Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৩ রবিউস সানী ১৪৪০ হিজরী

‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ার মত পরিবেশ নেই’

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৬ নভেম্বর, ২০১৮, ৮:২৮ পিএম

বাম গণতান্ত্রিক ঐক্যের সমন্বয়ক ও বালাদেশের কমিউনিস্ট পাটি (মার্কসবাদী)-এর সভাপতি ডা. এম.এ সামাদ বলেছেন, অতীতে কোন দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি, সেই অভিজ্ঞতার আলোকে জনগণ মনে করে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনও সরকারের পাতানো নির্বাচন, সিট ভাগাভাগি আগেই হয়ে গেছে। এখন শুধু ঘোষণার বাকি আছে। তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন হলো ঠুটো জগন্নাথ সরকারের পক্ষপাতদুষ্ট। সরকারের এজেন্ড বাস্তবায়নের জন্যই কাজ করছে।

শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-এর ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও রুশবিপ্লবের ১০১তম বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও লাল পতাকা মিছিল অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এম এ সামাদ আরও বলেন, সকল বিরোধী দল নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিরোধীতা করলেও কোন দলের কথাই কর্ণপাত না করেই নির্বাচন কমিশন ইভিএম ব্যবহার করছে। বিরোধীপক্ষ নির্বাচন পেছানোর দাবি জানালেও নির্বাচন কমিশন সেই দাবির প্রতি ন্যূনতম সম্মান না দেখিয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন নির্বাচন পেছানো সম্ভব নয়। কাজেই সরকারের এই পাতানো নির্বাচনের ফাঁদে পা দেওয়ার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর ভেবে দেখা উচিৎ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটের অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে লড়াইয়ের কোন বিকল্প নেই। আমরা লড়াই চালিয়ে যাবো। অতীতে কোন স্বৈরশাসকই জোর করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে নাই বর্তমান শাসকরাও জনতার আন্দোলনের মুখে পরাজিত হবে।

তিনি আরো বলেন, ৪৭ বছর ধরে দেশে যে সরকারই এসেছে তারা দেশের সম্পদ লুটপাট করেছে, পাচার করেছে, ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র হরণ করেছে। কাজেই এদেশে সমাজতন্ত্র কায়েম করে মেহনতি মানুষের সরকার কায়েম করতে হবে। সে লক্ষ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)’র কমরেডগণকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকতে হবে।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)’র তরুণ নেতৃত্ব ইতিমধ্যে রাজনৈতিক মহল ও দেশবাসীর নিকট একটি সুসংগঠিত শক্তিশালী- মেহনতি মানুষের পক্ষের দল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের শরীক দল বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সম্পাদক কমরেড হারুন চৌধুরী, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, সোস্যালিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাহিদুর রহমান, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ডা. সামছুল আলম, বাংলাদেশের সমতা পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন, বাংলাদেশের শ্রমিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহম্মেদ প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে লাল পতাকা মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে পল্টন, বায়তুল মুকাররম হয়ে তোপখানা রোডের পার্টি অফিসের সামনে এসে শেষ হয়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ