Inqilab Logo

ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১০ কার্তিক ১৪২৭, ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

সু চি যেন এক পতন হওয়ার তারকার নাম

ইনকিলাব ডেস্ক : | প্রকাশের সময় : ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:০৩ এএম

এ যেন তারকা পতনের মতোই। ২০১৫ সালে স্টেট কাউন্সিলর পদে তার নির্বাচন মিয়ানমারজুড়ে ব্যাপকভাবে সংবর্ধিত হয়েছে। ওই নির্বাচনের বছর তিন পার না হতেই শান্তিতে নোবেলজয় অং সান সু চি এখন বিশ্বব্যাপী অ¯পৃশ্য ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন।

রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা, সাংবাদিক ও সমালোচকদের জেলে ভরেছেন তিনি। গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে ক্ষমতায় বসলেও সু চির মিয়ানমার শেষ পর্যন্ত একটি নিপীড়ক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। সর্বশেষ গত মাসে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সু চিকে দেয়া পুরস্কার প্রত্যাহার করে নিয়েছে। গভীর হতাশা থেকেই এমনটি করতে হছে বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
গত বছরের আগস্টের শেষ দিকে রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধন অভিযান চালায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এতে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।
সু চিকে ২৫ বছর ধরে জানেন মার্কিন কূটনৈতিক বিল রিচার্ডসন। তিনি বলেন, যখন তিনি সর্বদা একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে ছিলেন, তখন তিনি গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য কথা বলেছেন।
‘কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এসব বিষয়ে যথাযথ ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। তার সরকার সাংবাদিক ও সমালোচকদের জেলে ভরতে অতিউৎসাহী হয়ে উঠেছে। তার পূর্বসূরি সামরিক শাসকরা যেমনটি করতেন, তিনিও একই ধারায় চলছেন।’
সত্যিকারের সু চি ও তাকে নিয়ে রূপকথা গণমাধ্যম বানিয়েছে, দুইয়ের মধ্যে এখন বিশাল ফারাক। ২০১৫ সালের নির্বাচনের আগ পর্যন্ত পাশ্চাত্যের গণমাধ্যম তাকে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য আন্দোলনকারী হিসেবেই প্রচার করেছে।
তাকে এমন একজন মানুষ হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যিনি গণতন্ত্রের জন্য নিজেকে ও পরিবারকে উৎসর্গ করে দিয়েছেন। কিন্তু এখানে আরেকজন সু চি রয়েছেন, যার বৈশিষ্ট্যগুলো এতদিন রুদ্ধদ্বারের ভেতর আড়াল করা ছিল। সূত্র : এসএএম।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ