Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৫ পৌষ ১৪২৫, ১১ রবিউস সানী ১৪৪০ হিজরী

দলীয় প্রতীক পেতে মনোনয়নযুদ্ধে প্রার্থীরা

টাঙ্গাইলে ৮টি নাটোরে ৩টি কুমিল্লা-১০ ও গাজীপুর-৩ আসনে চলছে তুমুল লড়াই

অভ্যন্তরীণ ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৯ নভেম্বর, ২০১৮, ১২:০৩ এএম

টাঙ্গাইলে আ.লীগ থেকে ৭৪ জন, বিএনপি থেকে ৫০ ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের চারজন মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন। নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) ২০ প্রার্থী নিয়ে আ.লীগে সঙ্কট, নিঃসংশয়ে বিএনপি। নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে আ.লীগের ছয়জন এবং বিএনপির ১০ জন। নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনে আ.লীগের ১৭, বিএনপির চার, জাপার দুই ও জামায়াতে ইসলামীর দুইজন প্রার্থী। কুমিল্লা-১০ আসনে আ.লীগের দুই, বিএনপি-১৩ জনসহ মোট ১৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। গাজীপুর-৩ আসনে বিএনপিতে ডজন ছাড়িয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের সংবাদদাতাদের পাঠানো প্রতিবেদন-

টাঙ্গাইল থেকে আতাউর রহমান আজাদ জানান, টাঙ্গাইল-১ (ধনবাড়ী-মধুপুর) আসনে চারজন মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তারা হলেন- বর্তমান এমপি ও আ.লীগের সভাপতিমন্ডলীয় সদস্য ডা. আব্দুল রাজ্জাক মনোনয়নপত্র কিনেছেন, অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় আ.লীগের উপ-কমিটির সদস্য মাসুদ রানা এবং ব্যবসায়ী সবুজ তালুকদার।

টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসন থেকে ১৭ জন মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তারা হলেন- বর্তমান এমপি খন্দকার আসাদুজ্জামান, বর্তমান সংসদ সদস্যের ছেলে মশিউজ্জামান রোমেল, জেলা আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, জেলা আ.লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভীর হাসান ছোটমনি, গোপালপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, গোপালপুর উপজেলার আ.লীগের সাবেক সভাপতি খন্দকার গিয়াস উদ্দিন, ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুন নবী, বীর মুক্তিযোদ্ধার রফিকুল ইসলাম, হারুনুর রশীদ বীর প্রতিক, অ্যাডভোকেট শামসুল আলম, আ.লীগের কেন্দ্রীয় সাবেক নেতা রফিকুল ইলমাম মঞ্জু, ভূঞাপুর পৌরসভার মেয়র মাকসুদুল হক, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ, এ কে এম শহিদুর রহমান, আসলাম খান এবং সাঈদ চৌধুরী।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসন থেকে ১১ জন আ.লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তারা হলেন- বর্তমান সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি শিল্পপতি সৈয়দ আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ তুহিন, ঘাটাইল উপজেলা আ.লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শহিদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল জেলা আ.লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক, টাঙ্গাইলের পিপি অ্যাডভোকেট এস আকবার খান, তেজগাঁও কলেজের অধ্যাপক ড. অধীর চন্দ্র সরকার, সাবেক এমপি প্রয়াত ডা. মতিউর রহমানের ছেলে তানভীর রহমান, সোনালী ব্যাংকের পরিচালক মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুল আলম তালুকদার, সরকারি জিবিজি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ওয়াহেদ শরিফ সিদ্দিকী এবং বাংলাদেশ মহিলা আ.লীগের সহ-সভাপতি কোহিনূর হোসেন খান।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে পাঁচজন মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তারা হলেন- বর্তমান এমপি হাসান ইমান খান সোহেল হাজারি, কালিহাতী উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, টাঙ্গাইল জেলা আ.লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান হাসান, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক ও কেন্দ্রীয় আ.লীগ নেতা আবু নাসের এবং উপজেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি ব্যবসায়ী ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে আ.লীগের সাতজন মনোনয়নপত্র কিনেছেন। এ আসনের বর্তমান এমপি ছানোয়ার হোসেন মনোনয়নপত্র কিনেছেন। এ ছাড়া মনোনয়নপত্র কিনেছেন টাঙ্গাইলের সংরক্ষিত আসনের এমপি মনোয়ারা বেগম, টাঙ্গাইল মেয়র ও জেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরণ, জেলা আ.লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাহার আহমেদ, কেন্দ্রীয় মহিলা আ.লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক মেহের নীগার তন্ময়, কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির অর্থ ও পরিকল্পনা কমিটির সহসম্পাদক জিয়াউল আবেদীন এবং প্রয়াত আ.লীগের নেতা আব্দুল মান্নানের ছেলে আনিছুর রহমান শাহেদ।

টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর) আসন থেকে ১৩ জন মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তারা হলেন- তথ্য প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম, জেলা আ.লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক সভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটু, বর্তমান সংসদ সদস্য খন্দকার আবদুল বাতেন, উপজেলা আ.লীগের সভাপতি জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম, যুক্তরাজ্য আ.লীগ ও দেলদুয়ার উপজেলা আ.লীগের সদস্য ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় আ.লীগের সাবেক সহ-সম্পাদক তারেক শামস খান হিমু, জেলা আ.লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ইনসাফ আলী ওসমানী, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সহ-সভাপতি কাজী এ টি এম আনিসুর রহমান বুলবুল, নাগরপুর উপজেলা আ.লীগের সদস্য শেখ আব্দুর রহিম ইলিয়াস, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম প্রামানিক, কেন্দ্রীয় আ.মুক্তিযোদ্ধা লীগের সহ-সভাপতি হামিদুর রহমান ঝন্টু, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক খোরশেদ আলম বাবুল, দেলদুয়ার উপজেলা আ.লীগ নেতা মাহমুদ উল্লাহ লিলু।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসন থেকে ছয়জন মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তারা হলেন- স্থানীয় সংসদ সদস্য একাব্বর হোসেন, জেলা আ.লীগের কার্যনির্বাহীর সদস্য ও টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি খান আহমেদ শুভ এবং উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ওয়াহিদ ইকবাল, উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ, মেজর (অব.) খন্দকার আব্দুল হাফিজ, এবং মির্জাপুরের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ছালমা ছালাম উর্মি।

টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে আ.লীগের ১১ জন। তারা হলেন- স্থানীয় সংসদ সদস্য অনুপম শাহজাহান জয়, টাঙ্গাইল জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সখীপুর উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত সিকদার, অধ্যক্ষ সাঈদ আজাদ, বাংলাদেশ আ.লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক প্রকৌশশী আতাউল মাহমুদ, প্রকৌশলী আসাদুল হক তালুকদার, আ.লী নেতা জুয়েল সরকার, ডা. জুয়েল ও বাসাইল উপজেলা তাঁতী লীগের সভাপতি বদিউজ্জামান বিদ্যুত, জাতীয় শ্রমিক লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম খান, আ.লীগ নেতা সরকার মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান ফারুক।

এদিকে বিএনপি থেকে টাঙ্গাইলে আটটি আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন ৫০ জন।
টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে প্রার্থী পাঁচজন। তারা হলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, মধুপুর উপজেলা সভাপতি জাকির হোসেন সরকার, সাধারণ সম্পাদক সরকার শহীদুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ আলী, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ।

টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে বিএনপির আটজন তারা হলেন- গ্রেনেড হামলা মামলার ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামি কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু, অপর দুই ভাই যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন ও টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ শামসুল আলম তোফা, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, ভূঞাপুর উপজেলার বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল খালেক মন্ডল, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতা মো. আলম, স্বেচ্ছাসেবক দল টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম।
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) এ আসন থেকে বিএনপির তিনজন। এ আসন থেকে দলের ভাইস-চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ ও জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মাঈনুল ইসলাম ও অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (অ্যাব) যুগ্ম-মহাসচিব, প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ আবু হোসেন হিটলু।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে বিএনপির পাঁচজন। তারা হলেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য লুৎফর রহমান মতিন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শুকুর মাহমুদ, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাবেক যুগ্ম সম্পাদক বেনজীর আহসেদ টিটো, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম এবং মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি প্রকৌশলী বাদলুর রহমান বাদল।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির সাতজন। তারা হলেন- দলের উপদেষ্টা সাবেক মন্ত্রী মাহমুদুল হাসান, যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ শামসুল আলম তোফা, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, সহ-সভাপতি ছাইদুল হক, কেন্দ্রীয় সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আরিফুল হক প্রিন্স ও নির্বাহী সদস্য খন্দকার আহসান হাবিব।
টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে বিএনপির ১০ জন। তারা হলেন- সাবেক প্রতিমন্ত্রী গৌতম চক্রবর্তী, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য নুর মোহাম্মদ খান, ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রবিউল আওয়াল, জেলা বিএনপির সাবেক নির্বাহী সদস্য শরিফুল ইসলাম স্বপন, নাগরপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন, ব্যারিষ্টার শাহাদাত খান, অ্যাডভোকেট মো. রাহাত, নাগরপুর বিএনপির নেতা রফিক উদ্দিন খান আরজু, অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন, অ্যাডভোকেট নারগিন সুলতানা রেবেকা।
টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বিএনপির পাঁচজন। তারা হলেন- বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক, মির্জাপুর বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি (ঢাকায় নাশকতা মামলায় সম্প্রতি কারাগারে আটক) আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, নির্বাহী কমিটির সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসীন হল ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস সাঈদ সোহরাব, টাঙ্গাইল বিএনপি নেতা ও জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি ফিরোজ হায়দার খান, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মির্জাপুর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শিল্পপতি এ কে এম আজাদ স্বাধীন এবং মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদেক আহদে খান।
টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে বিএনপির সাতজন। তারা হলেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ওবায়দুল হক নাসির, কৃষি বিশ্বদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শেখ মোহাম্মদ শফি শাওন, সখীপুর বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ মোহাম্মদ হাবিব, বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জিয়াউল হক শাহিন এবং অ্যাডভোকেট ডা. রফিকুল ইসলাম মেহেদী।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে টাঙ্গাইলের আটটি আসনের মধ্যে পাঁচটি আসনে চারজন। দলীয় মনোনয়নপত্র কিনেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) ও টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসন থেকে।
অপর দিকে, টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে কাদের সিদ্দিকী ছাড়াও তার ছোটভাই আজাদ সিদ্দিকীও মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন।
এ ছাড়া দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার বীর প্রতীক টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর এবং জেলা শাখার সভাপতি রফিকুল ইসলাম টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী), টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর), টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) থেকে মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন।
নাটোর জেলা সংবাদদাতা জানান, নির্বাচনে নাটোর-২ আসনে আ.লীগ থেকে ২০ জন প্রার্থী ফরম তোলেছেন। অন্য দিকে, বিএনপি থেকে তিনজন প্রার্থী মনোনয়ন তুললেও সাবেক উপমন্ত্রী এবং জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু হেভিওয়েট প্রার্থী হওয়ায় মনোনয়ন দেয়া নিয়ে অনেকটাই নিঃসংশয়ে রয়েছে বিএনপি।

নাটোর-২ (নাটোর সদর-নলডাঙ্গা) আসনে নাটোর জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সংসদ সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম শিমুল, সহ-সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী আহাদ আলী সরকার, জেলা আ.লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শরিফুল ইসলাম রমজান, জেলার সহ-সভাপতি ও পৌরমেয়র উমা চৌধুরী জলি, জেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক শেখ, জজ কোর্টের পিপি এবং জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের সভাপতি বাসিরুর রহমান খান চৌধুরী এহিয়া, মহিলা আ.লীগের সভাপতি রত্মা আহমেদ, জেলা আ.লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট প্রসাদ কুমার তালুকদার বাচ্চা, থানা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল হক আনু, নলডাঙ্গা থানা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এস এম ফিরোজ, জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও জেলা আ.লীগের প্রচার সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন সাহা, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মো. সাইফুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান আসাদ, জেলা আ.লীগের দপ্তর সম্পাদক দীলিপ কুমার দাস, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সদস্য জাকারিয়া বুলবুল এবং জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান, জেলা আ.লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম হানিফ আলী শেখের ছেলে নজরুল ইসলাম ডন, দীঘাপতিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ওমর শরীফ চৌহান এবং পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাড. কামরুল ইসলাম।

অপর দিকে, বিএনপির মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন- কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক উপমন্ত্রী ও জেলা সভাপতি অ্যাড. এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, তার সহধর্মিণী জেলা সহ-সভাপতি সাবিনা ইয়াসমিন ছবি ও বহিষ্কৃত নেতা ও এনএস কলেজের সাবেক জিএস (বিএনপি মনোনিত) সুসাহান ইসলাম ডাব্বু।
তা ছাড়াও জাতীয় পার্টি থেকে প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জেলা সভাপতি সাবেক এমপি মো. মজিবর রহমান সেন্টু মনোনয়নপত্র তুলেছেন। এদিকে নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে আ.লীগ থেকে সিংড়া উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক, সিংড়া পৌর আ.লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, উপজেলা আ.লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও আ.লীগের সাবেক এমপি মরহুম আশরাফুল ইসলামের ছেলে অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম দুলু, জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শামসুল ইসলাম, সাবেক নেতা অধ্যাপক মোজাম্মেল হক এবং সিংড়া আ.লীগের সাবেক সভাপতি মরহুম শাজাহান আলীর ছেলে শরফরাজ নেওয়াজ বাবু।

বিএনপি থেকে সিংড়া উপজেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান মন্টু, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দাউদার মাহমুদ, জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো. ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহীন, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী, সিংড়া উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. শামীম হোসেন, সিংড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহীম খলিল ফটিক, সিংড়া উপজেলার সদস্য অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. নজরুল ইসলাম, মহিলা দলের ফাতেমা খানম, ছাত্রদল নেতা সজিব হোসেন দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন।

এ ছাড়া নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনে আ.লীগের দলীয় প্রার্থী ১৩ জন, বিএনপির চার, জাতীয় পাটির দুই এবং জামায়াত থেকে দুইজন। আ.লীগে মনোনয়ন চেয়েছেন জেলা আ.লীগের সভাপতি অধ্যাপক মো. আব্দুল কুদ্দুস এমপি, গুরুদাসপুর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরমেয়র মো. শাহনেওয়াজ আলী মোল্লা, জেলা আ.লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদেও চেয়ারম্যান ডা. মো. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী, রাবির সাবেক সভাপতি আহম্মদ আলী মোল্লা, কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের সহ-সভাপতি কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি, গুরুদাসপুর পৌর আ.লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জাহিদুল ইসলাম, হাইকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মঞ্জু, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো, আব্দুল ওহাব, কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সদস্য রতন সাহা, জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আরিফুল ইসলাম সরকার, জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট শাহজাহান কবির, বড়াইগ্রাম উপজেলা যুগ্ম সম্পাদক প্রভাষক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবলু। জাতীয় পার্টি থেকে জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক এমপি মো. আবুল কাশেম সরকার এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন মৃধা।

বিএনপি থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মো. মোজাম্মেল হক, গুরুদাসপুর উপজেলা সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আজিজ, বড়াইগ্রাম উপজেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল কাদের, হাইকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান নোমান। জামায়াতে ইসলামী থেকে নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন খাঁন এবং জামায়াত নেতা বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হাকিম মনোনয়ন চেয়েছেন।

নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট, সদরদক্ষিণ, লালমাই) আ.লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন এবং এনপিপি থেকে ১৮ জন দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আ.লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য ও পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও পঙ্কজ কুমার। বিএনপি থেকে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ আবদুল গফুর ভূঁইয়া, উপজেলা আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট হামিদুল হক ভূঁইয়া, যুক্তরাজ্য বিএনপির উপদেষ্টা সলিসিটর ইকরামুল হক মজুমদার, কেন্দ্রীয় বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, নজির আহম্মেদ ভূঁইয়া, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপি সেক্রেটারি মাহবুব আলম চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন ফারুক, খালেদা জিয়ার প্রেস উইং সদস্য শামছু উদ্দিন দিদার, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আলী আক্কাছ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহআলম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মাইন উদ্দিন ভূঁইয়া। জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী জামাল উদ্দিন, এনপিপি থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন এনপিপি ঢাকা মহানগর সভাপতি এম অহিদুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন যুব আন্দোলন কেন্দ্রীয় পরামর্শ সদস্য মাওলানা জামাল উদ্দিন।

শ্রীপুর (গাজীপুর) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, গাজীপুর-৩ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন, সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি মশিউর রহমান টিটু, ব্যারিস্টার জুয়েল, সাবেক স্থায়ী কমিটির সদস্য তানভীর আহমেদ সিদ্দিকীর ছেলে ইরাক আহমেদ সিদ্দিকী, উপজেলা সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান ডা. শফিকুল ইসলাম, ডা. আকবর আলী, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক, লেখিকা মর্জিনা আফসার রোজী প্রমুখ। অন্য দিকে জাপার কেন্দ্রীয় নেতা মোতাহার হোসেন মানিক। জাসদ থেকে প্রবীণ নেতা বাচ্চু মন্ডল মনোনয় ফরম নিয়েছেন।
বেতাগী (বরগুনা) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, জএসডির কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও বরগুনা উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউল কবির দুলু বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসন থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর