Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, ০৭ মাঘ ১৪২৫, ১৩ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী নয়

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার ঘোষণা

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:০৩ এএম

নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে পরপর দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকা যাবে না এমন ১৪ প্রতিশ্রুতি ও ৩৫ দফার ইশতেহার ঘোষণা করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। গতকাল রাজধানীর হোটেল পূর্বাণীতে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। প্রতিশ্রুতির মধ্য বলা হয়েছে- জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় সর্বদলীয় সত্যানুসন্ধান ও বিভেদ নিরসনে কমিশন গঠন করা হবে। হত্যা ও গুম পুরোপুরি বন্ধ করা হবে। ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন বাতিল করা হবে। নির্বাচনকালীন সরকারের বিধান তৈরি করা হবে। পুলিশ ও সামরিক বাহিনী ব্যতীত সরকারি চাকরিতে প্রবেশের কোনো বয়সসীমা থাকবে না। সরকারের দুর্নীতি তদন্ত করে বিচার করা হবে। জেলা পরিষদ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবে। পিএসসি জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হবে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি হবে ১২ হাজার টাকা। প্রথম বছরে গ্যাস বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না। প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হবে। তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানিবন্টন সমস্যার সমাধানে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
ইশতেহার ঘোষনার আগে ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সূচনা বক্তব্য রাখেন। এরপর ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড.কামাল হোসেনের স্বাগত বক্তব্যের পর ইশতেহার পাঠ করেন নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, গণফোরাম নেতা রেজা কিবরিয়া, জগলুল হায়দার আফ্রিক, জেএসডির নেতা শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন প্রমুখ।
বাংলাদেশের জনগণের ‘হৃত মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার’ পুনরুদ্ধারের বিষয় উল্লেখ করে ইশতেহারে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদে বর্ণিত এই নীতির ভিত্তিতে সরকার পরিচালনায় যাবতীয় পদক্ষেপের ভিত্তি হবে রাষ্ট্রের মালিকগণের মালিকানা সুদৃঢ় করা। রাষ্ট্রের এই মালিকানা শুধু নির্বাচনে জেতা দলের মানুষের নয়, এই মালিকানা থাকবে নির্বাচনে পরাজিত দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদেরও। এই রাষ্ট্র পরিচালিত হবে নির্বাচনে পরাজিতদের মতামত এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে।
ইশতেহারে বলা হয়েছে, এই রাষ্ট্র নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা আছে, নির্বাচনে জিতলে পরবর্তীতে সেটা আমরা জনগণের সামনে নিয়ে আসব। এই অঙ্গীকারে আমরা শুধু সেই বিষয়গুলোকে স্থান দিয়েছি যেগুলো আগামী ৫ বছরের মধ্যে আমরা সম্পন্ন করব।
ঐক্যফ্রন্টের লক্ষ্য তুলে ধরে বলা হয়, গত ১০ বছরে কল্পনাতীত স্বেচ্ছাচারিতা এবং পুলিশকে দলীয় ক্যাডার হিসেবে ব্যবহার করে হাজার হাজার মিথ্যা মামলা, গুম, খুন মামলার ঘুষ বাণিজ্য ও বিচারবহির্ভূত হত্যায় লক্ষ পরিবার ক্ষুব্ধ ও বিপর্যস্ত। এই সমস্যা সমাধান করে সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী, আইনজীবী সমন্বিত সর্বদলীয় সত্যানুসন্ধান ও বিভেদ নিরসন কমিশন গঠন করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের অতীতের হয়রানি মামলা সুরাহার লক্ষ্যে খোলা মনে আলোচনা করে ক্ষমা ও ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সমস্যার সমাধন করা হবে। সকল জাতীয় বীরদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অন্তর্ভূক্ত করে স্কুল, কলেজে পড়ানো হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করা হবে। এক দলীয় শাসনের যেন পুনঃজন্ম না ঘটে তা নিশ্চিত করা হবে।
ইশতেহার পাঠ করার শুরুতে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বাংলাদেশের জনগণের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ৭ দফা দাবি এবং ১১ দফা লক্ষ্যকে সামনে রেখে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়। আমাদের ৭ দফা যৌক্তিক দাবির কোনোটিই সরকার মেনে নেয়নি। অপরপক্ষে নির্বাচন কমিশন এই নির্বাচনে একটা স্বাধীন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মতো কাজ না করে একটা দলীয় প্রতিষ্ঠানের মতো আচরণ করছে। এরপরও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আন্দোলনের অংশ হিসাবে নির্বাচনে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যার মাধ্যমে জনগণের ভোটে এই দুঃশাসন এর অবসান হবে। দীর্ঘ ১০ বছর একটা অপশাসনের অধীনে আছে বাংলাদেশ। এই সরকার ক্ষমতায় থাকার পুরো সময়ের কখনোই সুশাসন ছিল না এবং এই রাষ্ট্র বেশিরভাগ নাগরিকের জন্য কল্যাণকরও ছিল না। ২০০৯ সালের প্রথম নির্বাচিত হওয়ার পর এই পরিস্থিতি যতটা খারাপ ছিল, তার চেয়ে বহুগুণ খারাপ হয়েছে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির পর।
তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নামের প্রহসনটির আগেই কিন্তু সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসনের বেশি (১৫৪টি) আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়ে গিয়েছিলেন। এভাবে সরকার গঠিত হওয়া সংবিধানের ৬৫(২) ধারার সঙ্গে সুস্পষ্টভাবে সাংঘর্ষিক। এই ধারায় রাষ্ট্রের সংসদ নির্বাচন বলতে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচনকে বোঝানো হয়েছে। তাই তথাকথিত নির্বাচনের আগেই সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় আসনের চাইতে বেশি আসন পেয়ে জয়ী হওয়া বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে কোনোভাবেই নির্বাচিত, নৈতিকভাবে বৈধ সরকার বলে আমরা মনে করি না। বলা বাহুল, এই নির্বাচনের মাধ্যমে এই রাষ্ট্রে জনগণের ন্যূনতম মালিকানাটিও শেষ করে ফেলা হয়েছে।
মান্না বলেন, দেশের বর্তমান অবস্থার স্বীকৃতিও আমরা দেখতে পাই আন্তর্জাতিক সংস্থার মূল্যায়নেও। ইকনোমিস্ট পত্রিকার ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এর এই বছরের বিশ্ব গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান (৯২ তম), সেনা সমর্থিত তত্ত¡াবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ এর অবস্থান (৭৫) এর চাইতেও অনেক খারাপ। অথচ এই জাতি স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছিল গণতান্ত্রিক একটা ব্যবস্থার জন্য। নব্বইয়ের দশকে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল গণতন্ত্রের জন্য। জনগণের ন্যূনতম গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুন্ন করে এই রাষ্ট্রকে পূর্ণ স্বৈরতন্ত্রের পথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকার একটা রক্ষাকবচ হিসেবে বর্তমান সরকার তথাকথিত উন্নয়নকে ব্যবহার করছে। পৃথিবীর যে কোনো দেশের তুলনায় চার পাঁচ গুণ বেশি ব্যয় করে সেতু রেলপথ ফ্লাইওভার তৈরি করা হয়েছে উন্নয়নের নামে। কিন্তু এই তথাকথিত উন্নয়নের সুফল হাতে গোনা কিছু মানুষের কাছেই পৌঁছেছে। এর ফলে এই সমাজে ভয়ংকর রকম বৈষম্য বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যুরো অব স্ট্যাটিসটিকস এর হিসাব বলছে সবচেয়ে দরিদ্র পাঁচ শতাংশের খানা প্রতি আয় (হাউজহোল্ড ইনকাম) ২০০৫ সালে ছিল ১১০৯ টাকা, যা ৩৫ শতাংশ কমে ২০১৬ সালে ৭৩৩ টাকায় দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ধনী পাঁচ শতাংশের খানা প্রতি আয় ৩৮ হাজার ৭৯৫ থেকে বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণের বেশি, ৮৮ হাজার ৯৪১ টাকা। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বিজয়ী হলে এই বৈষম্য দূর করে একটি সাম্য ও সমৃদ্ধির বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রতি ইশতেহারে তুলে ধরা হয়।

 

 



 

Show all comments
  • ইউসুফ আলী মজুমদার ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:১৬ এএম says : 0
    বর্তমান তরুণ প্রজন্ম ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারের সাথে একমত পোষণ করছে। যুগোপযোগী ইশতেহার।
    Total Reply(0) Reply
  • Alak Sarker ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:১৭ এএম says : 1
    নির্বাচিত হলে আপনাদের এই ইশতেহার কি আদৌ বাস্তবায়ন করবেন? ২০০১ সালে যেই প্রতিশ্রুতি আপনারা দিয়েছিলেন তার কোনোটাই বাস্তবায়ন করেন নি। পাঠকদের কাউর মনে সন্দেহ থাকলে ২০০১ সালে দেওয়া বিএনপি ইশতেহার পড়ে দেখতে পারেন। আরে, বিএনপির কর্মীরাই তো খালেদা জিয়ার কথা শোনে না। বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে কোথায় থাকবো ঐক্যফ্রন্ট আর কোথায় থাকবে ড: কামাল হোসেন? দলের মধ্যে এই আপনারাই হয়ে যাবেন আমের আটি। আপনারা শুধু এখন ব্যবহৃত হচ্ছেন বিএনপির এই দু:সময়ে।
    Total Reply(0) Reply
  • AQPalash ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:১৭ এএম says : 0
    Excellent Manifestation. Congratulations. Salute all of you who are involved with this manifesto.
    Total Reply(0) Reply
  • Soyeb Muhammad ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:১৭ এএম says : 0
    খুবই চমৎকার একটা ইশতেহার। আন্তরিকতা থাকলে বাস্তবায়ন সম্ভব।
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:১৮ এএম says : 0
    Morning shows the day. Best of luck Oikkofront.
    Total Reply(0) Reply
  • Shahed Azam ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:১৮ এএম says : 0
    Excellent manifesto! Overall this will ensure good governance and equity in society. And also this manifesto is forward-looking which will help to ensure sustainable long-term development if implemented correctly.
    Total Reply(0) Reply
  • Harun Or Rashid ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:১৯ এএম says : 0
    ভালই হয়েছে । বেকারদের অন্তত কেউ বলতে পারবেনা -- কি বয়স শেষ? অবসরের আগের দিন পর্যন্ত চাকরিতে যোগদান করা যাবে। অনেক উন্নত দেশেই এটা আছে। আসলে মুলত এটা চাকরির বাজারে ও অনেক প্রভাব ফেলবে। বর্তমানে সরকারি চাকরির জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়। এতে কেউ আর অপেক্ষা করবেনা । কিছু একটা অন্তত করবে, আর নিজেকে সরকারি চাকরির জন্য যোগ্য করে তোলার চেষ্টা করবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Shahed Azam ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:১৯ এএম says : 0
    Excellent manifesto! Overall this will ensure good governance and equity in society. My 100% support to this manifesto.
    Total Reply(0) Reply
  • Kabir ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:১৯ এএম says : 1
    যদি ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে জয়লাভ করে তাহলে রব মান্না কামাল সাহেবের পরিনতি কর্নেল তাহেরের চেয়ে ভালকাছু হবেনা। তাই মাঝে মাঝে ভাবি ঐক্যফ্রন্ট জিতুক একটা সর্কাস অন্তত দেখা হবে বিনে পয়সায়।
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Habibur Rahman Majumder ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:২০ এএম says : 0
    অসাধারন!!! শুধু একটা জায়গায় আমার একটু খারাপ লাগছে,মাদকের উপর খড়গহস্ত হতে গিয়ে সিগারেটের উপর উচ্চহারের শুল্ক কেনো :(... সত্যিই অসাধারন একটা ইশতেহার...
    Total Reply(0) Reply
  • FIROZ MAHMUD ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:২০ এএম says : 0
    যুগউপযোগী ইশতেহার, পছন্দ হইসে, আমার ভোট আমি ধানের শীষ এ দিব.
    Total Reply(0) Reply
  • অশিকীর্ষ লৌকিক ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:২০ এএম says : 0
    এদেশের শান্তিপ্রিয় জনগণের মনে যা, ইশতেহারেও হয়েছে তা। অভিনন্দন... সংবিধান প্রণেতা কে। সরকারি চাকরীর বয়স সীমা একেবারে বাদ না দিয়ে ৩০ থেকে ৪০ করলে আরো বেশী ভাল হত মনে হয়।
    Total Reply(0) Reply
  • Mr.RupoM ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:২১ এএম says : 1
    যাদের ক্ষমতায় যাওয়ার কোনই সম্ভাবনা নাই তাদের আবার কিসের নির্বাচনি ইশতেহার!! এই ধরনের ইশতেহার ফ্রেমে বেধে দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখতে পারে বিএনপি-জামাত জোট।
    Total Reply(0) Reply
  • Daud Das ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:২২ এএম says : 0
    Looks great but my question who will succeed this Bigger Goal. If they WiN, BNP will be the majority in the parliament. Do you guys think they will listen to Mr. Kamal. They will just through him like a garbage. I strongly believe Mr. Kamal has a great feelings for us and our country but there is no way to Successful of his plan through BNP.
    Total Reply(0) Reply
  • Auyan ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:২৩ এএম says : 0
    এগুলোর সবই তো আওয়ামী লীগের ২০০৮ সালের ইশতেহারের কথা- যেগুলোর বেশিরভাগই কারেন্টলি বাস্তবায়ন চলছে।
    Total Reply(0) Reply
  • MD. Al-Amin Khan ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:২৩ এএম says : 0
    ইশতেহারের প্রতিটি দফাই সময়োপযোগী এবং বহুল আকাঙ্ক্ষিত। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সাংসদদের ভেটো দান করার ক্ষমতা, ক্ষমতার ভারসাম্য, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য আমাদের আজও আশ্বাস শুনতে হয়। আমরা কি সত্যিই খুব উন্নতি করতে পেরেছি?
    Total Reply(0) Reply
  • Afzal rasheed chowdhury ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:২৪ এএম says : 0
    ধন্যবাদ ঐক্যফ্রন্ট।একটি ভাল ইশতেহার এসেছে।দেশকে সামনে এগুতে হলে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরন জরুরি।দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অর্থনীতিবিদ রা ভূমিকা রাখা জরুরি।ডঃইউনুস,ফজলে হাসান আবেদ সাহবকে এসবে সম্পৃক্ত করতে হবে।মাহাথির মোহাম্মদ মালেশিয়া পরিবর্তন করে দেখিয়েছেন।এখন ঐক্যফ্রন্টের পালা।
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:২৫ এএম says : 1
    পর পর দুই মেয়াদের বেশী কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেনা,বিএনপি রাজী? উনারা তো খালেদা জিয়া অথবা তারেক জিয়াকে সারাজীবন ক্ষমতায় দেখতে চান।
    Total Reply(0) Reply
  • SYED HOQUE ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:২৫ এএম says : 0
    আপনাদের ইশতেহার চমৎকার, আমরা এগুলোর বাস্তব প্রতিচ্ছবি দেখতে চাই, আমরা স্বাধীনতা উত্তর প্রজন্ম, স্বাধীন দেশের মানুষের মত বেঁচে থাকেতে চাই, যে সরকারই আসুক আমাদের কয়েকটি মৌলিক দাবী হচ্ছেঃ ১. দুর্নীতিকে চিরতরে বন্ধ করা ২. বিগত দিনের দুর্নীতিবাজদেরকে বিচারের আওতায় আনা এবং সরকারী সম্পদ পুনরোদ্ধার। ৩. স্বাধীনতা যোদ্ধের সময় যারা প্রকৃত অপরাধ করেছেন তাদের বিচার অব্যাহত রাখা , মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদের তালিকা ও সংখ্যা প্রকাশ করা। ৪. গুম-খুনের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিচারের আওতায় আনা ৫. প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ২ টার্মে সীমাবদ্ধ করা ৬. স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্টিত করা ৭.ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করে শিক্ষাঙনে সত্যিকারের শিক্ষার পরিবেশ তৈরী করা।
    Total Reply(0) Reply
  • SYED HOQUE ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:২৫ এএম says : 0
    আপনাদের ইশতেহার চমৎকার, আমরা এগুলোর বাস্তব প্রতিচ্ছবি দেখতে চাই, আমরা স্বাধীনতা উত্তর প্রজন্ম, স্বাধীন দেশের মানুষের মত বেঁচে থাকেতে চাই, যে সরকারই আসুক আমাদের কয়েকটি মৌলিক দাবী হচ্ছেঃ ১. দুর্নীতিকে চিরতরে বন্ধ করা ২. বিগত দিনের দুর্নীতিবাজদেরকে বিচারের আওতায় আনা এবং সরকারী সম্পদ পুনরোদ্ধার। ৩. স্বাধীনতা যোদ্ধের সময় যারা প্রকৃত অপরাধ করেছেন তাদের বিচার অব্যাহত রাখা , মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদের তালিকা ও সংখ্যা প্রকাশ করা। ৪. গুম-খুনের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিচারের আওতায় আনা ৫. প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ২ টার্মে সীমাবদ্ধ করা ৬. স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্টিত করা ৭.ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করে শিক্ষাঙনে সত্যিকারের শিক্ষার পরিবেশ তৈরী করা।
    Total Reply(0) Reply
  • Sadi Nazrul Islam ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:২৬ এএম says : 0
    অসাধারণ সব পদক্ষেপ, ধন্যবাদ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে...
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:২৭ এএম says : 0
    ১০০% একটা জনগনকে বোকা বানানোর ইশতেহার, প্রশ্ন হলো উনারা এখন পর্যন্ত বলতে পারেন নাই ক্ষমতায় গেলে প্রধানমন্এী কে হবেন ? ইশতেহার দিচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট, দেখা যাবে ক্ষমতায় গেলে বিএনপি বলবে ওটা ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার, আমাদের কোন দায় নেই তখন কামাল স্যারেরা কি বলবেন? আমার তো মনে হয় না ইলেকশনে জেতার পরে কামাল স্যারের কোন দাম থাকবে বলে।
    Total Reply(0) Reply
  • Arif Tanzil ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১:২৭ এএম says : 0
    খুবই বাস্তবসম্মত ইশতেহার মনে হচ্ছে, যাইহোক একটা ইশতেহার দেখলাম যেখানে কিছুটা হলেও জনগনের মনের ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে, বিশেষ করে ২ মেয়াদের বেশি ক্ষমতায় না থাকা! চমৎকার! আপনারা এগিয়ে যান! জনগণ সুযোগ পেলে আপনাদের সাথে থাকবে।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ