Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার ২০ জুলাই ২০১৯, ০৫ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৬ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

ফের বিয়ে করতে চলেছেন পুতিন!

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২১ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৪:৪৯ পিএম

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বয়স মাত্র ৬৬। এই বয়সেও তিনি নিজেই জানালেন, খুব শীঘ্র ফের বিয়ে করতে পারেন। প্রতি বছরের শেষে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৃহস্পতিবারও তেমনই বৈঠক ডেকেছিলেন। সেখানে উঠে আসে তার ব্যক্তিগত জীবনও। বিবাহ বিচ্ছিন্ন পুতিন দ্বিতীয়বার বিয়ের কথা ভাবছেন কিনা জানতে চান এক সাংবাদিক। জবাবে পুতিন বলেন, ‘ভদ্র-সভ্য মানুষ আমি। কখনও না কখনও বিয়ে তো করতেই হবে।’
‘ভদ্র-সভ্য’ মানুষ হওয়ার সঙ্গে বিয়ের কী সম্পর্ক তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন নেটিজেনরা। তবে রাশিয়ার নিয়ম-কানুন কিছুটা আলাদা। সেখানকার সমাজ এখনও রক্ষণশীল। সমকামিতা আজও নিষিদ্ধ সে দেশে। শিশুদের সামনে সেই সংক্রান্ত আলোচনাও বেআইনি। বরং তারা চিরন্তন মূল্যবোধে বিশ্বাসী, যেখানে বিয়ে করে সংসারী হওয়াটাই রীতি। এমনকি, চিরন্তন সামাজিক রীতিনীতিগুলিকে যাতে সুরক্ষিত অধিকারের আওতায় আনা যায়, সে জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনেও সুপারিশ করতে দেখা গিয়েছে রাশিয়াকে।
ভ্লাদিমির পুতিন নিজেও এই মূল্যবোধে বিশ্বাসী। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বরাবরই গোপনীয়তা বজায় রেখে এসেছেন তিনি। ১৯৮৩ সালে ল্যুদমিলা পুতিনাকে বিয়ে করেন পুতিন। তাদের দুই মেয়ে রয়েছে, মারিয়া পুতিনা এবং ইয়েক্যাতরিনা পুতিনা। তবে প্রথম থেকেই প্রচারের আলো থেকে দূরে তারা। রাজনীতির সঙ্গে কোনও যোগ নেই। ২০১৪ সালে পুতিনের বিবাহ বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করে ক্রেমলিন। তবে বিয়ে ভাঙার কারণ আজও জানা যায়নি।
ল্যুদমিলার সঙ্গে বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর আলিনা কাবায়েভা নামের অলিম্পিক্স ফেরত এক জিমন্যাস্টের সঙ্গে নাম জড়ায় পুতিনের। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় তা নিয়ে লেখালেখি হয়। ২০১৬ সালে আলিনার বোন ও দাদীর নামে সম্পত্তি হস্তান্তরের কথা প্রকাশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। তবে শুরু থেকেই তা অস্বীকার করে এসেছেন পুতিন। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন উঠলেই বরাবরই তা এড়িয়ে যান তিনি। তবে এতদিন পর হঠাৎ বিয়ে করবেন বলায় নতুন করে কৌতূহল শুরু হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: পুতিন


আরও
আরও পড়ুন