Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৬ রবিউস সানী ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

সউদী আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধে মার্কিন সিনেটে প্রস্তাব

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৭ নভেম্বর, ২০১৮, ১২:১৯ এএম

সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যা ও ইয়েমেন যুদ্ধের জেরে সউদী আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধে মার্কিন সিনেটে নতুন বিল এনেছেন রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটিক সিনেটররা। গত বৃহস্পতিবার ওই বিল আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই। বিলটি আইনে পরিণত হলে সউদী আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধের পাশাপাশি ইয়েমেন যুদ্ধে ব্যবহৃত সউদী বিমানে তেল সরবরাহও বন্ধ করবে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া ইয়েমেনে মানবিক সহায়তা দানে বাধাদানকারী ও ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের সমর্থকদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা যাবে।
নতুন বিলটির পক্ষে প্রচার চালাচ্ছেন তিন জন রিপাবলিকান ও তিনজন ডেমোক্র্যাট সিনেট সদস্য। এর অন্যতম ডেমোক্র্যাট সিনেট সদস্য বব মেনেনদেজ। সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির এই সদস্য বলেছেন, বৃহস্পতিবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন খাশোগি হত্যাকান্ডে সন্দেহভাজন ১৭ সউদী নাগরিকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও তা যথেষ্ট নয়। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, নিয়মিত ভুল করে যাওয়ার পর নিষেধাজ্ঞা, অস্ত্র বিক্রি ও তেল সরবরাহ বন্ধে আমাদের দাবিকে আরও জোরালো করে তুলেছে।
বিলটির আরেক প্রচারক রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বিবৃতিতে বলেছেন, ইয়েমেনে বিভিন্ন কর্মকান্ড ও জামাল খাশোগির হত্যার জন্য সউদী আরবকে দায়বদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় এই আইন। বিলটির পক্ষে প্রচার চালানো অপর দুই রিপাবলিকান সিনেটর হেলন টড ইয়াং ও সুসান কলিন্স। আর অপর দুই ডেমোক্র্যাট সদস্য হলেন জ্যাক রিড ও জেন শাহিন।
এর আগে ইয়েমেন যুদ্ধে ভূমিকা নিয়ে বাহরাইনের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধে সিনেটে বিল পাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্তও সেই আইন পাস করতে পারেনি সিনেট।
বিতর্কের পর সিনেটরদের ভোটাভুটিতে কোনও বিল কংগ্রেসের অনুমোদন পেলে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের পর তা যুক্তরাষ্ট্রের আইনে পরিণত হয়।
প্রসঙ্গত, সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যার জেরে সউদী আরবের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি বন্ধের দাবি জোরালো হয়ে উঠলেও তাতে সায় দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করে আসছেন, দেশটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আরও অনেক উপায় রয়েছে। অস্ত্র বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আত্মঘাতী হবে বলেও মনে করেন তিনি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ