Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৫ পৌষ ১৪২৫, ১১ রবিউস সানী ১৪৪০ হিজরী

নির্বাচন পেছানোর সিদ্ধান্ত ইসির সভায় : সচিব

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৫ নভেম্বর, ২০১৮, ১:২৫ এএম

নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেছেন, নির্বাচন জানুয়ারিতে হলে অনেক সমস্যা হবে। তবু নির্বাচন পেছানোর বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। কমিশন সভায় নিবার্চন পেছানোর বিষয়টি আলোচনা হবে, সেখানে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন ভবনে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচন কমিশন সচিব বলেন, নয়াপল্টনের বিষয় খতিয়ে দেখবে কমিশন।
এছাড়া বিএনপি‘র দলীয় কার্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ আচরণবিধি লঙ্ঘন নয়। তবে নয়াপল্টনে যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, সেটা কেন ঘটলো তা আমরা খতিয়ে দেখবেন বলে জানান তিনি। হেলাল উদ্দিন বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের বিষয়টি স্বাভাবিক, এটাকে আচরণবিধি লঙ্ঘন বলা যাবে না। আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রেও উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের চিত্র আমরা দেখেছি। নয়াপল্টনের ঘটনায় নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। আচরণবিধি লঙ্ঘন না হলে ইসি কী ধরনের ব্যবস্থা নেবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আমাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তারা ব্যবস্থা নেওয়া দাবি জানিয়েছে। আমরা পুলিশের কাছে জানতে চাইব- কেন এই সহিংসতা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন- এটা আচরণবিধি লঙ্ঘন কি না জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, আমরা দেখব এটা আচরণবিধি লঙ্ঘন কি না। আরেক প্রশ্নের জবাবে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিতরণের পরে এবং বিএনপি’র মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু হলে শো ডাউন না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বিষয়টা এমন না। দলীয় কার্যালয়ে নেতা-কর্মীরা উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবেন এটা স্বাভাবিক বিষয়। আমরা চিঠি দিয়েছি যেন ভবিষ্যতে তারা যখন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়ন ফরম জমা দেবেন- সেখানে যেন বড় ধরনের শো ডাউন না হয়। এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টায় ইসির সঙ্গে বৈঠক করেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পুনঃতফসিলসহ সামগ্রিক বিষয়ে আলোচনার জন্য ইসিতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপত্র এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ইসিকে প্রশ্ন করে বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন- এটা আচরণবিধি লঙ্ঘন কি না । তখন সিইসি বলেন, বিষয়টি আমরা দেখবো। ভোটের তারিখ ৩ সপ্তাহ পেছানোসহ ঐক্যফ্রন্টের দাবিগুলো নির্বাচন কমিশন বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে। তারা বলেছেন, তারা আলোচনা করে এ ব্যাপারে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন।'



 

Show all comments
  • Md Abdul Karim ১৫ নভেম্বর, ২০১৮, ১২:১১ পিএম says : 1
    পিছাইতে হবে
    Total Reply(0) Reply
  • Helal Masud ১৫ নভেম্বর, ২০১৮, ১:২১ এএম says : 2
    সিইসিকে যে আইন শেখালেন ড. কামাল..! সিইসি বলেন, ‘নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।’ ড.কামাল হোসেন তখন সিইসি’র কাছে জানতে চান, সংবিধানে কি রকম বাধ্যবাধকতা রয়েছে? জবাবে সিইসি বলেন, ২৮ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের সকল প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। ড. কামাল বলেন, ‘সংবিধান আমি প্রণয়ন করেছি। সংবিধান আমার রচনা। আপনি আমাকে সংবিধান শেখান? সংবিধানের মধ্যেই আছে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। কাজেই, ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন করলেও কোনো বাঁধা নেই।ড. কামাল বলেন, নির্ধারিত ৯০ দিন শুধুমাত্র জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়। উপ-নির্বাচন বা পুন: নির্বাচন ৯০ দিনের পরে করলেও কোনো সমস্যা নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি স্বাধীন দেশে সর্বপ্রথম অনুষ্ঠিত ১৯৭৩ এর নির্বাচন ও ১৯৯১ নির্বাচনের উদাহরণ দেন।
    Total Reply(0) Reply
  • Helal Masud ১৫ নভেম্বর, ২০১৮, ১:২১ এএম says : 2
    সিইসিকে যে আইন শেখালেন ড. কামাল..! সিইসি বলেন, ‘নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।’ ড.কামাল হোসেন তখন সিইসি’র কাছে জানতে চান, সংবিধানে কি রকম বাধ্যবাধকতা রয়েছে? জবাবে সিইসি বলেন, ২৮ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের সকল প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। ড. কামাল বলেন, ‘সংবিধান আমি প্রণয়ন করেছি। সংবিধান আমার রচনা। আপনি আমাকে সংবিধান শেখান? সংবিধানের মধ্যেই আছে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। কাজেই, ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন করলেও কোনো বাঁধা নেই।ড. কামাল বলেন, নির্ধারিত ৯০ দিন শুধুমাত্র জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়। উপ-নির্বাচন বা পুন: নির্বাচন ৯০ দিনের পরে করলেও কোনো সমস্যা নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি স্বাধীন দেশে সর্বপ্রথম অনুষ্ঠিত ১৯৭৩ এর নির্বাচন ও ১৯৯১ নির্বাচনের উদাহরণ দেন।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammad Alam ১৫ নভেম্বর, ২০১৮, ১:২৩ এএম says : 2
    নির্বাচন পেছালে পাতানো ভোট নেয়াতে ব্যাঘাত ঘটবে েতো তাই।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammad Mosharraf ১৫ নভেম্বর, ২০১৮, ১:২৪ এএম says : 2
    A fair election never possible under this EC.
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammad Mosharraf ১৫ নভেম্বর, ২০১৮, ১:৪৯ এএম says : 2
    ইসি আওয়ামীলীগের চেয়েও কড় লীগার।
    Total Reply(0) Reply
  • গাজী ১৫ নভেম্বর, ২০১৮, ১:৪৯ এএম says : 2
    নির্লজ্জ নির্বাচন কমিশন।
    Total Reply(0) Reply
  • Kazi anas ১৫ নভেম্বর, ২০১৮, ১:৫০ এএম says : 2
    ভোট পেছাতে সমস্যা কোথায়?
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Shah Alam Khan ১৫ নভেম্বর, ২০১৮, ৮:৩০ এএম says : 0
    নির্বাচন কমিশন এখানে জিম্মি কারন তাদের মহা ভুল হয়েছে সরকারি দল বলেছে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পেছাতে পারে এই কথায় প্রমাণ করে সরকারের ইচ্ছায় সিইসি নির্বাচনের তারিখ পিছিয়েছে। নির্বাচনের তারিখ ৭ দিন হঠাৎ করে পিছিয়ে দেয়ার করান আন্ধকার আছে। কাজেই সিইসি যেহেতু সরকারি দলকে প্রধান্য দিয়ে সময় ৭ দিন পছিয়েছে তখন কেন সিইসি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কথা কমপক্ষে আরো ৭ দিন পেছাবে?? সরকার বিরোধীরা তাদের জয় নিশ্চিত করতে নির্বাচনের তারিখ পেছাতে উদগ্রীব। এভাবে নির্বাচন কমিশন যদি খামখেয়ালী ভাবে কাজ করে তাহলে সরকারকে প্রশ্নের সম্মুখীন হতেই হবে এটাই সত্য। এখন দেখা যাক কিভাবে সিইসি এই সমস্যার সমাধান করে। তবে একটা কথা বলা প্রয়োজন সেটা হচ্ছে নির্বাচন কমিশনকেও অপশক্তিদের প্রতিহত করতে হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Islam ১৫ নভেম্বর, ২০১৮, ৯:০৬ এএম says : 0
    This EC is ....................
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ