Inqilab Logo

ঢাকা মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

প্রশ্ন : হারাম উপার্জনে জীবন যাপন করে নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত কবুল হবে কি না?

আক্তার আহমেদ
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:২৬ এএম

উত্তর : কোরআন ও হাদীস অনুযায়ী হারাম খাদ্যের দ্বারা গঠিত শরীর জান্নাতে প্রবেশ করবে না। হারাম উপার্জনে অর্জিত শক্তি সামর্থের দ্বারা কৃত কোনো ইবাদতই কবুল হবে না। তবে, ইবাদতের আদেশটুকু পালিত হবে। কবুল হবে না মানে সওয়াব বা প্রতিদান না পাওয়া। এরদ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত না পাওয়া। কিন্তু হারাম উপার্জনওয়ালা ব্যক্তির নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত মাফ নয়। বিধান হিসাবে পালন করতেই হবে। দায়মুক্তি হতে পারে। তবে, কবুল হবে না। এসব আমলের পাশাপাশি তাকে অবিলম্বে হারাম ত্যাগ করতে হবে। হালাল পথ ধরতে হবে। কবুল হবে না বলে ইবাদত ছেড়ে দেওয়া মানুষকে কুফুরীর পথে ঠেলে দেয়। কেননা, এতে সংশোধন না হয়ে বরং আল্লাহর হুকুমের সাথে বিদ্রোহের মনোভাব অথবা নৈরাশ্যের আলামত দেখা যায়।

সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতাওয়া বিশ্বকোষ।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • Ameen Munshi ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৩:৩৭ এএম says : 0
    পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মানবজাতি! পৃথিবীতে যা কিছু বৈধ ও পবিত্র খাদ্যবস্তু রয়েছে, তা থেকে তোমরা আহার করো।’ -সূরা বাকারা : ১৬৮ অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ! আমি তোমাদের যেসব পবিত্র বস্তুসামগ্রী রুজি হিসেবে দান করেছি, তা থেকে ভক্ষণ করো এবং আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা আদায় করো।’ -সূরা বাকারা : ১৭২
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Shah Alam Khan ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৩:৩৮ এএম says : 0
    আসুন, মাহে রমজানে ইহকালীন ও পারলৌকিক জীবনের ভয়ভীতি, শঙ্কা মাথায় রেখে সব ধরনের হারাম উপার্জন, সুদ-ঘুষসহ অবৈধ লেনদেন, লোভ-লালসা, অন্যায়-অপকর্ম ও যাবতীয় কৃপ্রবৃত্তি থেকে নিজেদের হেফাজত করি এবং নিজেদের জীবন সর্বতোভাবে সুখ-শান্তিময় করার আপ্রাণ চেষ্টা করি।
    Total Reply(0) Reply
  • Saiful Islam ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৩:৩৮ এএম says : 0
    ইসলাম ধর্মমতে সব ধরনের ইবাদত-বন্দেগি কবুল হওয়ার জন্য রিজিক হালাল হওয়া জরুরি। হালাল রিজিকের প্রভাব শুধু নিজের দুনিয়া ও আখেরাতের সৌভাগ্যের জন্যই যে জরুরি তা নয়, নিজের সন্তানের ওপরও এর প্রভাব থাকে। রুজি-রোজগারে খুব সামান্য...
    Total Reply(0) Reply
  • গাজী ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৩:৩৯ এএম says : 0
    ইসলাম ধর্মমতে সব ধরনের ইবাদত-বন্দেগি কবুল হওয়ার জন্য রিজিক হালাল হওয়া জরুরি। হালাল রিজিকের প্রভাব শুধু নিজের দুনিয়া ও আখেরাতের সৌভাগ্যের জন্যই যে জরুরি তা নয়, নিজের সন্তানের ওপরও এর প্রভাব থাকে। রুজি-রোজগারে খুব সামান্য, এমনকি বিন্দু পরিমাণ হারামের প্রভাব সন্তানের মাঝে প্রকাশ পায়।
    Total Reply(0) Reply
  • আরিয়ান রাসেল চৌধূরী ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৩:৪০ এএম says : 0
    আমাদের সন্তানরা ভালো থাকুক, এটা সবারই কাম্য। কিন্তু তাদের ভালো রাখতে যেয়ে, শান্তি নিশ্চিত করতে তাদের মুখে হারাম খাবার, গায়ে হারাম পোষাক দেওয়া ঠিক হবে না। এটা তাদের ভবিষ্যতকে ধ্বংস করারই নামান্তর।
    Total Reply(0) Reply
  • আমিন গাজী ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৩:৪১ এএম says : 0
    হালাল রুটি-রুজি ইবাদত কবুলের পূর্বশত। হালাল রুটি ও রুজি শুধু নিজের জন্য তা নয়, বরং পরিবারের সবার জন্য প্রযোজ্য। কারণ প্রতিটি খারাপ কর্মের প্রভাব শুধু নিজের ওপরই পড়ে না। তার প্রতিক্রিয়া পরিবার তথা সন্তান-সন্তুতির ওপরও পড়ে। সুতরাং নিজের হালাল উপার্জন দিয়ে জীবিকা অবলম্বন করার পাশাপাশি পরিবারকেও বিন্দু পরিমাণ হারাম ভক্ষণ থেকে হেফাজত করা কালেমায় বিশ্বাসী মুসলমানের ওপর ফরজ। আল্লাহ আমাদের হালাল রুজি করার তৌফিক দান কর।
    Total Reply(0) Reply
  • মোকাম্মল হোসেন ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৩:৪১ এএম says : 0
    হালাল রুটি ও রুজি ইবাদত কবুলের পূর্বশর্তই নয়। হালাল রুজি নিজের ও পরিবারের জন্য ফরজ। আল্লাহ তাআলা হালাল জীবিকা অন্বেষণের তাওফিক দান করুন। হালাল আয়-ইনকাম করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
    Total Reply(0) Reply
  • রিপন ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১০:১৭ এএম says : 0
    শুধু নামাজই ইসলাম নয়, এবং কেবল নামাজই ইসলামের একমাত্র ফরজ নয়, ইসলামে আরও অনেক ফরজ রয়েছে, ইসলাম কেবল নামাজসর্বস্ব জীবনবিধান নয় যে, কেবল নামাজ নিয়েই মাথা ঘামাতে হবে অন্য সব ফরজকে বাদ দিয়ে। ইহুদীবাদীদের প্রবর্তিত ডাকতভিত্তিক সুদী অর্থনীতিকে হটিয়ে দিয়ে সে জায়গায় প্রিয়নবীর (সা.) প্রবর্তিত জাকাত ভিত্তিক মানবতাবাদী ইসলামী অর্থনীতিকে প্রতিস্থাপিত করতে হবে। সময়ের সেইটিই সবচে' বড় ফরজ হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন, যদি আমরা আমাদের ইবাদত-মুনাজাতকে কবুল দেখতে আশা করে থাকি। নামাজ মুসলিমের একটি বৈশিষ্ট্য, সেসাথে মুসলিমের অপর বৈশিষ্ট্য হলো আমর বিন মারুফ নেহী আনিল মুনকার - সৎ কাজের আদেশ, অসৎ কাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ জারীকরণ এবং প্রয়োজনে সংঘবদ্ধভাবে সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিহতকরণ জারি রাখা। সম্মানিত পবিত্র বাণীতে প্রায়ই দেখা যায় নামাজকে এককভাবে উল্লেখ না করে জাকাতের সাথে উল্লেখ করা হয়েছে। আর আজ আমরা সেটি ভুলতেই বসে গেছি, যেখানে নামাজের কথা বলে বলে মুখে ফেনা গেঁজিয়ে ফেলছি, অথচ জাকাতের কথা সযতনে এড়িয়ে চলি, ভুলেও আলোচনা করতে চাই না জাকাতভিত্তিক অর্থনীতি কী উপায়ে কায়েম করা যায়। যেদিন নামাজের সাথে সাথে জাকাতও সমভাবে উচ্চারিত হবে মুসলিমদের মাঝে, সমাজে কায়েম হয়ে যাবে ও দু'টির উভয়টি, সেদিন ইসলামের শাশ্বত অনুপম সৌন্দর্য উপলব্ধি করতে পারবে নির্বিশেষে মুসলিম-অমুসলিম সবাই। জীবদ্দশায় যেন ওরকম একটি ইবাদত কবুল হওয়া সমাজব্যবস্থা দেখে যেতে পারি, ছোট্ট এই চাওয়াটুকুনই আমার, আল্লাহর কাছে।
    Total Reply(0) Reply
  • Maliha rahman ৩ নভেম্বর, ২০১৯, ৮:২২ এএম says : 0
    আস্ সালাম ওয়া লাইকুম। আমার ফ্যামিলি আমাকে সরকারি বিমা কর্মচারীর কাছে বিয়ে দিচ্ছে।আমি মানা করায় আমার বাবা মা অনেক কষ্ট পায়।আমি আগেও এই বিয়ে নিয়ে অনেকবার মানা করেছি।এবার বিয়ে অনেকটা ঘনিয়ে আসার পর আমি জানতে পারি তার ইনকাম হারাম।এই মূহুর্তে বিয়ে ভাংগা সম্ভব না। আমি জানতে চাচ্ছি বাধ্য হয়ে এখানে বিয়ে করলে কি আমার ইবাদাত কবুল হবে না??
    Total Reply(0) Reply
  • Md Riad ১৮ মে, ২০২০, ১০:০৬ এএম says : 0
    আমাও ৫০০ টাকা দিয়ে কিছু কিনতে বলা হয়েছে, আমি ৫০০ তাকার জিনিস ৩০০ টাকা দিয়ে কিনে ২০০ টাকা রেখ্বে দিয়েছি। আখন এই তাকা কি জায়েজ
    Total Reply(0) Reply
  • Akhter dewan ১৭ জুলাই, ২০২০, ৫:৪৩ পিএম says : 0
    একটি সুদ মুক্ত প্রতিষ্ঠান মুসলমানের কখনও ঋণ গ্রহণ করা উচিত নয়। তবে নিতান্ত ও কঠিন ধরনের ঠেকায় পড়ে গেলে অন্য কথা। আর এ অবস্থায় ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়লে তা শোধ করার মনোভাব প্রবল রাখতে হবে সব সময়। যে লোক অন্যদের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করল এবং তা আদায় করে দেয়ার মনোভাব রাখল, তার ঋণ আদায়ের ব্যবস্থা আল্লাহ্ তা’আলা করে দেবেন। আর যে লোক ঋণ গ্রহণ করে তা না দেয়ার বা নষ্ট করার মনোভাব নিয়ে, আল্লাহও তাঁকে বিনষ্ট করবেন। (বুখারী) কিছু শর্তের বিনিময়ে এখানে সুদবিহীন ঋণ প্রদান করা হয়। শর্তাবলী নিম্নরূপঃ ১/ নগদ টাকা গ্রহণের ক্ষেত্রে জামানত হিসাবে স্বর্ণ রাখতে হবে। ২/প্রতি ভরি স্বর্ণের জন্য ২০ হাজার টাকা প্রদান করা হবে। ৩/ঋণগ্রহীতা যদি কোন সুদি প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করে তাহলে তাকে শতকরা 5 টাকা হারে সুদ দিতে হতো কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতা যদি মনে করে সে লভ্যাংশ দেবে কি দেবে না সেটা তার ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে। ৪/মনে রাখতে হবে ইহা একটি প্রতিষ্ঠান,এর অনেক ব্যায় আছে। সেই ব্যায় ভার গ্রহককে বহন করতে হবে।তা না হলে প্রতিষ্ঠান বেশিদিন চলতে পারবেনা।যদি গ্রাহক লাভবান হয় তাহলে উক্ত লভ্যাংশ থেকে প্রতিষ্ঠানে একটা অংশ দিবেন। ৫/ঋণ গ্রহীতাকে অবশ্যই এক মাসের ভিতরে সমুদয় অর্থ ফেরত দিতে হবে। প্রয়োজনে একমাস পরে সে আবার উক্ত ঋণ রিনুয়াল করে পুনরায় নিতে পারবে। ৬/ঋন গ্রহীতা যদি উক্ত জামানত এর টাকা ফেরত দিতে ব্যার্থ হয় তাহলে তার জমাকৃত গহনা প্রচলিত বাজারদর যাচাই করে অন্যকোন খানে/ এই প্রতিষ্ঠানে বিক্রি করে আসল টাকা শোধ করবেন। এই ক্ষেত্রে ঋন গ্রহীতা যদি লভ্যাংশ দিতে না চায় তাহলে কোন আপত্তি থাকবে না। ৭/গ্রাহকের মালের সম্পূর্ণ নিশ্চয়তা এই প্রতিষ্ঠানের কোনো অবস্থাতেই যাতে গ্রাহকের মাল বিনষ্ট না হয় তার দেখভাল এই প্রতিষ্ঠান করবে। গ্রাহকের উপোকার করা আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। এইপদ্ধতি কি হালাল হবে জানতে চাই।
    Total Reply(0) Reply
  • আঞ্জিম ২২ অক্টোবর, ২০২০, ৭:১৪ পিএম says : 0
    ,যদি চুরির টাকা দিয়ে কেনা জিনিস খাই,বা চুরির টাকার জিনিস পরি,চুরির টাকার জিনিস ব্যবহার করি,চুরির টাকা দান করি,,,,,তবে কি গুনাহ হবে আর এই গুনাহ থেকে সরতে কি করতে হবে চুরির টাকার জিনিস কি করতে হবে???,,বিস্তারিত বলবেন,
    Total Reply(0) Reply
  • Tanim hossain ৩ নভেম্বর, ২০২০, ১১:৪৪ পিএম says : 0
    এক জনের টাকা না বলে খেলে চুরিতে ধরা খেয়ে টাকা ফেরত দিয়ে দিলে ঔই টাকা খাওয়া কি হারাম হবে
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রশ্ন:

১১ অক্টোবর, ২০১৮

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ