Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ০২ কার্তিক ১৪২৬, ১৮ সফর ১৪৪১ হিজরী

প্রধানমন্ত্রীর সাথে আবারও দেখা করলেন বি চৌধুরী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৩ নভেম্বর, ২০১৮, ১২:০৫ এএম

একাদশ সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের হয়ে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে গণভবনে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন বিকল্পধারা সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। গতকাল মঙ্গলবার রাত সোয়া ৮টার দিকে বি চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাড়ি গণভবনে ঢোকেন। তিনি একাই গেছেন বলে তার ছেলে মাহি বি চৌধুরী জানান।

সাবেক প্রেসিডেন্ট বি চৌধুরী নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের সঙ্গে জোট বেঁধে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে। তবে এই দুই দলের আসন সমঝোতার বিষয়ে এখনও কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
জিয়াউর রহমান বিএনপি গঠনের সময় তার মহাসচিব ছিলেন বদরুদ্দোজা চৌধুরী। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর প্রেসিডেন্ট হন তিনি। এরপর দলের কোন্দলে তাকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে বিকল্পধারা বাংলাদেশ নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন তিনি। ###

আত্মসম্মানহীন এক বীভৎস স্বৈরাচারে পরিণত হয়েছে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী - রিজভী
স্টাফ রিপোর্টার
আওয়ামী লীগ শাসকগোষ্ঠী আত্মসম্মানহীন এক বীভৎস স্বৈরাচারে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, এরা আইনের শাসনের শত্রæ বলেই তাদের বিরোধী শক্তিকে নির্ম‚লে আইন আদালতকে হুমকি দিয়ে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারের ইতিবাচক কোন পরিবর্তন ঘটেনি। সরকারের মনোভাব প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসাপরায়ণ বিরোধী দলের ওপর জুলুম, অত্যাচার, দমন-পীড়ন, মামলা-হামলা, গ্রেফতারের নারকীয় ঘটনা দিনকে দিন চরম দ‚র্বিষহ হয়ে উঠেছে। ওদের অনাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সম্ভাবনা দেখলেই তারা বিএনপিসহ বিরোধী দলের ওপর হিংস্র হয়ে ওঠে। আগামী নির্বাচনে ফাঁকা মাঠে গোল দেয়ার জন্যই তারা বানোয়াট মামলা, গ্রেফতার ও সাজা দিয়ে বিএনপি নেতৃবৃন্দকে কারাগারে আটকে রাখার পন্থা অবলম্বন করেছে। গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, সরকারের টিকে থাকার একমাত্র সহায় হচ্ছে-বিরোধী দলের প্রতিবাদকে নিষ্ঠুর বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দমন করা। ওরা বক্তব্য-বিবৃতির মাধ্যমে যা বলে তাতে সত্যের সকল অস্তিত্ব মুছে গিয়ে মিথ্যার দখল প্রতিষ্ঠিত হয়। এরা আইন-আদালত-প্রশাসনের ন্যায় নির্বাচন, গণতন্ত্র, ভোটকেও আওয়ামী মানদÐে সাজাচ্ছে। আর এই অপকর্মগুলো ঠিকমতো চলমান রাখতেই বাধা মনে করে আজ দেশের বিপুল জনপ্রিয় নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ সিনিয়র নেতৃবৃন্দকেও মিথ্যা মামলা ও সাজা দেয়ার অভিনব কৌশলে কারাগারে বন্দী করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করার জন্য সরকার সর্বনাশা খেলায় মেতে উঠেছে। জবরদস্তিমূলক একতরফা নির্বাচন করার জন্য বিএনপি’র ওপর সার্বিক আক্রমণ শুরু করেছে সরকার। সরকার বিএনপি’র অনুকুলে ব্যাপক জনসমর্থন দেখে দিশেহারা হয়ে তৃণমূল থেকে নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা ও তাদেরকে গ্রেফতারের হিড়িকের একপর্যায়ে এখন বিএনপি’র জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দদেরকে আটকানোর হীন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এরই অংশ হিসেবে বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দেয়ার পর তাঁকে বাসা থেকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে নিয়ে যায়।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ব্যারিস্টার রফিক গুরুতর অসুস্থ, নানা ব্যাধিতে আক্রান্ত। তিনি খুব সীমিতভাবে চলাফেরা করেন। এমতাবস্থায় তাঁকে সাজা দিয়ে কারাগারে আটক সরকারের কুৎসিত মনেরই বহিঃপ্রকাশ। সরকারের চক্রান্তে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দেয়ার ঘটনায় আমি তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। তিনি বলেন, আসলে সংলাপ, কথাবার্তায় শেখ হাসিনা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেটি ছিল মূলতঃ বিরোধী দল ও জনগণের প্রতি উপহাস।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বি চৌধুরী

৯ নভেম্বর, ২০১৮

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ