Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২ রবিউস সানী ১৪৪০ হিজরী

প্রার্থিতা পেলেন ৮১ জন

ইসিতে প্রথম দিনের আপিল শুনানি

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:০৫ এএম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে প্রার্থিতা বাতিলের হিড়িক পড়েছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলে মোট ৭৮৬জন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। এর মধ্যে বেছে বেছে বিএনপির ১৪১জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিল দলটির নেতারা। বিশেষ করে দলটির বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট ও জনপ্রিয় প্রার্থী বাতিল হওয়ায় সমালোচনাও চলছে সারাদেশে। সুযোগ থাকায় প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন প্রাথমিক বাছাইয়ে অবৈধ হওয়া প্রার্থীরা। এতেই প্রথম দিনের আপিল শুনানিতে কপাল খুলেছে ৮১ জন প্রার্থীর। বাতিলের মতো বৈধতা ফিরে পাওয়ার দিক দিয়েও বেশিরভাগই রাজপথের প্রধান বিরোধীদল বিএনপি ও তাদের জোট সঙ্গী ২০ দলের প্রার্থী। প্রথম দিনে যেভাবে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনেও ফিরে পেলে নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে কঠিন প্রার্থীদেরই মুখোমুখী হতে হবে বলে মনে করছেন অনেকেই। এতে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট এবং বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের মধ্যে জমজমাট লড়াই হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তারা।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র হিসেবে মোট তিন হাজার ৬৫জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। তাদের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ছিলেন দুই হাজার ৫৬৭জন। মনোনয়নপত্র জমা দেয়া প্রার্থীদের মধ্যে প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে ৭৮৬জনের মনোনয়নপত্র অবৈধ/বাতিল ঘোষণা করে সারাদেশের রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এর মধ্যে সর্বাধিক প্রার্থী ছিল স্বতন্ত্র ৩৮৪ জন। এর বাইরে বিএনপির ৬৯৬ জনের মধ্যে ৫৫৫ জনকে বৈধ এবং ১৪১জনকে অবৈধ ঘোষণা করে। বাতিল হওয়া প্রার্থীদের বেশিরভাগই দলটির হেভিওয়েট ও জনপ্রিয় বলে দাবি করেন বিএনপির নেতারা। এছাড়া ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ২৮১ জন মনোনয়নপত্র জমা দিলেও বাতিল হয় মাত্র ৩জনের। জাতীয় পার্টির ২৩৩ প্রার্থীর মধ্যে ৩৮ জনের বাতিল ও বৈধ হয় ১৯৫জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র। প্রাথমিক বাছাইয়ে বাতিল হওয়া বা সংক্ষুব্ধ থাকা প্রার্থীদের আপিলের সুযোগ ছিল ৩-৫ ডিসেম্বর। ৭৮৬জন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হলেও নির্ধারিত সময়ে প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে ৫৪৩জন। তাদের আপিলের শুনানি শুরু হয়েছে গতকাল থেকে। বৃহস্পতিবার আপিল শুনানির প্রথম দিনে ১৬০জন প্রার্থীর মধ্যে ৮১জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। আর চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়েছে ৭৪জনের প্রার্থিতা। পেন্ডিং ছিল ৩জনের এবং ২জন অনুপস্থিত থাকায় তাদের আপিল শুনানি হয়নি। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের অস্থায়ী এজলাসে এ শুনানি শুরু হয়ে শেষ হয় সন্ধ্যা ৬টায়। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী এ আপিল শুনানি করেছেন। এজলাসে ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদও উপস্থিত ছিলেন।
প্রার্থিতা ফিরে পেলেন যারা: সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী নবাব মো. শামছুল হুদার আপিলের মাধ্যমে শুনানি শুরু হয়। আপিলেও তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। এরপর আপিল আবেদনের ক্রম অনুযায়ী একে একে গ্রার্থীদের শুনানি গ্রহণ করা হয়। দ্বিতীয় নম্বরে থাকা বগুড়া-৭ আসনে বিএনপি প্রার্থী মোরশেদ মিল্টন। এই আসনে বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হলেও তা বাতিল করে দিয়েছে। একইসাথে বিএনপির অন্যান্য প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল করায় দলটির প্রার্থী শূণ্য হয়ে পড়েছিল আসনটি। পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী গোলাম মওলা রনিরও মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আরও যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে তারা হলেন- ঢাকা-২০ আসনে বিএনপির মো. তমিজ উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, চাপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে তৈয়ব আলি, ঝিনাইদহ-২ আসনে বিএনপির আব্দুল মজিদ, ঢাকা-১ আসনে বিএনপির খন্দকার আবু আশফাক, জামালপুর-৪ আসনে ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির মোহাম্মদ শাহজাহান, পটুয়াখালী-১ আসনে মো. সুমন সন্যামত, মাদারীপুর-১ আসনে জহিরুল ইসলাম মিন্টু, সিলেট-৩ আসনে আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, জয়পুরহাট-১ আসনে ফজলুর রহমান, পাবনা-৩ আসনে হাসাদুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ-২ আসনে আবিদুর রহমান খান, নাটোর-১ আসনে বীরেন্দ্রনাথ সাহা, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে আয়নাল হক, গাজীপুর-২ আসনে মাহবুব আলম, গাজীপুর-২ আসনে জয়নাল আবেদীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে জেসমিন নূর বেবী, রংপুর-৪ আসনে মোস্তফা সেলিম, খুলনা-৬ আসনে এসএম শফিকুল আলম, হবিগঞ্জ-২ আসনে মো. জাকির হোসেন, হবিগঞ্জ-১ আসনে জুবায়ের আহমেদ, ময়মনসিংহ-৭ আসনে জয়নাল আবেদীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে আবদুল্লাহ আল হেলাল, ময়মনসিংহ-২ আসনে মো. আবু বকর সিদ্দিক, শেরপুর-২ আসনে এ কে মুখলেসুর রহমান, হবিগঞ্জ-৪ আসনে মাওলানা মোহাম্মদ সোলায়মান খান রাব্বানী, নাটোর-৪ আসনে আলাউদ্দিন মৃধা, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মো. ইউনুছ আলী, বরিশাল-২ আসনে আনিচুজ্জামান, ঢাকা-৫ আসনে মোঃ সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৩ আসনে কে এম মুজিবুল হক, মানিকগঞ্জ-১ আসনে মো. তোজাম্মেল হক, সিলেট-৫ আসনে ফয়জুল মনির চৌধুরী, ময়মনসিংহ-৩ আসনে আহম্মদ তাইবুর রহমান, ঝিনাইদহ-৪ আসনে আব্দুল মান্নান, ব্রাহ্মবাড়িয়া-৩ আসনে সৈয়দ আনোর আহমদ লিটন, ব্রা²বাড়িয়া-৫ আসনে মো. মামুনুর রশিদ, ব্রাহ্মবাড়িয়া-২ আসনে আবু আসিফ, ঢাকা-১৪ আসনে মো. জাকির হোসেন, পঞ্চগড়-২ আসনে মো. ফরহাদ হোসেন, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে মো. আতাউর রহমান, ময়মনসিংহ-৮ আসনে এম এ বাশার, ঢাকা-১৪ আসনে সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে আব্দুল খালেক, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মো. মাহফুজার রহমান, চট্টগ্রাম-১ আসনে নূরুল আমিন, ব্রাহ্মবাড়িয়া-২ আসনে মুখলেসুর রহমান, ল²ীপুর-১ আসনে মো. মাহবুব আলম, কুমিল্লা- ৫ আসনে মো. ইউনুছ, চাঁদপুর-৫ আসনে মো. নেয়ামুল বশির, বরিশাল-২ আসনে মোয়াজ্জেম হোসেন, চট্টগ্রাম-৩ আসনে মোস্তফা কামাল পাশা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ মো. আশরাফ উদ্দিন, রংপুর-১ আসনে মো. আসাদুজ্জামান, গাইবান্ধা-৩ আসনে মো. আবু জাফর, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে শাহ আলম, গাইবান্ধা-৩ আসনে মো. রফিকুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৫ আসনে মো. নাজিবুল ইসলাম (শর্ত সাপেক্ষে), যশোর-৬ আসনে সাইদুজ্জামান, নড়াইল-২ আসনে ফকির শওকত আলী, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে ফকির শওকত আলী, নাটোর-৪ আসনে আব্দুল আজিজ, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে এম এ মুহিত, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে আব্দুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে মেজর (অব.) মনজুর কাদের, বগুড়া-৫ আসনে মো. আব্দুর রউফ মন্ডল জন, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে মো. হাবিবুর রহমান, বগুড়া-২ আসনে শফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৬ আসনে মোহাম্মদ ফয়সাল বিন, রাজশাহী-১ আসনে মো. আমিনুল হক, দিনাজপুর-১ আসনে মোহাম্মদ হানিফ, গাইবান্ধা-৩ আসনে আমিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৮ আসনে এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-১০ আসনে মো. আনিছুর রহমান, গাইবান্ধা-৪ আসনে আব্দুর রহিম সরকার, কুমিল্লা-১১ আসনে মো. তাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৬ আসনে মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৯ আসনে মোহাম্মদ দুলাল খান, ঝিনাইদহ-৩ আসনে মো. কামরুজ্জামান স্বাধীন।
বাতিল হলো যাদের : প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের পর আপিলেও ৭৪জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন- নাটোর-২ আসনে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, চাপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে নবাব মো. শামসুল হুদা, খাগড়াছড়ির আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়া, চট্টগ্রাম-৫ আসনের মীর মোহাম্মদ নাছির, ঝিনাইদহ-১ আসনে আবদুল ওহাব, সাতক্ষীরা-২ আসনে আফসার আলি, মাদারীপুর-৩ আসনে মো. আবদুল খালেক, দিনাজপুর-২ আসনে মোকারম হোসেন, দিনাজপুর-৩ আসনে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-১ আসনে মো. পারভেজ হোসেন, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে এস এম খলিলুর রহমান, ফেনী-১ আসনে মিজানুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে ড. মিজানুল হক, ময়মনসিংহ-৪ আসনে আবু সাইদ মহিউদ্দিন, নেত্রকোনা-১ আসনে মো. নজরুল ইসলাম, পঞ্চগড়-১ আসনে মো. তৌহিদুল ইসলাম, ময়মনসিংহ-২ আসনে মো. এমদাদুল হক, খুলনা-২ এস এম এরশাদুজ্জামান, ঢাকা-১ মো. আসনে আইয়ুব খান, বগুড়া-৩ আসনে মো. আব্দুল মুহিত, বগুড়া-৬ আসনে এ কে এম মাহবুবুর রহমান, রাঙামাটির অমর কুমার দে, বগুড়া-৪ আসনে আশরাফুল হোসেন আলমের (হিরো আলম), ঢাকা-১৪ আসনে সাইফুদ্দিন আহমেদ, সাতক্ষীরা-১ আসনে এস এম মুজিবর রহমান, ব্রাহ্মবাড়িয়া-৩ আসনে মো. বশির উল্লাহ, নওগাঁ-৪ আসনে মো. আফজাল হোসেন, মৌলভীবাজার-২ আসনে মহিবুল কাদির চৌধুরী, ফেনী-৩ আসনে হাসান আহমদ, ময়মনসিংহ-১০ আসনে মো. হাবিবুল্লাহ, জামালপুর-৪ আসনে মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ, বগুড়া-২ আসনে আব্দুল কাশেম, নীলফামারী-৪ আসনে মো. আমজাদ হোসেন, নীলফামারী-৩ আসনে মো. ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে আখতার হোসেন, ল²ীপুর-২ আসনে আবুল ফয়েজ ভূইয়া, কুমিল্লা-১০ আসনে আবুল কালাম আজাদ, কুমিল্লা-২ আসনে মো. সারওয়ার হোসেন, কুমিল্লা- ৪ আসনে মাহবুবুল আলম, নোয়াখালী-৩ আসনে এইচ আর এম সাইফুল ইসলাম, ফেনী-১ আসনে মো. নূর আহমদ মজুমদার, গাইবান্ধা-২ আসনে মো. মকদুবর রহমান, লালমনিরহাট-১ আসনে আবু হেনা মো. এরশাদ হোসেন, গাইবান্ধা-৩ আসনে মো. মনজুরুল হক, নীলফামারী-৪ আসনে আখতার হোসেন বাদল, লালমনিরহাট-৪ আসনে মো. জাহাঙ্গীর আলম, নীলফামারী-৪ আসনে মিনহাজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মো. আবুল হাশেম, রংপুর-৫ আসনে মমতাজ হোসেন, কুড়িগ্রাম-১ আসনে মো. ওসমান গণি, বাগেরহাট-৪ আসনে আমিনুল ইসলাম, মাগুরা-২ আসনে খন্দকার মেহেদী আল মাসুদ, যশোর-২ আসনে সাবিরা সুলতানা, নড়াইল-১ আসনে শিকদার মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, যশোর-২ আসনে হাজী মোহাম্মদ মহিদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা-১ আসনে শেখ মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, বগুড়া-৭ আসনে মো. সরকার বাদল, সিরাজগঞ্জ-২ আসনে ইকবাল হাসান মাহমুদ, বগুড়া-৪ আসনে অধ্যাপক মো. জাহিদুর রহমান, নওগাঁ-২ আসনে আব্দুর রউফ মান্নান, নওগাঁ-৫ আসনে মো. নজমুল হক, বগুড়া-৭ আসনে মো. আব্দুর রাজ্জাক, নাটোর-৪ আসনে ডিএম রনি পারভেজ আলম, নাটোর-৪ আসনে শান্তি রিবারু, সিরাজগঞ্জ- ৩ আসনে সাইফুল ইসলাম শিশির, দিনাজপুর-৪ আসনে হাফিজুর রহমান সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে নজরুল ইসলাম ভূইয়া, কুমিল্লা-৫ আসনে মো. শাহ আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে মুশফিকুর রহমান, বান্দরবান-৩ আসনে মো. বকুল হোসেন, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মো. আবিদ আলভী। এছাড়াও অপেক্ষমান রয়েছেন- কুড়িগ্রাম-৪ আসনে ইমান আলি ও চট্টগ্রাম-৯ আসনে মো. সামসুল আলম। আজ ও আগামীকালও চলবে আপিল শুনানি। প্রথম দিন আপিলের ক্রমিক নম্বর ১ থেকে ১৬০ নম্বর পর্যন্ত শুনানি হয়। আজ শুক্রবার ১৬১ থেকে ৩১০ নম্বর পর্যন্ত আপিল শুনানি হবে। আগামীকাল শনিবার বাকি সব আবেদন শুনানি শেষ হবে।

জাপা পাচ্ছে ৩৬ আসন
অবশেষে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটর শরিক জাতীয় পার্টিকে (এরশাদ) ৩৬টি আসনে ছাড় দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। গতকাল থেকে মহাজোটের চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি দেয়া শুরু করে আওয়ামী লীগ। আজ শুক্রবারের মধ্যেই শরিক দলগুলোকে আসনের চিঠি দেয়ার কাজ শেষ হবে। এর মধ্যে শরিক জাতীয় পার্টিকে ৩৬টি আসন দেয়া হয়। জাতীয় পার্টির বর্তমান একাধিক এমপি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দলটির সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার ও বর্তমান মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা স্পষ্ট করে বলেছেন, আসন যাই হোক জাপা মহাজোটে থেকেই নির্বাচন করবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গতকাল বলেন, আমাদের অনেক জনপ্রিয় প্রার্থী থাকা সত্তে¡ও বৃহৎ স্বার্থে আমরা জোটকে অনেক আসনে ছাড় দিয়েছি। দু’একদিনের মধ্যে চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি আমরা দিয়ে দেব। সেটা শুরু হবে, শুক্রবারের মধ্যে সেটা শেষও হবে। নির্বাচনে মহাজোট থেকে আমরা যেসব প্রার্থী দিয়েছি, তারা বিপুল ভোটে জয়ী হবে।
এর আগে জাপার সঙ্গে আসন নিয়ে নানা দেন-দরবার হয়। ক্ষমতাসীন দলকে চাপে রাখতে জাপা ২০০ আসনে প্রার্থী দেয়। এনিয়ে আলোচনায় জাপা ৭০ আসনে নেমে আসে। দফায় দফায় বৈঠকে জাপাকে মাত্র ২২টি আসন ছেড়ে দিতে রাজী হয় আওয়ামী লীগ। পাল্টাপাল্টি বক্তৃতা বিবৃতি এবং মহাসচিব পরিবর্তনের পর এই আসন ছেড়ে দেয়া হয়। তবে ৩৬ আসনেও সন্তুষ্ট নন এইচ এম এরশাদ। দলটির একাধিক নেতা বলেন, এই তালিকায় তো অনেকের নাম নেই। তবে আওয়ামী লীগ-জাপার মনোনয়ন নিয়ে টানাপড়েনের সমাপ্তি দেখতে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

 



 

Show all comments
  • Wound Healer ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:৪৯ এএম says : 1
    উন্নয়নের জোয়ার শুনতে শুনতে কান ঝালা পালা হয়ে গেল। কোথাই উন্নয়ন ? রাস্তা কইটা বেড়েছে ? রেল লাইন কইটা বেড়েছে ? ব্যাংক এর টাকা লুট ? সরকারি হাস্পাতালে ২০ বছর আগে মানুষ যেই সেবা পেত এখন তাই। বেকারত্ব কমে নাই। যুবকদের পকেটে নেশা। প্রতি রাতে বন্দুক যুদ্ধ । মানুষের কথা বলার অধিকার সিমিত।
    Total Reply(0) Reply
  • মাসুম আহসান ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:৫০ এএম says : 0
    আজ বিএনপির অনেকের মনোনয়নপপত্র বৈধ হচ্ছে। প্রার্থীদের অজ্ঞতায় ভুল দাখিলে বদনাম হয়েছিল ইসির, অথচ অজ্ঞদের লজ্জা পাওয়া উচিত ছিল। লজ্জিত হওয়া উচিত ছিল অজ্ঞগোষ্ঠীর লেজুড়বৃত্তি করা সেই সব সমালোচনাকারীরও। কিন্তু সেটা করবে না তারা। সাক্ষরবিহীন কাগজ স্রেফ সাদাকাগজ যারা বুঝে না তাদের সামগ্রিক দৌড় কতখানি সেটা বুঝতে আইনস্টাইন হতে হয় না!
    Total Reply(0) Reply
  • স্বর্ণ লতা ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:৫২ এএম says : 0
    যারা বলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই না, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় চাই। তারা হলো পাপিষ্ঠ
    Total Reply(0) Reply
  • Niloy Ovi ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:৫৩ এএম says : 0
    নির্বাচন এর দিন সাধারণ মানুষ ঘুমাবে ভোট দিবে প্রশাসন, ঘোষণা হবে সুঠু নির্বাচন হয়েসে।
    Total Reply(0) Reply
  • Md Mizanur ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:৫৪ এএম says : 0
    চাঁদ দেখে খুসি হয়ে লাভ নেই, নির্বাচন কিন্তু হাসিনার অধীনে!
    Total Reply(0) Reply
  • Md Abdur Rahman ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:৫৫ এএম says : 0
    এরা এখন কিভাবে প্রার্থিতা ফিরে ফেলো। প্রথমেই ইতরামি না করলেই হইতো। যাহা সংশোধন যোগ্য ছিলো এবং লঘু দোষ ছিলো তাহা মার্জনীয় করলেই পারত।
    Total Reply(0) Reply
  • মানিক হায়দার ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:৫৬ এএম says : 0
    সিইসির ভাগ্নের সাথে এবার জমবে খেল রনির!!
    Total Reply(0) Reply
  • Manjurul Alam Shahin ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:৫৬ এএম says : 0
    Sotter joy hobai...inshallah
    Total Reply(0) Reply
  • ধুসর কন্যা ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:৫৭ এএম says : 0
    আলহামদুলিল্লাহ্‌। ধীরে ধীরে সব আমাদের পক্ষে আসতে শুরু করেছে।ধন্যবাদ ইসি সত্যের পথে থাকার জন্য
    Total Reply(0) Reply
  • Shah alam ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:৫৬ পিএম says : 0
    ইসি তোস সরকারের পাচাটা গোলাম।তারা ভেবেছিল বিএনপির সব হেভিয়েট নেতাদের মনোনয়ন বাতিল করে ফাকা মাঠে গোল দিতে।কিন্তু সেটা সম্বব হল না।কারন সারা বাংলাদেশের মানুস আছে বিএনপির সাথে।যদি বাংলাদেশে অবাধ'একটি নিরবাচন হয় তবে বিএনপির জয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর