Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৫ পৌষ ১৪২৫, ১১ রবিউস সানী ১৪৪০ হিজরী

পাবনা-৩ নির্বাচনী আসনে বিএনপি’র পুনরুদ্ধারের ও আ’লীগের দখলে রাখার লড়াই

পাবনা থেকে স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৮ নভেম্বর, ২০১৮, ৫:৪৩ পিএম

পাবনা -৩ নির্বাচনী এলাকা চাটমোহর ,ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত । ভোটার সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৪ লাখ । এই আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিএনপি ও আওয়ামীলীগ জোটের প্রায় এক ডজন প্রার্থী মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশায় দৌঁড়ঝাঁপের উপর রয়েছেন। বর্তমানে এই আসনে দুইবার নির্বাচিত এম.পি আওয়ামীলীগের মো: মকবুল হোসেন রয়েছেন। এই আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হতে ১৪ জন মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন । কেন্দ্রে লবিং ও দৌঁড়ঝাপ চলছে। বিএনপি’র মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন, সাবেক এম.পি কে.এম আনোয়ার হোসেনসহ ৭ জন। তাঁরা কেন্দ্রে চেষ্টা চালাচ্ছেন মনোনয়ন পাওয়ার জন্য । আওয়ামীলীগের মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন, বর্তমান এম.পি মো: মকবুল হোসেন, পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ মাষ্টার, পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা আ স ম আব্দুর রহিম পাকন, জেলা আ. লীগের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও ভাঙ্গুড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ বাকিবিল্লাহ, চাটমোহর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন সাখো, সাধারণ সম্পাদ মোঃ আঃ মালেক, পাবনা আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি এ্যাড. শাহ আলম, ফরিদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ খলিলুর রহমান, পৌর মেয়র কামরুজ্জামান মাজেদ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আলীম, সাবেক সহ-সম্পাদক মোঃ আতিকুর রহমান, ভাঙ্গুড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন, ফরিদপুরের আবুল কালাম আজাদ ও আলাউদ্দিন আজাদ।
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক এম.পি কেএম আনোয়ারুল ইসলাম, বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান ফখরুল আজম , পাবনা জেলা বিএনপি’র প্রথম যুগ্ম সম্পাদক এ্যাড. মাসুদ খন্দকার, চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ হাসাদুল ইসলাম হীরা, আলহাজ্ব মোঃ রাজিউল হাচান বাবু, জহুরুল ইসলাম বকুল, আরিফা সুলতানা রুমা ও আলহাজ্ব হাসানুল আসলাম রাজা। উভয় দলের প্রার্থীরা নিজেদের জন্য মাঠ গোছানোর পাশাপাশি কেন্দ্রে লবিং করছেন। এই আসনটি আগে একবার আওয়ামীলীগের দখলে ছিল। এম.পি ছিলেন, ওয়াজি উদ্দিন খান। পরে বিএনপি’র সাইফুল আজম সুজা (বিমান বাহিনীর ), এরপর আবার বিএনপি’র কেএম আনোয়ারুল ইসলাম এম.পি নির্বাচিত হন। এই আসনটি আওয়ামীলীগ তাদের দখলে রাখতে চাইছে, বিএনপি চাইছে পুনরুদ্ধার করতে । কার ভাগ্যে নৌকা ও ধানের শীষের প্রতীক আসবে তা খুব জোর দিয়ে বলা যায় না। তবে দলীয় হাইকান্ডদের একটি চিন্তা ভাবনা তো রয়েছে। কারণ এটি সরকার গঠনের নির্বাচন। আ’লীগ আসনটি হারাতে চাইবে না, জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের বিএনপি এই আসন পুনরুদ্ধার করতে চাইবে। সেক্ষেত্রে বিবেচনা করেই প্রাথী মনোনীত করা হবে বলে রাজনীতিক অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ