Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১০ বৈশাখ ১৪২৬, ১৬ শাবান ১৪৪০ হিজরী।

সঙ্ঘাতপূর্ণ হয়ে উঠছে ভোটের পরিস্থিতি

চলছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২০ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:০৪ এএম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে সার্বিক পরিস্থিতিও ততই সঙ্ঘাতপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে দাবি করছেন ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীরা। তাদের দাবি নির্বাচনে আর ১১ দিন বাকী থাকলে এখনো তৈরি হয়নি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড। সৃষ্টি হয়নি নির্বাচনী পরিবেশ। বিএনপির সমর্থকেরা প্রচারণায় নামলেই হামলার শিকার হচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির শীর্ষ ও কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপর হামলা হয়েছে প্রকাশ্যে। ধানের শীষের পোস্টার লাগাতে গেলেই বাধা ও প্রচারণার মাইক কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলা হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন। তারা বলেন, এখনো ধরপাকড় বন্ধ হয়নি। এতে করে দ্বিমুখী আতঙ্ক ও ভীতিকর অবস্থা তৈরি হয়েছে। সময় যতই গড়াচ্ছে দেশজুড়ে নির্বাচনী সহিংসতায় উদ্বেগ ততই ছড়িয়ে পড়ছে।
গতকাল চাঁদপুর শহরে বিএনপি প্রার্থীর গণসংযোগে হামলায় আহত হয়েছেন ১৫ জন। ভোলা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিমের তার বাসভবনে পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের দ্বারা এখনও অবরুদ্ধ হয়ে আছেন বলে অভিযোগ করেন। কিশোরগঞ্জে ইটনা থানার মৃগা ইউনিয়নের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ খোকনকে হামলা করে মারধর করেছে সন্ত্রাসীরা। নাটোরের সিংড়া থানার প্রতিটি ইউনিয়নে ধানের শীষের নির্বাচনী কার্যালয়ে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করে ব্যাপক ভাংচুর করে এবং সশস্ত্র মহড়া দিয়ে এলাকায় ভীতির সৃষ্টি করে চলেছে।
টাঙ্গাইলে মুসুদ্দী ইউনিয়নে নির্বাচনী অফিসে পুলিশের উপস্থিতিতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করে সন্ত্রাসীরা। মুন্সীগঞ্জে সকালে মহিলা দল সভাপতি পাপিয়ার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। নারায়ণগঞ্জ - ১ আসনে পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িতে তল্লাশি ও ভাঙচুর করছে। সিরাজগঞ্জে বিএনপির প্রার্থী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপাকে প্রধান নির্বাচনী অফিসে যেতে বাধা দেয়া হচ্ছে। আমাদের সংবাদদাতা ও বিএনপি সূত্রে বিভিন্ন স্থানে হামলা, সংঘর্ষ ও আটকের এমন চিত্র পাওয়া গেছে। তবে আওয়ামী লীগ নেতাদের অভিযোগ তাদের নির্বাচনী বিভিন্ন অফিস ভাঙচুর করছে ঐক্যফ্রন্টের সমর্থকরা।। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে সংঘর্ষ হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশে দাবি তারা রাজনৈতিকভাবে কাঊকে হয়রানি করছে না। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে যাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে কেবল তাদের আটক করা হচ্ছে।
ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহের গৌরীপুরে যুবদল-ছাত্রদলের দুই নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ময়মনসিংহ জেলা উত্তর যুবদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মাহফুজুর রহমান ও উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আবুল বাসার ঝুলন। বিকেলে পৌর এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার ঘটনায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বিধু ভূষন দাস বাদি হয়ে গত সোমবার রাতে ২৪ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে বিএনপি’র প্রার্থী প্রকৌশলী এম ইকবাল হোসাইন স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনী মাঠে বিএনপিকে দুর্বল করার জন্য এবং নির্বাচনী কর্মকান্ড থেকে নেতা-কর্মীদের দূরে রাখতেই সাজানো ঘটনায় দায়ের করা মামলায় যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
চাঁদপুর : চাঁদপুর শহরের মাদরাাসা রোডে বিএনপি প্রার্থীর গণসংযোগে হামলা করেছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে অন্তত ১৫ জন বিএনপি নেতাকর্মী আহত হয়। এ ঘটনায় জেলা বিএনপির আহŸায়ক ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ঐ এলাকায় কিছু সময় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।
ফরিদপুর : ফরিদপুর সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়নের সাদিপুর ব্রিজের নিকট সন্ত্রাসী হামলায় সাদ্দাম হোসেন (২৬) নামে এক যুবদল নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
কুমিল্লা : কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগে অংশ নেয়ায় দুই কর্মীকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। গত সোমবার সন্ধ্যায় মুরাদ নগরের পুর্বদইর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রামকৃষ্ণ সাহা ও রতন কুমার দাস নামে ওই দুই কর্মীকে মারাত্মক আহত অবস্থায় প্রথমে মুরাদনগর সদর হাসপাতাল নেয়া হয়। পরে তাদের কুমিল্লা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এদিকে দুপুরে বাংগরা ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী কে এম মজিবুল হকের দুটি নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। বাংগরা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবুল কালাম, সাম্মিয়া মেম্বারের নেতৃত্বে এ ভাংচুর চালানো হয়। এছাড়া যুবলীগ নেতা সাধন ও আওয়ামী লীগ নেতা পার্থ সারথী দত্তে¡র নেতৃত্বে একদল ক্যাডার মুরাদনগরের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ভোটার ও বিএনপির সমর্থকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধে ইসির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিএনপির প্রার্থী মজিবুল হক।
ভোলা : ভোলা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিমের বাসার কাজের ছেলেকে সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে পিটিয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে। নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি তার বাসভবনে পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের দ্বারা এখনও অবরুদ্ধ হয়ে আছেন বলে অভিযোগ করেন। বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আরো বলৈন, বোরহান উদ্দিন থানার ওসি অসীম কুমার হালদার এবং এস আই অশোক কুমারকে তাদের অনাচারের কারণে বদলী করা হলেও ভোলার এসপি মোক্তার হোসেন তাদের দু’জনকে থানায় বহাল তবিয়তে কর্মরত রেখেছেন। তাদের অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
সিরাজগঞ্জ : বিএনপির প্রার্থী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপাকে প্রধান নির্বাচনী অফিসে যেতে বাধা দেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানার ওসির সাথে কথা বললে তারা উপরের নির্দেশ নেই বলে কিছু করতে পারবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এমন পরিস্থিতিতে কনকচাঁপা জীবন শঙ্কায় ভুগছে। এছাড়াও কনকচাঁপার পক্ষে ধানের শীষের লিফলেট বিতরণ করার কারণে কাজিপুর থানা মহিলা দরের সভাপতি লতা মেম্বারের বাসায় সন্ত্রাসীরা ব্যাপক ভাংচুর করে তালা মেরে সশস্ত্র মহড়া দিচ্ছে এবং তাকে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহ সভাপতি সাজ্জাদ জহির এবং কোতয়ালী থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রিয়াজকে বিনা কারণে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গাজীপুর : বিএনপির প্রার্থীদের অভিযোগ গাজীপুর-১ আসনে সহকারী পুলিশ সুপার কর্তৃক নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে বিষ্ফোরক আইনে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এলাকা ছেড়ে যাবার হুমকি দিচ্ছে। এছাড়া গাজীপুর-৩ আসনে নির্বাচনী এলাকায় নেতাকর্মীদের নামে মটরসাইকেল পোড়ানো নামে হয়রানি মামলা দায়ের করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জ -১ আসনে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীর অভিযোগ করেন, পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িতে তল্লাসী ও ভাঙচুর করছে। যুবদল নেতা কামালসহ ৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। তবে পুলিশের দাবি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান ও আটক করা হয়েছে।
নরসিংদী : বেলাবো উপজেলায় নৌকার প্রার্থী নিজেই নিজেদের প্রতীক ও পোস্টারে আগুন দিয়ে থানা বিএনপির সভাপতি মোঃ আহসান হাবীব বিপ্লব ও প্রতিটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের নাম উল্লেখ করে মোট ৩০ জনের নামে মিথ্যা বানোয়াট মামলা দায়ের করেছে বলে জানান বিএনপি প্রার্থী। এছাড়াও পৌর বিএনপি সভাপতি বদরুল ইসলাম বাবুল, থানা যুবদল সহ সভাপতি মামুন, বেলাবো উপজেলা বিএনপি সদস্য হাজী খোরশেদ আলমসহ ১৫ জনের অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মুন্সীগঞ্জে সকালে মহিলা দল সভাপতি পাপিয়ার বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর করে আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। এছাড়া মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুই ইউপি সদস্যসহ নয় বিএনপি নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। গজারিয়া থানার ওর্সি মো. হারুন অর রশীদ জানান, ইন্সপেক্টর তদন্ত প্রাণবন্ধু চন্দ্র বিশ্বাসের নেতৃেত্ব উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিএনপির এই নয় নেতাকর্মীকে আটক করা হয়।
টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইল-১ আসনে মুসুদ্দী ইউনিয়নে নির্বাচনী অফিসে পুলিশের উপস্থিতিতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করে সন্ত্রাসীরা। ১১টি নির্বাচনী সভা করার কথা থাকলেও তিনটি করার পর পুলিশ তা বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানান ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশ। টাঙ্গাইল-৪ আসনে ঐক্যফ্রন্ট সমর্থকদের অভিযোগ পুলিশ প্রতিটি নেতাকর্মীদের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি করছে। বাড়িতে না পেলে পরিবারের সদস্যদের গ্রেফতার, নির্যাতনের হুমকি দিচ্ছে। এছাড়া নগরপুর থানার ওয়ার্ড বিএনপি নেতাকে গ্রেফতার।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া : সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি আনিছ সরদার, সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহŸায়ক জীবন, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহŸায়ক মিল, সহিলপুর যুবদলের যুগ্ম আহŸায়ক হামদুকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের কসবার তিনলাখপীর এলাকায় স্থানীয় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা নেতাকর্মীদের অবরুদ্ধ করে রাখে। সেখানে ধানের শীষের প্রার্থীকে প্রচারনায় নামতে দিচ্ছেনা দুষ্কৃতিকারীরা।
মাগুরা : জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বর্তমানে জেলা বিএনপি আহŸায়ক কমিটির সদস্য খান আমিনুর রহমান পিকুলকে গতকাল বিকাল ৪টার সময় ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যায়। পরিবারের লোকজন আশপাশের থানা ও সংশ্লিষ্ট ডিবি অফিসে খোজ খবর নিতে গেলে গ্রেফতারের বিষয়টি অস্বীকার করে পুলিশ। এছাড়া মাগুরা-২ আসনে ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন এর বাড়িতে আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করা হয় বলে অভিযোগ করেন বিএনপিরা প্রার্থীরা।
নাটোর : সিংড়া থানার প্রতিটি ইউনিয়নে ধানের শীষের নির্বাচনী কার্যালয়ে চাইনিজ কুড়াল, হাসুয়া, হাতুড়ী ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করে ব্যাপক ভাংচুর করে এবং সশস্ত্র মহড়া দিয়ে এলাকায় ভীতির সৃষ্টি করে চলেছে। এছাড়া সীমান্ত বাজার এলাকায় বিএনপি নেতা রাশিদুল ইসলামের উপর অতর্কিতে হামলা চালিয়ে মারাত্মক জখম করে তার মটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা।
কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে ইটনা থানার মৃগা ইউনিয়নের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ খোকনকে হামলা করে মারধর করেছে সন্ত্রাসীরা। বায়ছিটি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাবু মিল্কিকে ধরতে গিয়ে সারা গ্রামে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এতে এলাকায় ভীতির সৃষ্টি হয়েছে।
মৌলভীবাজার : বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সদস্য হাজী মুছাব্বির আলীকে গতকাল দুপুরে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া মৌলভীবাজার-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী এম. নাসের রহমানের শহরে লাগানো সকল পোস্টার গত রাতে অসন্ত্রাসীরা ছিড়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ করেন তার সমর্থকরা।

 



 

Show all comments
  • Engr Amirul Islam ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৭:৫৪ এএম says : 0
    No fair election possible under this EC, police and league activist.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ভোট

১২ এপ্রিল, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ