Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২১ এপ্রিল ২০১৯, ৮ বৈশাখ ১৪২৬, ১৪ শাবান ১৪৪০ হিজরী।

ড. কামালের ওপর হামলা ফৌজদারি অপরাধ

সংবাদ সম্মেলনে সিইসি

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:০৮ এএম

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের ওপর হামলা দুঃখজনক এবং এটি ফৌজদারি অপরাধ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। এ বিষয়টি তদন্তে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটির কাছে ইসি প্রতিবেদন চাইবে বলে জানান তিনি। কেএম নূরুল হুদা বলেন, সেনাবাহিনী সিআরপিসি অনুযায়ী পরিস্থিতি বিবেচনায় আটক করতে পারবে। তবে তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে স্বরাস্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের গাড়িবহরে হামলার বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গতকাল শনিবার বিকালে কমিশন বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন। নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, কবিতা খানম, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।
সিইসি বলেন, ড. কামালের বিষয়টি দুঃখজনক। তিনি একজন সিনিয়র সিটিজেন ( জ্যেষ্ঠ নাগরিক) এবং প্রখ্যাত লোক। এটি কাম্য নয়। তাঁর ওপর হামলার ঘটনায় ফৌজদারি অপরাধ হয়েছে। যেভাবে ব্যবস্থা হয়, সেটা হবে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিএনপির পক্ষে থেকে একটি আবেদন করেছে। আমরা নির্বাচনী তদন্ত কমিটির কাছে বিষয়টি পাঠাব। তারা যেভাবে রিপোর্ট দেবে, তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের অহেতুক হয়রানি, গ্রেফতার বন্ধে স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইজিপিকে ফের চিঠি দেবে ইসি। এ ব্যাপারে স্বরাস্ট্রম ন্ত্রণালয় ও পুলিশ মহাপরিদর্শককে নির্দেশনা দেয়া হবে। সিইসি বলেন, যাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা নেই তাদেরকে যেন অহেতুক হয়রানি না করা হয় সে বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কাল-পরশুই আইজিপি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে চিঠি দেব। আগেও বলেছি নিস্প্রয়োজনে কাউকে যেন গ্রেফতার না করা হয়। যারা নেতা রয়েছেন, তাদের যদি কোনো ফৌজদারি অপরাধ না থাকে যেন অহেতুক হয়রানি না করে। মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়ে বের হওয়ার পথে শুক্রবার সকালে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের গাড়ি বহরে হামলা হয়। তিনি অক্ষত অবস্থায় ফিরলেও তাঁর এবং জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রবের গাড়িসহ ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সাত-আটটি গাড়ি ভাঙচুর হয়। আহত হন ২৫ থেকে ৩০ জন কর্মী-সমর্থক। এই ঘটনায় গতকাল শনিবার দুপুরে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনে আবেদন জানানো হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বলেন, নির্বাচনের সময় ভোটকক্ষের ভেতর থেকে সাংবাদিকরা মোবাইলফোন ব্যবহার করতে পারলেও লাইভ দিতে পারবে না। সাংবাদিকরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবে। সেনাবাহিনী সিআরপিসি মেনে গ্রেফতার করতে পারবে। বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার বিষয়ে তিনি বলেন, অনেকের নামে আগেই ফৌজদারি মামলা ছিল। আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি দেখবে। সিইসি বলেন, আচরণ বিধি, কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা, পর্যবেক্ষ, সাংবাদিকরা কি কার্যায়ক্রম চালাবেন বা সুযোগ, সুবিধা পাবেন তা নিয়ে আজকের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। আচরণ বিধি প্রতিপালন নিয়ে আগামী সপ্তাহ থেকে টেলিভিশনগুলোতে বিজ্ঞাপন প্রচার হবে।
কেএম নূরুল হুদা বলেন, পর্যবেক্ষক, সাংবাদিকদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি- ভোটকক্ষের ভেতরে কোনো লাইভ প্রচার করা যাবে না। কেন্দ্রে সীমিত আকারে সাংবাদিকেদের যেতে হবে, যাতে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের অসুবিধা নয় হয়। বাংলাদেশি পযবেক্ষদের জন্য নীমতিমালা আছে, বিদেশীদের জন্যও নীতিমালা আছে। সেগুলো মানতে হবে। কেন্দ্রের ভেতরে বেশিক্ষণ থকতে পারবেন না। ভোটকক্ষের বাইরে করতে পারবেন। সিইসি বলেন, যেখানে ভোট পরিচালনা করা হয়, যেখানে পোলিং প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং এজেন্ট বসেন, সেখানে লাইভ করা যাবে না। বারান্দায় এসে লাইভ করা যাবে। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের কাজে যেন ব্যাঘাত না করে, এজন্য এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ভোটকক্ষে গিয়ে যদি ৩০-৪০জন যান, তারা একসঙ্গে গেলে তো তারা কাজ করতে পারবেন না। প্রিজাইডিং অফিস বলবেন কতজন যেতে পারবেন। প্রিজাইডিং কর্মকর্তার ব্যবস্থাপনার ওপর রেসপ্যাক্ট থাকতে হবে। তার কথা মানতে হবে। তিনি বলেন, ভোটকক্ষের ভেতরে মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না। তবে মোবাইল ব্যাংকিং ও ইন্টারনেটের গতি কমানোর সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।
আচরণ বিধি ভঙ্গের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনী তদন্ত কমিটি গঠন করেছি ১২২টি। তাদের কাছে অভিযোগ করলে ভাল হয়। নির্বাচনের দায় দায়িত্ব বেশিরভাগ রিটার্নিং কর্মকর্তার হাতে। এছাড়া নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আছে, তাদের কাছেও অভিযোগ দেওয়া যাবে। লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়েছে বলেও মনে করার কথা জানান সিইসি। তিনি বলেন,প্রার্থীরা প্রচার কাজ চালাতে পারছে। আমি মনে করি লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়েছে।৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ২৮ ডিসেম্বর শেষ হবে নির্বাচনী প্রচারের সময়।
স্বরাস্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের গাড়িবহরে হামলার বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শনিবার সকালে রাজধানীতে ‘পতাকার বিজয়’ শিরোনামে আয়োজিত জাতীয় পতাকা নিয়ে এক মিছিল অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা বলছি এটা তদন্ত করে নিই। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের ওপর ড. কামাল হোসেনের দুর্ব্যবহার কাম্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আমি আগেই বলেছি, ড. কামাল হোসেন যে রাজাকার আল-বদরদের সব সময়ই ঘৃণা করেছেন, আবার তার পরেরদিনই সেই দলেই যোগ দিয়েছেন। সেই দলে যোগ দিয়েছেন অনেক নেতা যারা নাকি মুখে অনেক কিছুই বলতেন, তাঁরা আবার সেইখানে যোগ দিয়েছেন। কাজে এ দেশের জনগণ বুঝতে পেরেছে, এই দেশের জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে এরা কী চায়।
এখনো দেশব্যাপী বিএনপি নেতাকর্মীদের ঢালাও গ্রেফতার চলছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নতুন করে কোনো ওয়ারেন্ট হয়নি। যাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই ওয়ারেন্ট ছিল। গত শুক্রবার সকালে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের গাড়িবহরে হামলা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পতাকার ডিজাইনার শিব নারায়ণ দাস, বিজিএমইএ এর সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম ও এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন।



 

Show all comments
  • রহিম ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:২৯ এএম says : 2
    আপনাদের কাজ করমে বুজা যায় নিরবাচন ভালো হবে না। নিরবাচনের দিন যদি খুন খারাফি হয জনগন আপনাদের কে ক্ষমকরবে না । ৫০ বছর পরে হলেও আপনাদের বিচার করবে
    Total Reply(0) Reply
  • Shawkat Ali ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২:২৫ এএম says : 2
    মিঃ নুরুল হুদা সাহেব মাঝেমধ্যে দুঃখ প্রকাশ, এটা নিন্দনীয়, এটা ফৌজদারী অপরাধ, ব্যাবস্থা নিচ্ছি, নিব এসব বুলি না আওরায়ে আপনার শপথ অনুযায়ী সঠিক দায়িত্ব পালন করুন। আর তা না হলে জাতি আপনাকে মীর জাফরের স্থানটি দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। আপনার নাম ইতিহাসে নতুন করে উঠবে বটে কিন্তু তা হবে অতিশয় ঘৃণার অক্ষরে।
    Total Reply(0) Reply
  • Ali Haider ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২:২৬ এএম says : 2
    সিইসি সাহেব ফৌজদারী অপরাধ বলে আপনি চুড়ি হাতে দিয়ে ঘরে বসে বোতলে চুমো দিন
    Total Reply(0) Reply
  • Mushtak Ahmad ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২:২৬ এএম says : 2
    তো এই অপরাধের শাস্তি কে দেবে শুনি। আপনি দ্রুত সেনাবাহিনীর সহায়তা গ্রহণ করুন। না হলে কঠিন বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বাংলাদেশ।
    Total Reply(0) Reply
  • Adv Kalam Khan ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২:২৬ এএম says : 2
    সারা দেশে হামলা হচ্ছে সেটা কি অপরাধ নয়।মাইরও খাচ্ছে, মামলা খাচ্ছে, প্রচার চালাতে এমনকি অনেকে এলাকায়ও যেতে পারছে না!হায়রে গনতন্ত্র! হায়রে ভোট!এরশাদের ৮৮ এর নির্বাচন কেও হারিয়ে দিচ্ছে?
    Total Reply(0) Reply
  • Biplobuzzaman Biplob ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২:২৭ এএম says : 6
    মিজা' আব্বাস, মাহবুব উদ্দিন খোকন, হাসিনা বেগম, আসাদুজ্জামান, মিজা'ফখরুল, ডঃ খন্দকার মোশারফ, গয়েশ্বর রায়, মওদুদ আহমেদ সহ শত শত প্রাথী'র উপর হামলা কি ফোজদারী অপরাধ না । এক নম্বর আহাম্মক ...হুদা ।
    Total Reply(0) Reply
  • Kamrul Islam Tarek ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২:২৭ এএম says : 2
    কাল পরশু এখনো দুই তিন দিন সময়...আপনার বক্তব্যের মধ্যে সব কিছু পরিস্কার..হামলা মামলা গ্রেফতার এর জন্য আপনি সরাসরি কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে, আরো কয়েক দিনের জন্য সময় দিয়েছেন।
    Total Reply(0) Reply
  • Mizanur Mizan ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২:২৮ এএম says : 2
    তাহলে দ্রুত ব্যাবস্থা নেন। শেখ হাসিনা হুকুমের আসামি।
    Total Reply(0) Reply
  • Wahid Muhin ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২:২৮ এএম says : 1
    মানুষ তো কেবল একজন ড‍. খামোশ কামাল কে আক্রমণ করেছে সেটা যদি ফৌজদারি অপরাধ হয় তাহলে ড. খামোশ কামাল যে দেশবিরোধী শক্তিকে শেল্টার দিচ্ছে এটাও একদিন রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হবে ইনশাআল্লাহ।
    Total Reply(0) Reply
  • Sumon Sharmin ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২:২৮ এএম says : 2
    ফৌজদারি অপরাধ সেটা আমরা জানি কিন্তু আমরা জানিনা আপনি আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কি ব্যাবস্থা নিয়েছেন। কথার খই না ফুটিয়ে সারাদেশে বিরুধীদলীয় নেতাকর্মীদের উপর হামলার ব্যাবস্থা নেন।
    Total Reply(0) Reply
  • Barath Patwary ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২:২৯ এএম says : 2
    অপরাধ যে এটা সবাই জানে ।বলার কিছু নাই কিন্তু যারা এর বিরুদ্ধে আ্যকশেন নিচ্ছে না তারা ও সমান অপরাধী
    Total Reply(0) Reply
  • Abdus Sattar ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২:২৯ এএম says : 2
    আহ্হা! এতদিন আমরা কোথায় ছিলাম। এত সুন্দর কথা আজ শুনলাম। এতদিন জানতামই না যে, এগুলো ফৌজদারি অপরাধ। স্যালুট সিইসি সাহেব। নতুন একটি ধারার কথা আমাদেরকে জানানোর জন্য।
    Total Reply(0) Reply
  • Helal Khan ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২:৩০ এএম says : 2
    we want Justice. We want Bangladesh ARMI come to open fild for the National election.
    Total Reply(0) Reply
  • Asaduzzaman Asad ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২:৩০ এএম says : 2
    জনগন আপনার দিকে চেয়ে আছে। সাধারন জনগন মনে করি পরিবেশ ভাল থাকলে ভোট কেন্দ্র যাবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Ful Mieha ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২:৩১ এএম says : 2
    নির্বাচন কমিশনার সাহেব মুখে বললে হবে না জনগণ কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী অপরাধী যেই দলের নেতাকর্মী হোক গ্রেফতার করা হোক প্রতিহিংসার রাজনীতি কারণে আইনের শাসনের অবনতি
    Total Reply(0) Reply
  • Engr Amirul Islam ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৭:১৫ এএম says : 2
    Mr CEC you are a perfect Awami league you proved that you are a 100 percent liar
    Total Reply(0) Reply
  • Moniar ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৯:৩০ এএম says : 2
    Mr EC take care for fair & free shareabee election other wise nation will not fo forgive you.It's your holly duty.If election is not fair you shall must give answer public court imidiatly.
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Shah Alam Khan ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৮:১১ পিএম says : 0
    কামাল মিয়া মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে সাথে নিয়ে যান পাকিদের দোসর দেশদ্রোহীদের আবার সেই বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের সময় তাদেরকে ধমকান, যানাকি সাধারন জনগণ মেনে নিতে পারেনি তাই সেখানে উত্তেজনা মূলক অবস্থার সৃষ্টি হয় যেটা খুবই স্বাভাবিক। ফেলে এনারা যখন বের হচ্ছিলেন তখন উত্তেজিত জনতা তাদেরকে আক্রমণ করেছে এটা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। আর আমাদের বিজ্ঞ বাংলাদেশী পন্থার উকিল কামাল মিয়া ইচ্ছা করেই জনগণকে খেপিয়েছেন দেশদ্রোহীদের পক্ষে থেকে এবং সাংবাদিকদেরকে বকা ঝকা করে হুমকি দিয়ে। কামাল মিয়া জানতেন তার এই ব্যাবহারে জনগণ ক্ষপে যাবে কারন সেদিন সর্বস্তর থেকেই জনগণ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিল। জনগণ কামাল মিয়ার মতো বিজ্ঞ উকিল বা তার মতো জ্ঞানবান নন তাই তারা ধৈর্য ধরে রাখতে পারেনি ফলে অঘটন ঘটেছে যেটা কামাল মিয়া চাইছিলেন। এখন আবার শুনা যাচ্ছে কামাল মিয়া তার কর্মসূচী বাতীল করে ঘরে বসে আছেন এবং তার বকা ঝকার জন্যে সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। মানে তিনি বিতলামী করে পার পেয়ে গেলেন আর জনগণ তার ফাদে পা দিয়ে বেকায়দায় পড়ছে এটাই সবাই আলোচনা করছে। আমি জানি আমার এই মন্তব্য আলোর মুখ দেখবেনা কারন পত্রিকা চায় সরকার বিরুধী হয়ে কাজ করতে। তারা চায় এই নষ্ট লোকটা যে নাকি ’৭১ থেকেই পাকিদের গোলাম কামাল মিয়া এতদিন বঙ্গবন্ধুর কারনে ধোয়া তুলশী পাতা ছিলেন আর আমরা মুক্তিযোদ্ধা হয়েও তার বিপক্ষে কোন কথা বলতে পারিনি কারন জাতীর জনকের প্রিয় পাত্র কামাল মিয়া। আজ এই মুখশধারী পাকির দালাল কামাল মিয়া প্রকাশ্যে জামাতীদের সহায়ক হয়ে আমাদেরকে সুযোগ করে দিয়েছে তার অতীত নিয়ে কথা বলার যেটা আমাদের বলার সাধ্য এতদিন ছিলনা। জাতীর জনক তার এসব প্রিয় পাত্রের জন্যেই নির্বংশ হয়েছেন আল্লাহ্‌কে অসন্তুষ্ট করে। আল্লাহ্‌ এইসব পাকি ও পাকিদের দোসরদেরকে বিতাড়িত করার পরও এরা অভিনয় করে জাতীর জনকের বুকে আশ্রয় নিয়েছিল তাই এতবড় নেতা হয়েও আল্লাহ্‌র সাজা থেকে রেহাই পান নি এটাই ইসলাম।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: জাতীয় সংসদ নির্বাচন

৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ