Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার ১৯ জুন ২০১৯, ৫ আষাঢ় ১৪২৬, ১৬ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

বানারীপাড়ায় যুবলীগ-ছাত্রলীগ কর্মীকে পিটিয়ে আহত করেছে দুর্বৃত্তরা

বানারীপাড়া ও উজিরপুর (বরিশাল) উপজেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১২:০২ এএম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস. সরফুদ্দিন আহমদ সান্টুর সমর্থকরা বানারীপাড়ায় ছাত্রলীগ যুবলীগের ১১ জন নেতাকর্মীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে। এ সময় বিএনপি প্রার্থী এস. সরফুদ্দিন আহমদ সান্টু তার নিজের রিভলবার দিয়ে কয়েক রাউণ্ড গুলিবর্ষণ করেন। গতকাল সোমবার বিকেলে বানারীপাড়া পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। আহদের মধ্যে গুরুতর তিন জনকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পৌর শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বিজিবি ও পুলিশি টহল জোরধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি প্রার্থী এস.সরফুদ্দিন আহমদ সান্টু ২টি মাইক্রো ও ৮/১০টি মাহেন্দ্র-আলফা এবং কয়েকটি মোটরসাইকেল নিয়ে বানারীপাড়ায় প্রবেশ করেন। এ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বেশ কজন কর্মী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় লিফলেট বিতরণ করছিল। হঠাৎ করে গুলির শব্দ শুনে লোকজন ছুটোছুটি শুরু করে। এরই মধ্যে সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর সাথে থাকা কর্মীরা ছাত্রলীগ ও যুবলীগ কর্মীদের পেটাতে থাকে। এক পর্যায়ে বিএনপি প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু ও তার লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ সময় আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
এদিকে হাসপাতালে আহত শাহিন সরদার জানান, যুবলীগ নেতা দুলাল তালুকদারের মোটরসাইকেলে করে পৌর শহরে প্রবেশ করছিলেন। বাসস্ট্যান্ড পৌছার সাথে সাথে নান্না হাওলাদারের ছেলে পাবেল, সামসু মিয়ার ছেলে জসিম তাদেরকে লাঠি দিয়ে অতর্কিত ভাবে পেটাতে শুরু করে। এ সময় দুলাল ও শাহিন গুরুতর আহত হয়। এ ঘটনা শুনে আওয়ামী লীগের বেশ কিছু নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে আসলে বিএনপি প্রার্থী এস.সরফুদ্দিন আহমদ সান্টু তার গাড়ি থেকে নেমে নিজের অস্ত্র দিয়ে গুলি বর্ষন করেন। হামলায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম দুলাল, শাহি সরদার, রাহাদ মাল, রাজু খান, মশিউর রহমান সুমন, ইব্রাহিম মৃধা, সুজন খান, আনোয়ার হোসেন, সুমন মোল্লা, মিন্টু, আল আমিন সিকদার আহত হয়। আহতদের মধ্যে শফিকুল ইসলাম দুলাল, রাজু খান ও ইব্রাহিম মৃধাকে বরিশাল শেবাচিমে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন সেন্টু বলেন,উঠান বৈঠক করার অনুমতি নেওয়ার জন্য আমি বানারীপাড়ায় প্রশাসনের কাছে গেছিলাম। এসময় আওয়ামী লীগের কর্মীবাহিনী আমার ওপর হামলা করেলে আমি কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করি।
ওসি মো. খলিলুর রহমান জানান, বিকেলে বিএনপি প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু বনারীপাড়ায় আসেন। এ সময় ওই খানে উপস্থিত যুবলীগ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মুখোমুখি হলে দন্দে¦র সৃষ্টি হলে বিএনপি প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু ৪ রাউন্ড গুলি বর্ষণ করেন। এ সময় তার সাথে থাকা কর্মীরা গাড়ি থেকে নেমে এলোপাথারী ভাবে পেটাতে থাকে। এত বেশ কয়েক জন গুরুতর আহত হয়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন