Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৫ পৌষ ১৪২৫, ১১ রবিউস সানী ১৪৪০ হিজরী

দেশে ফিরেই অনুশীলনে মেয়েরা

স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৬ নভেম্বর, ২০১৮, ১২:০২ এএম

 অলিম্পিক নারী ফুটবলের বাছাই পর্বে চরম ব্যর্থ হলেও অভিজ্ঞতা অর্জন করেই দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা দল। এমনটাই মনে করেন বাংলাদেশ কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন। দেশের ফুটবলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেখানে ধারাবাহিক ব্যর্থতার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ পুরুষ জাতীয় দল, সেখানে নারী ফুটবলাররা একের পর এক সাফল্য বয়ে আনছে। লাল-সবুজের মেয়েরা গেল দু’বছরে বেশ ক’টি টুর্নামেন্টে সফলতা পেয়ে দেশের মান বাড়িয়েছে। বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ কিশোরী দল দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা পেয়েছে। শুধু মাত্র মায়ানমারে সদ্য সমাপ্ত অলিম্পিক নারী ফুটবলের এশিয়া অঞ্চলের বাছাই পর্বে ব্যর্থ হয়েছে লাল-সবুজের মেয়েরা। যে ব্যর্থতা দেশের নারী ফুটবলারদের অনেক কিছু শিখিয়েছে বলেই ধারণা কোচ ছোটনের। দীর্ঘদিন জয়ের ধারাবাহিকতায় থাকলেও মায়ানমারে বাংলাদেশের মেয়েরা কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি। এ ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে সামনের যে কোন টুর্নামেন্টে জয়ের বিকল্প নেই। আর সেটা করে দেখাতে হলে নিয়মিত অনুশীলনেই থাকতে হবে বাংলাদেশের নারী ফুটবলারদের। এ লক্ষ্যে বুধবার মায়ানমার থেকে দেশে ফিরেই পরদিন থেকেই অনুশীলন শুরু করেছে মেয়েরা।

গতকাল বিকেলে কোচ ছোটন মাঠে নেমে পড়েন শিষ্যদের নিয়ে। অনুশীলনের ফাঁকে তিনি বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছি মায়ানমারের টুর্নামেন্ট আমাদের জন্য অভিজ্ঞতা অর্জনের। অন্য দেশের মেয়েরা তুলনামূলক আমাদের চেয়ে বয়সে একদিকে ছিলো বড়, অন্যদিকে তাদের অভিজ্ঞতাও ছিলো বেশী। আমরা এখানেই পিছিয়ে অনেক।’

আগামী জানুয়ারীতে সাফ মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপের খেলা। এর আগে মায়ানমার ও ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের মেয়েদের বড় হার ভাবিয়ে তুলছে সংশ্লিষ্টদের। এই বিষয়ে কোচের কথা, ‘রাতারাতি বয়স ও অভিজ্ঞতা বাড়ানো সম্ভব না। ব্রাজিল বিশ্বকাপে জার্মানির কাছে ৭ গোল খেয়েছিল স্বাগতিকরা- এ রকম ঘটনা দু’য়েকবারই হয়। এটুকু বলতে পারি এ রকম বিপর্যয় আর হবে না ভবিষ্যতে।’ মায়ানমারের টুর্নামেন্ট থেকে প্রাপ্তি বলতে নেপাল ম্যাচকেই দেখছেন বাংলাদেশ কোচ ছোটন। তিনি বলেন ‘জাতীয় পর্যায়ে আমরা কখনো নেপালের বিপক্ষে পয়েন্ট পাইনি। এবার ভাগ্য সহায় থাকলে জিততেও পারতাম। আমাদের দু’টি আক্রমণ ক্রসবারে লেগে প্রতিহত হয়।’

দক্ষিণ এশিয়া জাতীয় দল পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিপক্ষ ভারত। সাফের বয়সভিত্তিক পর্যায়ে (অ-১৫ও অ-১৮) বাংলাদেশের মেয়েরা দু’বার চ্যাম্পিয়ন হলেও জাতীয় দলের সর্বোচ্চ সাফল্য রানার্সআপ। গত সাফের ফাইনালে ভারতের কাছে হারলে বাংলাদেশ জাতীয় দলের মেয়েদের দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে সেরার খেতাব জেতা হয়নি।

তবে আসন্ন সাফেও চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা বেশ কষ্টসাধ্য বলেই মনে করেন কোচ ছোটন। তার কথায়, ‘ভারত জাতীয় দলের বালা দেবী, কমলা দেবী অত্যন্ত অভিজ্ঞ ফুটবলার। তাদের সঙ্গে আমাদের মেয়েদের পার্থক্য অনেক। তবে এই দু’মাসে আমরা নিজেদের মান উন্নয়নের চেষ্টা করব। যাতে সাফে সেরার খেতাব জেতা যায়।’

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর