Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৪ পৌষ ১৪২৫, ১০ রবিউস সানী ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

জার্মানি বাংলাদেশে অবাধ গণতন্ত্রের চর্চা দেখতে চায় : রাষ্ট্রদূত পিটার

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ থেকে : | প্রকাশের সময় : ১৫ নভেম্বর, ২০১৮, ১২:০২ এএম

বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানী রাষ্ট্রদূত পিটার ফাহরেনহোল্জ বলেছেন, জার্মানী বাংলাদেশে অবাধ গণতন্ত্রের চর্চা দেখতে চায়। সেজন্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহন মূলক নির্বাচন জরুরি। আগামী নির্বাচনে সব দল অংশ নেবে বলে আশা করছি। কোন রাজনৈতিক দলই নির্বাচনের বাইরে থাকবেনা। তবে জার্মানী কখনোই সহিংস কোন পথকেই গণতন্ত্রের চর্চা মনে করেনা।
মঙ্গলবার রাতে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, গত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্জন ব্যাপক। অর্থনৈতিক উন্নয়নে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। অচিরেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। তিনি বাংলাদেশর কাঠামোগত পরিবর্তনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন বাংলাদেশের উন্নয়ন বৃদ্ধিপাবে। জার্মানী বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী। আমরা বাংলাদেশকে জলবায়ূ পরিবর্তন, ইলেট্রনিক্স পাসপোর্ট, গুড গভার্নেসসহ বিভিন্নভাবে সহায়তা করছি। জামানী সব সময় বাংলাদেশের জনগণের সাথে আছে।
জার্মান রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, আমি বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য চর্চা করেছি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। বাঙ্গালী জাতির মহানায়কের স্মৃতিসৌধে এসে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।
এর আগে টুঙ্গিপাড়া পৌছে জার্মানী রাষ্ট্রদূত পিটার ফাহরেনহোল্জ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে তিনি বঙ্গবন্ধুর আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করেন। সন্ধ্যার পর জার্মানী রাষ্ট্রদূত টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধু ভবনে প্রবেশ করেন। সেখানে রক্ষিত পরিদর্শন বইতে তিনি মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও জাতীয় নেতা শের-ই-বাংলা এ.কে ফজলুল হকের নাতি এ.কে ফাইয়াজুল হক রাজু রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন।



 

Show all comments
  • Mohammed Shah Alam Khan ১৬ নভেম্বর, ২০১৮, ৮:৫৫ পিএম says : 0
    বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানী রাষ্ট্রদূত পিটার ফাহরেনহোল্জ বলেছেন, জার্মানী বাংলাদেশে অবাধ গণতন্ত্রের চর্চা দেখতে চায়। সেজন্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহন মূলক নির্বাচন জরুরি। তিনি আরো বলেন, গত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্জন ব্যাপক। অর্থনৈতিক উন্নয়নে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। অচিরেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। তিনি বাংলাদেশর কাঠামোগত পরিবর্তনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। রাষ্ট্রদূত কথা এতই পরিষ্কার যে, জার্মান বাংলাদেশকে নিয়ে কি ভাবেন সেটা তার কথায় ফুটে উঠেছে এবং তিনি কোথায় দাঁড়িয়ে এসব কথা বলেছেন সেটাও আমাদের বিবেচনায় নেয়া দরকার। আমরা দেশের উন্নয়ন এবং সার্বিক উন্নতী চাইলে আমাদেরকে আশে পাশের লোকদের কথার উপর গুরুত্ব দিতে হবে। তারা বাংলাদেশকে নিয়ে কিভাবে কাকে ভাল বলে কার সাথে তাদের সম্পর্ক ভাল সবই আমাদের বিচারে আনা প্রয়োজন। অন্তর্জাতিক শক্তিধর একটা রাষ্ট্র যখন বাংলাদেশের একটি বৃহত্তর দলকে সন্ত্রাসী দল হিসাবে পার্লামেন্ট পরে সেই দেশের সর্বউচ্চ আদালতে সন্ত্রাসী দল হিসাবে রায় দেয় এরপর পৃথেবীর কেহই তাকে সুনজরে দেখতে পারেনা এটা আমরা জানি। যদিও এখন আমরা দেখছি বিশ্বের একটি রাষ্ট্র তাদের পাশে আছে তার নিজেরাও জাতীগত ভাবে এখন প্রশ্ন বিধ্য রাষ্ট্র তাই তাদের হস্তক্ষেপে বাংলাদেশের সরকার কোন পরোয়া করনি এবং সামনেও করবে না এটাই সত্য। আমি মনে করি তাদের দেশ থেকে আমাদের দেশ বর্তমানে অনেক ভাল অবস্থানে আছে সেজন্যেই তারা সরাসরি তাদের পার্লামেন্ট থেকে মন্তব্য করেও কোন কিছুই করতে পারছে না।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ