Inqilab Logo

ঢাকা মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

ইসি ছাড়া আমাদের যাওয়ার জায়গা নেই : আলাল

বিএনপির নেতাকর্মীদের আটক-গ্রেফতার বন্ধে ইসিতে আবার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:০৩ এএম

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আস্থা নেই বলে রোজ রোজ অভিযোগ করা বিএনপি শেষ ভরসাস্থল হিসেবে দেখছে নির্বাচন কমিশনকেই। গণহারে গ্রেফতারের প্রতিকার পাওয়া এবং নির্বাচনে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবিতে নিত্যদিনই কমিশনে যাওয়া আসা এবং চিঠি চালাচালি চলছে দলটির পক্ষ থেকে। সর্বশেষ মনোনয়ন হারানো দলীয় প্রার্থীদের প্রার্থীতা ফেরানো সর্বোপরী বিএনপির কারাবন্দী চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্রার্থীতা ফিরে পেতে সেই ইসিরই দ্বারস্থ হয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতারা। অপেক্ষায় থাকছেন ইসির সুবিচারের আশায়। বিএনপি অবশ্য ইসির প্রতি নিজেদের আস্থার বিষয়টি স্বীকার করছে না। কোথাও যাওয়ার জায়গা না থাকায় ইসিতেই আসতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানান দলটির নেতারা। বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়েই বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
গতকাল বুধবার বিকেলে নির্বাচন ভবনে কমিশন সচিবের কাছে চিঠি জমা দেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। সাংবাদিকদের কাছে তিনি বলেন, আমরা সর্বশেষ সময় পর্যন্ত আশাবাদী যে, মুক্ত বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়েই আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। তিনি বলেন, যাদের প্রার্থীতা প্রাথমিক পর্যায়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক বাতিল বলে ঘোষিত হয়েছে। সেগুলো আপিলের যে কর্মকান্ড এখন চলছে। এ কর্মকান্ড বিস্তৃত করা হয়েছে আগামী ৮ তারিখ পর্যন্ত। আমাদের পক্ষ থেকে আমরা বলেছি এটা ৮ তারিখ পর্যন্ত না নিয়ে ৬ এবং ৭ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন করা যায় কি না। অথবা নির্বাচন কমিশনের নিজেরদের বিবেচনা প্রসূত কোনো পদ্ধতিতে অতিদ্রুত সম্পন্ন করে দিলে প্রার্থীদের জন্য মঙ্গলজনক হবে। কারণ ৯ তারিখ হচ্ছে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ৮ তারিখ ৫টা পর্যন্ত যদি এটি চলতে থাকে তাহলে অনেক ক্ষেত্রে এটি প্রার্থীদের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে একটি প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, গ্রেফতার ও হয়রানী বানিজ্য এখনো চলছে। বাম্পার ফলন যেভাবে হয়, সেভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও গ্রেফতারের বাম্পার ফলন শুরু করা হয়েছে। মঙ্গলবারও একজন মহিলা কমিশনারসহ কয়েকজন প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওইদিন কোম্পানীগঞ্জে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের গাড়িতে সশস্ত্র হামলা করা হয়েছে। সেটিও অবহিত করেছি এবং এই গ্রেফতার বানিজ্য বন্ধ করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত এবং জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য বলেছি।
মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে নিবন্ধিত ৮টি দল ছিল, বিএনপির প্রতীক ধানের শীষে যারা নির্বাচন করবে। পরবর্তীতে সেখানে ১১টি দল হয়েছে। সে সম্পর্কিত একটি চিঠি ইসিকে আমরা আগেই দিয়েছিলাম। সেই চিঠিটি আবার দিয়ে পুনরায় মনে করিয়ে দিয়েছি, যাতে নির্বাচন কমিশন যে প্রচন্ড কর্মযজ্ঞের মধ্যে আছেন, কোনো ধরণের ত্রুটির কারণে এ জিনিসটির মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি না হয়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: জাতীয় সংসদ নির্বাচন

৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন