Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৯ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৫ জামাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী।

বিজয়ের মাস : উড়ছে লাল সবুজ পতাকা

আদমদীঘি (বগুড়া) থেকে মোঃ মনসুর আলী | প্রকাশের সময় : ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:০৩ এএম

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের এই মাসে লাখো প্রাণ ও লাখো মাবোনের উজ্জতের বিনিময়ে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল দেশের মুক্তিকামী মানুষ। এই মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারীদের রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্টিত হয় লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা। বিজয়ের মাসে সরকারি, বেসরকারি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাড়ির ছাদে, বড় গাড়ির সামনে, মটরসাইকেলের সামনে এমনকি গ্রামাঞ্চলে বাইসাইকেলের সামনেও জাতীয় পতাকা উড়ানো হয়।ফলে বিজয়ের মাস এলেই সারাদেশে জাতীয় পতাকার চাহিদা বেড়ে যায়।শহর বন্দর গ্রামগঞ্জে দোকানীদের পাশাপাশি ফেরি করে বিক্রি করা হয় জাতীয়। সারাদেশের ন্যায় বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সদর ও সান্তাহার পৌর শহরের বটতলী, রেলগেট,রেলস্টেশন,বিপি স্কুল মোড়, মুক্তিযোদ্ধা চত্বর সহ বিভিন্ন এলাকার রাস্তায় রাস্তায় ফেরি করে জাতীয় পতাকা বিক্রি করছেন মৌসুমী পতাকা ব্যবসায়ীরা। তবে ব্যবসায়ী হিসাবে নয়। বগুড়া জেলার প্রতিটি মানুষের মাঝে বিজয়ের চেতনা জাগাতে বিজয়ের এ মাসে নিজে ফেরি করে কসমেটিক্সস বেচা-কেনা ছেড়ে দিয়ে পথে পথে পতাকা বিক্রি করতে নেমেছেন নয়ন আলী নামে এই যুবক। তার ধারণা অন্তত মাসজুড়ে আদমদীঘি উপজেলা সদরও সান্তাহার শহরের মধ্যে দুটি মানুষকে মহান বিজয় দিবসের চেতনা জাগাতে পারলেও নিজেকে স্বার্থক মনে হবে। সান্তাহার-নওগাঁ সড়কের মনিকা মার্কেটের সমানে পতাকা বিক্রির সময় নয়ন আলী সাথে কথা হয় দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিবেদকের। তিনি জানান, পেশায় সে একজন ফেরিওয়ালা বিজয়য়ের মাস ছাড়া সাড়াবছর ফেরিকরে কসমেটিক্সস বিক্রি করেন। বগুড়া সদর উপজেলায় তার বাড়ি। গত ৩ বছর ধরে বিজয়ের মাস এলেই সে অন্যপেশা ছেড়ে দিয়ে লম্বা বাঁশের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ছোট বড়সহ বিভিন্ন আকারের পতাকা সাজিয়ে ফেরি করে বিক্রি করতে বের হয়। তিনি আরও বলেন, সে অল্প লাভেই বিক্রি করে। এমনকি কেউ আসল দাম বললেই তাদের হাতে তুলে দেন ছোট ও বড় বিজয়ের পতাকা। পতাকার সাথে হাতে ও মাথায় বাঁধা,যানবাহনে উড়ানোর মতো লাল সবুজের ব্যাচ ও বিক্রি করেন। মূল্য কম নেয় বলে তার নিকট থেকে সবশ্রেনীর শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ সবপেশার মানুষই পতাকা কিনে থাকে।
পতাকা ক্রেতা মেসার্স কুদ্দুস অটোজের প্রোপাইটর আবু সাঈদ সাগর বলেন, বিজয়ের মাসে ঘুরে ঘুরে পতাকা বিক্রি করে যারা বিজয়ের চেতনা জাগিয়ে তুলছে তাদের পাশাপশি সবাইকে একই ভূমিকা পালন করতে হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ