Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৬ জামাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী।

সরকার আমাকে নির্বাচন করতে দেবে না

টাঙ্গাইল-৮ ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী কুঁড়ি সিদ্দিকী

সখিপুর (টাঙ্গাইল) উপজেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ৪ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:০২ এএম

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তম বলেছেন, এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব না, হাসিনা আমাকে নির্বাচন করতে দেবে না। ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান আমার শত্রু ছিল, এখন হাসিনা আমার বড় শত্রু। গত রোববার রাতে সখিপুরে তার নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থকদের সামনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি টাঙ্গাইল-৮ আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে তার মেয়ে ব্যারিস্টার কুঁড়ি সিদ্দিকীর নাম ঘোষণা করেন। ওই আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা বীরপ্রতীক, উপজেলা বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ মোহাম্মদ হাবীব, উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আতোয়ার রহমান, সম্পাদক অধ্যাপক মীর জুলফিকার শামীম, কেন্দ্রীয় যুব আন্দোলন আহ্বায়ক হাবিবুন্নবী সোহেল প্রমূখ। উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে ব্যারিস্টার কুঁড়ি সিদ্দিকী বলেন, অতীতের নির্বাচনে আপনারা আমার বাবাকে সহযোগিতা করেছেন, আমাকেও সেভাবে সহযোগিতা করবেন। উপস্থিত নেতাকর্মীরা সবাই একত্রে হাত তুলে সমর্থন জানান এবং আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেন।



 

Show all comments
  • Mohammed Shah Alam Khan ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১১:১০ পিএম says : 0
    কাদের সিদ্দিকী সাহেবের কথা বার্তা কেমন যেন এলোমেলো হয়েগেছে। মানুষকে অতি দুঃখের সময় দেখা যায় তাদের কথার কোন সামজস্য থাকেনা মানে কথার মিল থাকেনা। এখানে কাদের মিয়ার তাই হয়েছে, তিনি কিছুদিন আগেই বলেছিলেন পাকিদের সময় ভাল ছিল বর্তমান সরকার পাকিদের চেয়েও খারাপ। কথাটা অবশ্য একদিক থেকে সঠিক বলেছেন কারন কাওমি জননী শেখ হাসিনা পাকিদের দোসরদের জন্যে খড়গ হস্ত কিন্তু বাঙালীদের জন্যে নিবেদিত প্রাণ। সেইদিক থেকে কাদের সাহেব যেহেতু পাকিদের পাচাটা গোলাম কাজেই তিনি বুঝতে পারছেন বিষয়টা। কাদের মিয়া সরকারের টাকা মেরে খেয়েছে, সরকারি কাজ না করেই সমস্ত বিল তুলে নিয়ে খেয়ে ফেলেছেন এরপর তিনি কিভাবে আশা করেন তার মনোনয়ন পত্র বাতীল হবে না??? এখন তিনি বলছেন মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানীরা তার শত্রু ছিল এখন হচ্ছে হাসিনা...... কাদের মিয়ার লজ্জাও লাগেনা যে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময়ে নদীতে যে হারে লুটপাট করেছে এবং রাজকারদেরকে ঘায়েল করে তাদের আস্ত্র কেড়ে নিয়ে আস্ত্রাগার বাড়িয়েছে, আবার পাকিদের ফেলে যাওয়া অস্ত্র নিয়ে ডাকাত দল তৈয়ার করে পরে তিনি হয়েগেলেন মুক্তিযোদ্ধাদের দল। ’৭১ সালে মিত্র বাহিনীর প্রশিক্ষন ও বাংলাদেশ সরকারের প্রণয়ন পত্রের মাধ্যমেই মুক্তিযোদ্ধাদেরকে চিহ্নিত করা হয়েছিল। সেই সময় কাদের বাহিনীকে কেহই মেনে নেয় নি মানে প্রত্যয়ন পত্র মিত্র বাহিনী বা বাংলাদেশের সরকার দেয়নি, ঠিক সেই সময় মমতার সাগর জাতীর পিতা তাকে বুকে নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে আজ আমাদেরকে (মুক্তিযোদ্ধাদেরকে) প্রশ্নের মুখে ফেলেছেন।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট

৬ জানুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ