Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ০৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি

প্রকাশের সময় : ৮ মে, ২০১৬, ১২:০০ এএম

কর্পোরেট রিপোর্ট : রফতানি আয়ে ইতিবাচক ধারাবাহিকতারফতানি আয়ে ইতিবাচক ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গত কয়েক মাস ধরেই ৮-৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের অন্যতম এ খাত। এ ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ২২ শতাংশ। এক মাস আগে মার্চ পর্যন্ত সময়ে নয় মাসে প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ। অর্থাৎ গত এক মাসে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৭ শতাংশ। এছাড়া একক মাস হিসেবে এপ্রিলে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ। আগের মাস মার্চে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৯ দশমিক ২২ শতাংশ। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৩৫০ কোটি মার্কিন ডলারের। আর এপ্রিল মাস পর্যন্ত ১০ মাসের লক্ষ্য ছিল ২৭১০ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এ সময় আয় হয়েছে ২৭৬৩ কোটি ৭২ লাখ ডলারের। গত অর্থবছরের একই সময়ে রফতানি হয়েছিল ২৫৩০ কোটি ৩২ লাখ ডলার। অর্থাৎ এ সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে নয় দশমিক ২২ শতাংশ। রফতানি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করায় রফতানি আয় এগিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া পোশাক খাতের সংস্কার কাজ চলমান থাকায় ক্রেতাদের দৃষ্টি এখন বাংলাদেশে। তাদের কাছে আগের চেয়ে আরো বেশি আস্থাশীল হয়ে উঠছে বাংলাদেশ। রফতানি আয়ে তার প্রতিফলন চোখে পড়ছে। তবে বড় রফতানিকারকদের আয় যে হারে বাড়ছে, ছোট রফতানিকারকরা সেভাবে পারছে না। কারখানা সংস্কারে সরকারকে তাদের পাশে দাঁড়ানো উচিৎ বলে তারা মনে করছেন। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, রফতানি আয়ের সবচেয়ে বড় খাত তৈরি পোশাকের মধ্যে এ ১০ মাসে নিট পোশাক রফতানি হয়েছে ১০৭৩ কোটি ৭৪ লাখ ডলারের। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০৭৩ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রা থেকে সামান্য বেশি আয় হয়েছে এ সময়। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ খাত থেকে আয় হয়েছিল ১০০০ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত ১০ মাসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে সাত দশমিক ২৯ শতাংশ। আর ওভেন পোশাক থেকে এ সময় আয় হয়েছে ১১৮৯ কোটি ৯৩ লাখ ডলার। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১৪১ কোটি ৪৪ লাখ ডলার। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রা থেকে এ সময় বেশি আয় হয়েছে ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছরের একই সময়ে এ খাত থেকে আয় হয়েছিল ১০৫৫ কোটি ৭৯ লাখ ডলার। অর্থাৎ এ বছর প্রবৃদ্ধি ১২ দশমিক ৭১ শতাংশ। একক খাত হিসেবে পোশাক খাত মোট রফতানি প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হলেও অন্যান্য খাত থেকে রফতানি আয় আশাব্যঞ্জক নয়। অধিকাংশ খাত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। আবার অনেক খাত গত বছরের রফতানির ধারাবাহিকতাও রক্ষা করতে পারছে না। চলতি বছরে লক্ষ্যমাত্রা থেকে পিছিয়ে রয়েছে হিমায়িত খাদ্য, চিংড়ি ও মাছ, সবজি, প্লাস্টিক পণ্য, চামড়ার পাদুকা, পাটপণ্য, গৃহস্থালি কাপড়, ইলেক্ট্রিক পণ্য, বাইসাইকেল, জাহাজ ও কম্পিউটার সেবা। এদিকে একক মাস হিসেবে এপ্রিল মাসে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬৭ কোটি ১০ লাখ ডলার। আর আয় হয়েছে ২৬৮ কোটি ২০ লাখ ডলার। এ মাসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ