Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৬ রবিউস সানী ১৪৪০ হিজরী

আশাশুনিতে বাধার মুখে বিদ্যুতের খুঁটি বসানো বন্ধ

আশাশুনি থেকে জি এম মুজিবুর রহমান | প্রকাশের সময় : ১৭ নভেম্বর, ২০১৮, ১২:০৫ এএম

সাতক্ষীরার আশাশুনি সদরের ধান্যহাটি গ্রামে বাধার কারণে পল্লীবিদ্যুৎ লাইনে খুঁটি বসান বন্ধ হয়ে আছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

সরকার যেখানে শতভাগ বিদ্যুৎ সংযোগ দ্রুত বাস্তবায়নে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। সেখানে ধান্যহাটিতে বিদ্যুৎ সংযোগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা সকলকে হতবাক করে দিয়েছে। ধান্যহাটি গ্রামে পাকা রাস্তা হতে মঙ্গল পরামানিকের দোকান ঘরের পাশ হতে মন্দিরের পাশ দিয়ে শিক্ষক মায়ারানীর বাড়ি পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগ সকল প্রকার জরিপ ও মাপজোক শেষে লাইন পাশ করে। ওই দোকানের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কাচা রাস্তার পাশ দিয়ে বিদ্যুৎ লাইন টানতে পাঁচটি খুঁটি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। লাইনটি টানা হলে ধান্যহাটি সার্বজনীন কালিমন্দির, এসডিএফ অফিস ও কিছু পরিবার বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় আসবে। কিন্তু মৃত জীবন পরামানিকের পুত্র মঙ্গল পরামানিক তার দোকানের পাশে পথের মুখে ঘেরাবেড়া দিয়ে বড় অংশ বন্ধ করে দিয়েছেন। সাথে সাথে বিদ্যুৎ খুঁটি পুততে দেবেননা বলে জানিয়ে দিয়েছেন। ফলে খুঁটি স্থাপনের কাজ বন্ধ রয়েছে। এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্টরা জানান, কালিমন্দির, এসডিএফ অফিসে যাতয়াত ও এলাকার মানুষের যাতয়াতের পথ ঐটি। এছাড়া একটি খুবই ব্যস্ত ডিপটিউব ওয়েলের পনি নিতে অসংখ্য মানুষ যাতয়াত করে থাকে, মিস্ত্রী পাড়ার ও পরামানিক পাড়ার অনেকগুলো পরিবার এই পথে যাতয়াত করে থাকে। সেই পথের মুখে ঘেরা বেড়া দেওয়া ও বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপনে বাধা দেওয়ার ঘটনা সকলে হতবাক করে দিয়েছে। মঙ্গল পরামানিক বলেন, পথটি সরকারি পথ নয়। পথের মুখে ঘেরা দিয়ে ছোট করে দিয়েছি। এই পথে বিদ্যুতের খুঁটি নেওয়া হলে তাদের সমস্যা হবে বলে তিনি দাবী করেন। এব্যাপারে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।