Inqilab Logo

সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ২০ আষাঢ় ১৪২৯, ০৪ যিলহজ ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

অগ্ন্যুৎপাত থামছেই না ফের সুনামি সতর্কতা

ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নিহত ও জীবিতদের উদ্ধার অভিযান চলছে

ইনকিলাব ডেস্ক : | প্রকাশের সময় : ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:০৩ এএম

ইন্দোনেশিয়ার আনাক ক্রাকাতাও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থামছেই না। ওই আগ্নেয়গিরির নিকটবর্তী উপকূলীয় বাসিন্দাদের সৈকত থেকে দূরে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। যেকোনো সময় ফের সুনামি আঘাত হানতে পারে বলে তাদেরকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার সুমাত্রা ও জাভার মধ্যবর্তী ওই আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে দ্বীপ দুটির উপকূলীয় অঞ্চলে সুনামি আঘাত হানে। এতে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ২৮১। এ ছাড়া, আহত হয়েছেন ১ হাজার ১৬ জন। সোমবার দেশটির কর্মকর্তারা নিহতের এই সংখ্যা জানিয়েছেন। কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধারকর্মীরা ভারী যন্ত্রপাতি ও হাত দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নিহত ও জীবিতদের উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে। সোমবার উদ্ধারকর্মীরা ভারী যন্ত্রপাতি ও খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ করছিলেন। জাভার পশ্চিমাঞ্চলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পান্ডেগলাংয়ে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতা খুব ধীর গতিতে পৌঁছাচ্ছে। রোববার আনাক ক্রাকাতাও আগ্নেয়গিরিতে ফের অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। এর ফলে ধোঁয়া ও ছাইয়ে ঢেকে যাচ্ছে আকাশ। সুন্দা প্রণালীতে অবস্থিত ওই আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ বিমান থেকে তোলা ওই ভিডিওতে দেখা, আগ্নেয়গিরি থেকে অনবরত অগ্ন্যুৎপাত হচ্ছে এবং লাভা, ধোঁয়া ও ছাই বের হচ্ছে। সুনামির পর বিধ্বস্ত উপকূলীয় শহরে রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধার কাজ ব্যাহত হচ্ছে। ধ্বংসস্তুপে রাস্তাগুলো বন্ধ হয়ে থাকায় উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে, তবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে হাতহতদের খোঁজে তল্লাশি অভিযানে সহায়তা করতে ভারী ক্রেন পাঠানো হচ্ছে। সুনামির ঢেউয়ে পশ্চিম জাভার তানজুং লেসুং বিচ রিজোর্টসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রের কয়েকশ ভবন ধ্বংস হয়েছে, রাস্তায় ও প্রাঙ্গণে থাকা গাড়িগুলো ভেসে গেছে, গাছ উপড়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসা ফুটেজে দেখা গেছে, একটি রিজোর্টে প্যান্ডেল ঘেরা মঞ্চে ইন্দোনেশিয়ার জনপ্রিয় রক ব্যান্ড সেভেনটিন কনসার্ট চলার সময় বিশাল একটি ঢেউ এসে সবকিছু ভাসিয়ে নিচ্ছে। ঢেউয়ের ধাক্কায় মঞ্চ ভেঙে ব্যান্ডের সদস্যদের ভেসে যেতেও দেখা গেছে। বিবিসি, রয়টার্স



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ