়েছে মানুষের মনে। প্রতিটি ঘটনা, প্রতিটি তর্ক-বিতর্কের পক্ষে-বিপক্ষে জনসমর্থন থাকে তা অস্বীকার করা যায় না। ফলে যারা এ যুদ্ধের সমর্থন করেছেন তারা বলেছেন বেশ হয়েছে। যারা সমর্থন করেননি তারা নানা দেশে নানাভাবে ধিক্কার জানিয়েছে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এগুলো কিছুটা হলেও পরোক্ষভাবে সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের প্রতিফলন। কারণ একেবারেই অস্বীকার করা যায় না যে, কিছুটা অতিরঞ্জিত খবর পরিবেশনে অনেক কিছুই ঘটাতে পারে। যখন কোনও দুর্ঘটনা ঘটে বা মানুষের মৃতদেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে এদিক ওদিক থাকে তখন এর ছবি মাধ্যমগুলোতে (বিশেষত টিভি) এমনভাবে তুলে ধরা হয় যে মানুষের মনে আলোড়ন সৃষ্টি হয় এবং যা হওয়াটা স্বাভাবিক।
উপসাগরীয় অঞ্চলের ‘নায়কদের’ নিয়েও এক মজা চলছে। কখনও কোনো মাধ্যম বলছে, বেঁচে নেই। আবার কখনও কোনো মাধ্যম হঠাৎ করে টেপ, চিঠি, বক্তব্য জারি করে বিভিন্ন মহলকে ফেলে দিচ্ছে এক বিশেষ চিন্তার সাগরে। এগুলো সবই হয়ত মাধ্যমগুলোরই কারিশমা। এছাড়া প্রায় সময়ই সংসদে দেখা যাচ্ছে এমন সব ব্যবহার করছেন জনপ্রতিনিধিগণ যা মাধ্যমগুলোর কল্যাণে বিস্তারিতভাবে জনসমাজে বেরিয়ে আসছে। ফলে সমাজ জীবনে সৃষ্টি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া। নাম ও বাণিজ্যিক দিকের কথা চিন্তা করে টিভি মাধ্যম অনেক ক্ষেত্রেই যে একটু বেশিই বাড়াবাড়ি করছে তা মেনে নেয়া যায় না। তবে এ মাধ্যমটির অতিরিক্ত উন্নতির ফলে আজ আমরা ঘরে বসেই মুহূর্তের মধ্যে সব খবর পেয়ে যাচ্ছি একথাও অনস্বীকার্য। অন্যান্য সব ক্ষেত্রে মাধ্যমগুলোর প্রাধান্য ততটা হত বাঁধা হয়ে নাও দাঁড়াতে পারে, তবে যুদ্ধ ক্ষেত্রে মাধ্যমের এতখানি বাড়াবাড়ি কতটুকু যুক্তিযুক্ত?
এখন টিভি ছাড়াও রয়েছে ইন্টারনেট। এটি এমন এক মাধ্যম যার অবস্থা আরও জটিল। এখানে একজনের ধড় অন্যের মুন্ড নিয়েও প্রচার হতে পারে। কখনও কখনও শোনা যায়, কোনো ব্যক্তির নামে স্ক্যান্ডাল বেরিয়েছে ইন্টারনেটে। পরে সে ব্যক্তি বলছেন, ওটা আমার ছবি নয়, এটাকে মডিফিকেশন করা হয়েছে। এ এমন এক বিচিত্র খেলা, এমন সব ডটকম দিয়ে এ জাতীয় খবর বেরোয় যা নিয়ে সমাজে, প্রশাসনে হইচই পড়ে যায়। পরে প্রমাণিত হয়ত হয় বিষয়টি সাজানো, যা দিয়ে বেশ নাম কামিয়ে নিল ওয়েবসাইট। কিন্তু এতে করে সমাজ, প্রশাসন, ব্যক্তি বিশেষকে যে হয়রানি করা হল, এর দায় দায়িত্ব কার?
রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও আজকাল নিজেদের কর্মপ্রসার ও প্রচার বৃদ্ধির জন্য মিডিয়াকে নিয়ে চলেন। দেখা যায় প্রায় মিডিয়াই তাদের ভাল দিক তুলে ধরতেই চেষ্টা করছে, এরই নাম কি নিরপেক্ষতা? বর্তমানে টিভি মাধ্যমের কিছু কিছু চ্যানেল বলছে, আমরাই প্রথম, এ ঘটনার সম্প্রচার করেছি। কেউ বলছে, উপসাগরীয় যুদ্ধে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে আমরাই প্রথম সারিতে থেকে সংবাদ সংগ্রহ করে তা প্রচার করেছি। এ প্রতিযোগিতার মনোভাব থেকে একথাই স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, মাধ্যমগুলো সংবাদ প্রচার থেকে বেশি নাম ও বাণিজ্যিক দিকের কথাই ভাবছে।
পৃথিবীর প্রায় সব দেশের সংবাদ জগৎ এখন সংবাদ প্রচারের বাণিজ্যিক দৌড়ে এগিয়ে চলেছে। এ কথাও অনস্বীকার্য যে, সংবাদ এখন অনেক বেশি মাত্রায় অনেক তাড়াতাড়ি সমগ্র বিশ্বকে ছোট্ট করে শোবার ঘরে এনে দিয়েছে। তবে সত্যিকারের নিরপেক্ষ সংবাদ মাধ্যমকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হলেও লাগাম টানতে হবে। কারণ যে সংবাদ প্রচারে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ঘটে, উত্তেজনা বৃদ্ধি পায় এমন সব সংবাদ নাই-বা পরিবেশিত হল। যেসব বিকৃত সংবাদ জনমানসে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে, এর দায়দায়িত্ব কার উপর বর্তাবে?। তাই সংবাদ প্রচারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সংবাদ মাধ্যমই সে মাধ্যম যা রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা রাখে। তাই সংবাদ প্রচারে এ মাধ্যমটিরও নিরপেক্ষ, সুস্পষ্ট, রুচিসম্পন্ন সংবাদ প্রচারে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। নাকি ভুল বললাম?
লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।